চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হবে। ফেব্রুয়ারিতে তা হবে এক লাখ ৮৪ হাজার ১০০ মেট্রিক টন। এই দুই মাস মিলিয়ে দেশে এলপিজি আমদানি দাঁড়াবে তিন লাখ ৫১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টনে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি জরুরি বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এলপিজি অপারেটররাও বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে জানানো হয়, নাভানা এলপিজি লিমিটেড জানুয়ারিতে ২ হাজার ৫০০ এবং ফেব্রুয়ারিতে ৩ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করবে। টিএমএসএস এলপিজি লিমিটেড দুই মাসে ৩ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন করে। এসকেএস এলপিজি ৫ হাজার মেট্রিক টন, বিএম এনার্জি (বিডি) লিমিটেড ১৬ হাজার ৫০০ ও ২০ হাজার মেট্রিক টন, পেট্রোম্যাক্স এলপিজি দুই মাসে ১২ হাজার মেট্রিক টন, জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস জানুয়ারিতে ৯ হাজার মেট্রিক টন, ওমেরা পেট্রোলিয়াল লিমিটেড দুই মাসে ২৫ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করবে।
যমুনা স্পেসটেক জয়েন ভেঞ্চার লিমিটেড দুই মাসে ২৭ হাজার ৫০০ ও ৪৪ হাজার মেট্রিক টন, লাফজ গ্যাস (বাংলাদেশ) ১৬ হাজার মেট্রিক টন, ডেল্টা এলপিজি লিমিটেড দুই মাসে ৫ হাজার ৮০০ ও ১০ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন, ইউনাইটেড অ্যাগাজ এলপিজি লিমিটেড ১৫ হাজার মেট্রিক টন, মেঘনা ফ্রেস এলপিজি লিমিটেড ৩০ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করবে।
বৈঠকে এলপিজি অপারেটররা আশ্বস্ত করেন, রমজানের আগেই দেশে এলপিজি সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

