বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন এক কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভের (ইউএসটিআর) দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ। তিনি বাংলাদেশের নতুন আমদানি নীতি আদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ তথ্য উঠে আসে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, নতুন আমদানি নীতি আদেশ প্রণয়নের কাজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো একযোগে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-এর খসড়া ব্যবসায়ী মহলের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা গণতন্ত্র চর্চার একটি ইতিবাচক উদাহরণ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে। বৈঠকে উভয় দেশই বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নীতিগত সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল ইকোনমিক কাউন্সিলর মি. এরিক গিলান উপস্থিত ছিলেন।

