Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, মে 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পায়রা বন্দরের অর্থনৈতিক বাস্তবতা: রাজস্বে সাফল্য, লেভিতে সংকট
    বাণিজ্য

    পায়রা বন্দরের অর্থনৈতিক বাস্তবতা: রাজস্বে সাফল্য, লেভিতে সংকট

    মনিরুজ্জামানফেব্রুয়ারি 19, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের অর্থনীতির মানচিত্রে পায়রা বন্দরের অবস্থান এখন দৃশ্যমান ও গুরুত্বপূর্ণ। ‘তৃতীয় করিডর’ নামে পরিচিত এই বন্দর ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে। এরপর ধাপে ধাপে সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

    ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই বন্দর থেকে সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে এক হাজার ৮৩৬ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব। সংখ্যাটি সাফল্যের ইঙ্গিত দেয়। তবে উজ্জ্বল এই চিত্রের আড়ালে জমে আছে ৬৫২ কোটি টাকার বেশি বকেয়া লেভি। বন্দর ব্যবহারের বিনিময়ে আদায় করা এই অর্থ দিয়েই পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজ চলে। ফলে রাজস্ব প্রবাহ ঠিক থাকলেও লেভি বকেয়া বন্দরের আর্থিক সক্ষমতায় চাপ তৈরি করছে।

    কাগজে অগ্রগতি, হিসাব খাতায় চাপ:

    বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভ্যন্তরীণ নথি বলছে, বড় অংশের বকেয়া এসেছে বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, শিপিং এজেন্ট এবং পণ্য খালাসে যুক্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেভি পরিশোধ না হলেও অনেক ক্ষেত্রে পণ্য খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    কোথাও বিল নিয়ে আপত্তি, কোথাও পুনর্নির্ধারণ বা প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে অর্থ আটকে আছে মাসের পর মাস। শুরুতে আমদানি কার্যক্রম সচল রাখাই ছিল প্রধান লক্ষ্য। সেই সময় কিছু শিথিলতা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই ছাড়ই এখন বড় অঙ্কের বকেয়ার বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কয়লা, সার, খাদ্যশস্য, পাথর ও ক্লিংকার আমদানিতে যুক্ত কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে। পণ্য খালাস শেষ হলেও বিল পরিশোধ হয়নি দীর্ঘদিন। শিপিং এজেন্ট ও চার্টারারদের একটি অংশের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। জাহাজ চলে গেলেও হিসাব মেটেনি—এমন নজিরও আছে।

    রাবনাবাদ চ্যানেলে মাদার ভেসেল থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য স্থানান্তরে যুক্ত কিছু লাইটারিং ও হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানও বকেয়ার তালিকায় রয়েছে। নিয়মিত চার্জ পরিশোধ না করলেও প্রাথমিক পর্যায়ে কঠোরতা দেখানো হয়নি।

    সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয় হলো সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের বকেয়া। একাধিক সূত্র জানায়, কিছু সরকারি সংস্থার আমদানি করা পণ্যের লেভি দীর্ঘদিন পরিশোধ হয়নি। ‘রাষ্ট্রীয় স্বার্থ’ বা ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’-এর যুক্তিতে আদায়ে কঠোরতা দেখানো হয়নি। এতে বেসরকারি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমতা বজায় ছিল কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে।

    এত বড় অঙ্কের বকেয়া থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। তাদের যুক্তি, অনেক বিষয় নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে। নির্দিষ্ট নাম প্রকাশ করলে মামলা বা চুক্তিগত জটিলতা বাড়তে পারে।

    নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কোথাও সময়মতো বিল তোলা হয়নি, কোথাও ফলোআপ ছিল দুর্বল। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজস্ব ও লেভি আলাদা বিষয়। রাজস্ব যায় জাতীয় কোষাগারে। আর লেভি দিয়েই বন্দরের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও অবকাঠামো উন্নয়ন চলে। এই অর্থ সময়মতো না এলে স্বনির্ভরতা বাধাগ্রস্ত হয়।

    নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সাবেক কর্মকর্তা বলেন, লেভি আদায়ে শিথিলতা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকে ঝুঁকিতে ফেলে। এখনই কঠোর অবস্থান না নিলে বকেয়ার অঙ্ক আরও বাড়বে।

    বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবালের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি। তাঁর একান্ত সচিব মু. আহসান হাবীবও পরে জানাবেন বলে জানান। পরিচালকের (অর্থ) অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়ার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    তবে উপপরিচালক (ট্রাফিক) আজিজুর রহমান বলেন, বকেয়া আদায়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। নতুন টার্মিনাল চালুর আগেই বড় অংশ আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৬৫২ কোটি টাকার বকেয়া রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। তবে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। রাজস্বে সাফল্যের পরও লেভি বকেয়া এখন পায়রা বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনার বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    ‘আমরা ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে এসেছি, চুরি করতে না’

    মে 2, 2026
    অর্থনীতি

    বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সংকট থেকে মুক্তির রূপরেখা

    মে 2, 2026
    বাণিজ্য

    দেশীয় সাইকেলের বিক্রি এখন ৬০০ কোটি টাকার ঘরে

    মে 2, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.