Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » হেলমেটের আড়ালেও চিনেছিলেন, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর ব্যাখ্যা
    অপরাধ

    হেলমেটের আড়ালেও চিনেছিলেন, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর ব্যাখ্যা

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    আইনি দলিল ও জনগণ সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার: হাইকোর্ট
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ১০ জনকে হত্যার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের কীভাবে শনাক্ত করা হয়েছে, তা নিয়ে সাক্ষী সম্রাট হোসেনকে জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। নেতাকর্মীদের আলাদা কোনো পোশাক ছিল কি না, জানতে চাইলে সাক্ষী জানান, আলাদা পোশাক ছিল না; তাদের মাথায় হেলমেট ছিল।

    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ জেরা অনুষ্ঠিত হয়। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ মোট ১২ জন আসামি রয়েছেন।

    এদিন মামলার তৃতীয় সাক্ষী সম্রাট হোসেন তার আগের জবানবন্দির বাকি অংশ উপস্থাপন করেন। তিনি সরকারি গেজেটভুক্ত আহত জুলাই যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।

    সাক্ষ্যের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন সম্রাট। তার দাবি, ওই সময় তৎকালীন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে তিনি আহত হন। তার চোখ, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি ও পিলেটের আঘাত লাগে।

    সম্রাটের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার ডান চোখে দৃষ্টিশক্তি নেই এবং বাঁ চোখেও সমস্যা রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে এখনো ৪০টির বেশি পিলেট রয়েছে বলেও তিনি আদালতকে জানান।

    জবানবন্দি শেষে পলাতক অয়ন ওসমানসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আমির হোসেন সাক্ষীকে জেরা শুরু করেন। শুরুতেই তিনি সম্রাটের দৃষ্টিশক্তি ও আসামিদের শনাক্ত করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

    জেরার এক পর্যায়ে আইনজীবী দাবি করেন, সম্রাট গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা নন এবং ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা গেজেটও তার নিজের তৈরি। রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাওয়ার জন্য তিনি মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন আইনজীবী।

    এর জবাবে সম্রাট বলেন, তিনি গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা এবং ওই গেজেট তার নিজের তৈরি নয়। আদালতে তিনি সত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

    এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের শনাক্ত করার বিষয়টি সামনে আনেন। তাদের গায়ে কোনো আলাদা পোশাক ছিল কি না, জানতে চাওয়া হলে সম্রাট জানান, আলাদা কোনো পোশাক ছিল না। তবে তাদের মাথায় হেলমেট ছিল।

    আইনজীবী তখন প্রশ্ন তোলেন, হেলমেট পরা থাকলে কীভাবে তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হলো। জবাবে সম্রাট বলেন, যাদের নাম তিনি সাক্ষ্যে উল্লেখ করেছেন, তাদের তিনি আগে থেকেই চিনতেন। কারণ তিনি অয়ন ওসমানদের বাসার পাশের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

    পরে সম্রাটকে জেরা করেন পলাতক অন্য আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আলী হায়দার ও মুসতাভী হাসান রাতুল।

    এর আগে গত ১২ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন সম্রাট হোসেন। মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে মঙ্গলবার শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মামুনুর রশিদসহ অন্যরা।

    মামলায় শামীম ওসমান ছাড়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র।

    মামলায় আনা অভিযোগের সত্যতা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হয়নি। সাক্ষীদের জবানবন্দি ও আসামিপক্ষের জেরার পর উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    তিন দশকে মশা মারতে ব্যয় ১,৮০০ কোটি, তবু কমেনি উপদ্রব

    আগস্ট 18, 2026
    অপরাধ

    তুচ্ছ বিরোধের জেরে বন্ধু খুন, ৯ বছর পর আসিফের মৃত্যুদণ্ড

    আগস্ট 18, 2026
    আইন আদালত

    বিচারক নেই, মামলা আছে—ন্যায়বিচার কি শুধু অপেক্ষার নাম?

    আগস্ট 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.