Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, সেপ্টে. 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » যেভাবে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্প নিজেই গলিয়ে দিচ্ছে হিমবাহ
    জলবায়ু ও পরিবেশ

    যেভাবে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্প নিজেই গলিয়ে দিচ্ছে হিমবাহ

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 10, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের বরফ গলছে, এ খবর নতুন নয়। কিন্তু কেন গলছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এমন এক তথ্য পেয়েছেন, যা রীতিমতো অবাক করার মতো। শুধু বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নয়, এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পে মানুষের দৈনন্দিন কার্যকলাপ, রান্না, গাড়ি চালানো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, এমনকি মূত্র ত্যাগের তাপও হিমবাহ গলানোর প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক এক দল গবেষক ‘রিজিওনাল এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, বেজ ক্যাম্পে জ্বালানি পোড়ানো ও মূত্রের তাপ মিলিয়ে বছরে প্রায় ২,৫০০ টন বরফ ও তুষার গলে যাচ্ছে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, হিসাবটা কিন্তু পরিষ্কার এবং উদ্বেগজনক।

    গবেষণাটি চালানো হয়েছে খুম্বু হিমবাহের ওপর, যেখানে এভারেস্টের নেপাল অংশের বেজ ক্যাম্প অবস্থিত। ২০২৩ সালের বসন্ত মৌসুমে ৫০ দিন ধরে সেখানে প্রায় ১,৬০০টি তাঁবু ছিল। রান্না, তাঁবু গরম রাখা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ওই সময়ে ব্যবহার হয়েছে ৮২৪টি এলপিজি সিলিন্ডার, ১৮,৯৩৫ লিটার কেরোসিন এবং ৫,১৩০ লিটার পেট্রল। শুধু তাই নয়, উচ্চ উচ্চতায় পানিশূন্যতা এড়াতে পর্বতারোহী ও গাইডরা প্রচুর পানি পান করেন, ফলে প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার লিটার মূত্র উৎপন্ন হয়। কঠিন বর্জ্য নিচে নামানো হলেও এই মূত্রের বড় অংশ সরাসরি হিমবাহের ওপরেই ফেলে দেওয়া হয়। বিজ্ঞানীদের হিসাবে, এই মূত্রের তাপই এক মৌসুমে প্রায় ১৫৪ টন বরফ গলাতে পারে।

    প্রশ্ন হলো, তাপমাত্রার এই ‘অদৃশ্য হিসাব’ কীভাবে কাজ করে? মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর হিমবাহের তাপমাত্রা শূন্যের নিচে। যখন ৩৭ ডিগ্রির মূত্র সরাসরি বরফের ওপর পড়ে, তখন তাপ স্থানান্তরিত হয়, আর বরফ গলে যায়। গবেষকরা দেখেছেন, জ্বালানি ও মূত্রের মিলিত তাপের পরিমাণ প্রায় ৮,৪৯,১৭৪ মেগাজুল, যা ২,৪৯২ টন বরফ গলানোর জন্য যথেষ্ট। একটি অলিম্পিক; আকারের সুইমিংপুল ভরতে যত পানি লাগে, ঠিক ততটাই পানি তৈরি হয় এই বরফ গলে! হিসাবের সম্ভাব্য ত্রুটি ধরলে পরিমাণটি ১,৯৬৪ থেকে ৩,০২০ টনের মধ্যে হতে পারে।

    তবে এই হিসাব আসলে পুরো ছবি নয়। গবেষকরা স্পষ্টভাবে বলেছেন, তারা হেলিকপ্টার চলাচলের তাপ, পর্বতারোহীদের শরীরের তাপ এবং মালামাল বহনের ইয়াকের তাপ হিসাবে ধরেননি। মানে, প্রকৃত প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। নেপালের ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ জরিপবিদ কিম লাল গৌতমসহ গবেষক দলের সদস্যরা জানিয়েছেন, মানুষের কার্যকলাপের প্রকৃত প্রভাব সম্ভবত এর চেয়েও বড়। ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সালের ল্যান্ডস্যাট উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বেজ ক্যাম্প এলাকার তাপমাত্রা বছরে গড়ে ০.২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে; খুম্বু হিমবাহের আশপাশের এলাকার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

    বেজ ক্যাম্প আসলে কী? বসন্তে পর্বতারোহণের মৌসুমে হাজারো পর্বতারোহী, গাইড ও সহায়ক কর্মী সেখানে জড়ো হন। ক্যাম্পটি তখন জমজমাট এক পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়; এসপ্রেসো কফির ক্যাফে, বড় পর্দার টিভি, উচ্চগতির ইন্টারনেট, গরম পানির ঝরনা, এমনকি তাঁবুর মেঝে গরম রাখার ব্যবস্থাও থাকে। এই আধুনিক সুবিধাগুলো চালু রাখতেই বিপুল জ্বালানি খরচ হয়, আর সেই খরচের তাপই হিমবাহের ক্ষতি করছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হিমবাহ গলার প্রধান কারণ, এটা অস্বীকার করছেন না গবেষকরা। তবে তারা বলছেন, একটি দ্রুত গলে যাওয়া হিমবাহের ওপর বছরের পর বছর হাজার হাজার মানুষকে জড়ো করা দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই নয়। “ভবিষ্যতে বেজ ক্যাম্পকে হিমবাহ থেকে সরিয়ে নিরাপদ, স্থিতিশীল স্থানে নেওয়ার কথা ভাবা উচিত,” বলেছেন গবেষকরা।

    এই গবেষণা শুধু এভারেস্টের গল্প নয়। এটি আমাদের সামনে একটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরে, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য আমরা প্রকৃতির ওপর কতটা চাপ তৈরি করছি? নেপালের সাম্প্রতিক প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল ও কাদাপানির বন্যা হিমবাহ গলার ভয়াবহ পরিণতিরই ইঙ্গিত। হিমবাহ গলে জলস্তর বাড়ছে, বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে প্রাণহানি ও সম্পদহানির আশঙ্কা। বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা স্পষ্ট, জলবায়ু পরিবর্তন থামানো সম্ভব না হলেও, মানুষের নিজস্ব কর্মকাণ্ড কমানো আমাদের হাতেই রয়েছে। এভারেস্টের বরফ গলে যাওয়া শুধু একটি পর্বতের ক্ষতি নয়, এটি আমাদের গ্রহের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ফিচার

    কেবল ‘মুরগিচোর’ নয়, প্রকৃতি-কৃষির নিঃশব্দ প্রহরী খ্যাঁকশিয়াল

    সেপ্টেম্বর 10, 2026
    বিশেষ বিশ্লেষণ

    বন্যপ্রাণী রক্ষায় নতুন কমিশন: সমাধান, নাকি আরেক দফা আমলাতন্ত্র?

    সেপ্টেম্বর 8, 2026
    জলবায়ু ও পরিবেশ

    ধেয়ে আসছে ‘অতি শক্তিশালী’ এল নিনো, বড় ঝুঁকিতে পৃথিবী

    সেপ্টেম্বর 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.