ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সদ্য চালু হওয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-নির্ভর ক্যামেরা প্রযুক্তি প্রথম দিনেই দেখিয়ে দিল তার সক্ষমতা। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মোট ৪৪৯টি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মামলা করা হয়েছে, যেখানে জরিমানার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা।
আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি, বিপরীত মুখে চলাচল এবং যততত্র পার্কিংসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করতেই মূলত এই এআই ক্যামেরা ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। ক্যামেরায় কোনো অপরাধ শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও জরিমানা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাচ্ছে, যেখানে মানুষের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়ছে না।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম বলেন, ভবিষ্যতে মহাসড়কে এই ধরনের এআই ক্যামেরার পরিসর আরও বাড়ানো হলে একদিকে যেমন ট্রাফিক আইন ভঙ্গের প্রবণতা কমে আসবে, তেমনি সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলাও আরও দৃঢ় হবে। তাঁর ভাষ্যমতে, চালু হওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যেই এই প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই এআই ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যক্রম শুরু হয়। মহাসড়কের প্রায় ২৫০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মোট ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যেগুলো এখন থেকে নিয়মিতভাবে যানবাহনের গতিবিধি ও আইন মেনে চলার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে।

