নারায়ণগঞ্জের একটি ভূমি অফিসে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিতি এবং হাজিরা খাতায় আগেভাগেই স্বাক্ষর করে রাখার প্রমাণ পেয়ে তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ সোমবার সকালে নগরীর খানপুর এলাকার ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, একই চত্বরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনারের কার্যালয়সহ দুটি রাজস্ব সার্কেলের কার্যালয়ও অবস্থিত। পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী কার্যালয়ে উপস্থিত হননি। এমনকি হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করে তিনি লক্ষ করেন, অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন আগে থেকেই স্বাক্ষর করে রেখেছেন।
প্রতিমন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টার দিকে কার্যালয়ে পৌঁছান। এরপর প্রায় ২০ মিনিট পর একজন ঊর্ধ্বতন রাজস্ব কর্মকর্তা এসে উপস্থিত হন, তারও কিছুক্ষণ পর আসেন আরেক সহকারী কমিশনার। এ পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী কর্মকর্তাদের কাছে বিলম্বের কারণ জানতে চান এবং গত এক সপ্তাহের সিসিটিভি ফুটেজ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিমন্ত্রীকে জানান, দুজন কর্মকর্তার একজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং অন্যজন সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকায় উপস্থিত হতে পারেননি। তবে বাকিদের অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামান্য দেরি হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে, কিন্তু একসঙ্গে তিনটি সার্কেলেরই কেউ উপস্থিত না থাকা অত্যন্ত হতাশাজনক একটি বিষয়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, তার সরকারি যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনিয়মের অভিযোগ আসে, তবে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা অভিযোগের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। তিনি বলেন, সময়মতো অফিসে উপস্থিত না হওয়ার প্রবণতা দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পর্যায়ে আগে থেকেই রয়েছে, তবে সবচেয়ে হতাশাজনক লেগেছে যখন দেখা গেছে দুটি সার্কেল কার্যালয়েই কেউ উপস্থিত নেই, অথচ হাজিরা খাতায় নির্দিষ্ট তারিখে সবার স্বাক্ষর আগে থেকেই বসানো রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি সরাসরি জালিয়াতি বলে আখ্যা দেন এবং তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন।
জনসেবার মানসিকতার ঘাটতি লক্ষ করার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য ও আদর্শের সঙ্গে এই কার্যালয়ের বাস্তব চিত্রের মিল খুঁজে পাননি তিনি।
সবশেষে তিনি জানান, ওই কার্যালয়ে কর্মরত কয়েকজন নারী কর্মকর্তা একইসঙ্গে প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করছেন, এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের একটি ভূমি অফিসে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিতি এবং হাজিরা খাতায় আগেভাগেই স্বাক্ষর করে রাখার প্রমাণ পেয়ে তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ সোমবার সকালে নগরীর খানপুর এলাকার ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, একই চত্বরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনারের কার্যালয়সহ দুটি রাজস্ব সার্কেলের কার্যালয়ও অবস্থিত। পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী কার্যালয়ে উপস্থিত হননি। এমনকি হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করে তিনি লক্ষ করেন, অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন আগে থেকেই স্বাক্ষর করে রেখেছেন।
প্রতিমন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টার দিকে কার্যালয়ে পৌঁছান। এরপর প্রায় ২০ মিনিট পর একজন ঊর্ধ্বতন রাজস্ব কর্মকর্তা এসে উপস্থিত হন, তারও কিছুক্ষণ পর আসেন আরেক সহকারী কমিশনার। এ পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী কর্মকর্তাদের কাছে বিলম্বের কারণ জানতে চান এবং গত এক সপ্তাহের সিসিটিভি ফুটেজ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিমন্ত্রীকে জানান, দুজন কর্মকর্তার একজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং অন্যজন সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকায় উপস্থিত হতে পারেননি। তবে বাকিদের অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামান্য দেরি হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে, কিন্তু একসঙ্গে তিনটি সার্কেলেরই কেউ উপস্থিত না থাকা অত্যন্ত হতাশাজনক একটি বিষয়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, তার সরকারি যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনিয়মের অভিযোগ আসে, তবে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা অভিযোগের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। তিনি বলেন, সময়মতো অফিসে উপস্থিত না হওয়ার প্রবণতা দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পর্যায়ে আগে থেকেই রয়েছে, তবে সবচেয়ে হতাশাজনক লেগেছে যখন দেখা গেছে দুটি সার্কেল কার্যালয়েই কেউ উপস্থিত নেই, অথচ হাজিরা খাতায় নির্দিষ্ট তারিখে সবার স্বাক্ষর আগে থেকেই বসানো রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি সরাসরি জালিয়াতি বলে আখ্যা দেন এবং তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন।
জনসেবার মানসিকতার ঘাটতি লক্ষ করার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য ও আদর্শের সঙ্গে এই কার্যালয়ের বাস্তব চিত্রের মিল খুঁজে পাননি তিনি।
সবশেষে তিনি জানান, ওই কার্যালয়ে কর্মরত কয়েকজন নারী কর্মকর্তা একইসঙ্গে প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করছেন, এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

