সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের করা পাঁচটি পৃথক মামলায় দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আদালত। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট আদালত এ সিদ্ধান্ত দেন। ফলে এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে আপাতত গ্রেপ্তারি ঝুঁকি থাকছে না এবং তিনি নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।
আদালত সূত্র জানায়, এর আগে নিম্ন আদালত থেকে তিনি এসব মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। পরে সেই জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করা হলে বিষয়টি উচ্চ আদালতে শুনানির জন্য ওঠে আসে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পূর্বের দেওয়া জামিন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেয়।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, জামিন বহাল থাকায় তিনি এখন স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায় মামলার মোকাবিলা করতে পারবেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে মামলাগুলো থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। বরং বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
মামলাগুলো বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে এবং বর্তমানে তা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তদন্ত ও শুনানি অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্ত মামলার অগ্রগতিতে প্রক্রিয়াগত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি বিচারাধীনই থাকবে।
এদিকে আদালতের এই আদেশকে কেন্দ্র করে আইনি অঙ্গনে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, জামিন বহাল থাকায় বিচারিক প্রক্রিয়া তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকবে, আবার অনেকে মনে করছেন, মামলার পরবর্তী ধাপগুলোতে আরও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সব মিলিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলো এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই এগোবে এবং পরবর্তী শুনানিতে এ বিষয়ে নতুন দিকনির্দেশনা আসতে পারে।

