Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, এপ্রিল 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » করনীতির নতুন ধারা কি অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে?
    অর্থনীতি

    করনীতির নতুন ধারা কি অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে?

    নিউজ ডেস্কUpdated:এপ্রিল 30, 2026এপ্রিল 30, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে দেশের কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। রাজস্ব ঘাটতি, আন্তর্জাতিক ঋণের চাপ এবং উন্নয়ন ব্যয়ের লাগাতার বৃদ্ধি—এই তিন চাপের কারণে সরকার এবার কর আদায়ের লক্ষ্য আরও জোরালোভাবে এগিয়ে নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

    নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কর আহরণ বাড়ানোর বিষয়ে একটি দৃঢ় অবস্থান তৈরি হয়েছে। তবে সেই বাড়তি কর সংগ্রহ কোন পথে হবে, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি আয়কর বা প্রত্যক্ষ করের পাশাপাশি এবার পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ কর ব্যবস্থার ভারসাম্য ধীরে ধীরে ভোগভিত্তিক কাঠামোর দিকে ঝুঁকছে।

    এর ফলে আয়ভিত্তিক করের তুলনায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভোগ্যপণ্য ও সেবার ওপর করের চাপ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে এর প্রভাব সমাজের প্রায় সব স্তরের মানুষের ওপরই পড়তে পারে।

    কর ব্যবস্থায় সর্বজনীনতার ইঙ্গিত:

    প্রস্তাবিত কর কাঠামোর সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলোর একটি হলো উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদের ওপর কর আরোপের পরিকল্পনা। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কেউ যদি উত্তরাধিকার হিসেবে সম্পদ গ্রহণ করেন, তবে তার ওপর কর প্রযোজ্য হবে। এমনকি এক টাকার সম্পদ হলেও তা করের বাইরে থাকবে না—তবে এক টাকার নিচে হলে কর ধার্য হবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। এই বিধান কার্যকর হলে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া যেকোনো সম্পদই কর ব্যবস্থার আওতায় চলে আসবে। ফলে ব্যক্তিগত সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একটি নতুন কর কাঠামো যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, কৃষক, শ্রমিক কিংবা দিনমজুর—যে কোনো শ্রেণির মানুষই যদি উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পান, তাহলে তাদেরও এই কর কাঠামোর মধ্যে পড়তে হবে। এতে করে কর ব্যবস্থায় একটি বিস্তৃত ও প্রায় সর্বজনীন প্রভাব তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যেখানে সম্পদের মালিকানা থাকলেই করের আওতায় আসার বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে, সম্পদের পরিমাণ যাই হোক না কেন।

    করের হার ও কাঠামো:

    প্রস্তাবিত উত্তরাধিকার কর ব্যবস্থায় দুটি আলাদা শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়েছে—নিকটাত্মীয় এবং দূরসম্পর্কের আত্মীয়। এই দুই শ্রেণির জন্য করের হার ও ধাপে ধাপে কাঠামো ভিন্নভাবে সাজানো হয়েছে।

    নিকটাত্মীয়দের ক্ষেত্রে, অর্থাৎ মা, বাবা, ভাই ও বোনের জন্য কর হার তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ১ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদের ওপর ১ শতাংশ কর, পরবর্তী ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ২ শতাংশ, এরপর আরও উচ্চ স্তরে ৩ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৫ শতাংশ কর নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে দূরসম্পর্কের আত্মীয়দের ক্ষেত্রে করের চাপ আরও বেশি। এখানে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ৩ শতাংশ, পরবর্তী ৫ কোটি টাকা ৫ শতাংশ, এরপর ৭ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ধাপে ১০ শতাংশ পর্যন্ত কর আরোপের প্রস্তাব রয়েছে।

    এই কর নির্ধারণ করা হবে সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্যের ভিত্তিতে। এখানেই তৈরি হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ জটিলতা। অনেক সময় সম্পদের ঘোষিত মূল্য এবং বাস্তব বাজারমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান দেখা যায়। ফলে কর নির্ধারণে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে, যা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও সম্ভাব্য জটিলতার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।

    ধরা যাক, কোনো ব্যক্তি জীবদ্দশায় ১০ লাখ টাকার একটি সম্পদের মালিক ছিলেন। পরবর্তীতে সেই সম্পদের বাজারমূল্য বেড়ে এক কোটি টাকায় পৌঁছায়। ওই সম্পদ উত্তরাধিকার হিসেবে গ্রহণের সময় ১ শতাংশ হারে কর ধরলে করের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ টাকা। যদি একই সম্পদের একাধিক উত্তরাধিকারী থাকে, তাহলে প্রত্যেকে তাদের অংশ অনুযায়ী আলাদা করে কর দিতে হবে।

    এই ধরনের কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সম্পদ হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় নতুন ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য এটি অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে, যাদের সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সীমিত হলেও করের আওতা এড়ানোর সুযোগ থাকছে না।

    প্রস্তাবিত কর কাঠামোর আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো পরোক্ষ করের পরিসর আরও বিস্তৃত করা। এই ধরনের কর ব্যবস্থায় সরাসরি ব্যক্তির আয়ের ওপর কর আরোপ করা হয় না; বরং পণ্য ও সেবা কেনার সময় ভোগের ওপর কর ধার্য করা হয়। এই ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হলো—একই পণ্য কিনলে ধনী ও দরিদ্র উভয়কেই একই হারে কর দিতে হয়। ফলে আয়ের ব্যবধান থাকলেও করের হার সমান থাকে। এখানেই তৈরি হয় এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা, যা অর্থনীতিবিদরা প্রায়ই বৈষম্য হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

    কারণ হিসেবে দেখা যায়, নিম্ন আয়ের মানুষের আয়ের বড় অংশই দৈনন্দিন ভোগ্যপণ্যে ব্যয় হয়। ফলে তাদের মোট আয়ের তুলনায় করের চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে যায়। বিপরীতে উচ্চ আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে এই করের বোঝা অনেকটা সহনীয় থাকে। ধরা যাক, এক কেজি দুধের মূল্য ৫০ টাকা। এর ওপর যদি ১০ টাকা ভ্যাট আরোপ করা হয়, তাহলে ক্রেতাকে মোট ৬০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    এই অতিরিক্ত ১০ টাকা ধনী বা দরিদ্র—সবার জন্যই একই কিন্তু একজন নিম্ন আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে এই ১০ টাকা তার দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর তুলনামূলকভাবে বেশি প্রভাব ফেলে। ফলে পরোক্ষ কর ব্যবস্থায় সমান হার থাকলেও বাস্তবিক অর্থে করের চাপ ভিন্নভাবে অনুভূত হয়। এই কারণে পরোক্ষ করের বিস্তার বাড়লে সাধারণ ভোক্তা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশে কর কাঠামোর প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় দেখা যায়, দেশের পরোক্ষ কর ব্যবস্থা বাস্তবে প্রত্যাবর্তনশীল বা রিগ্রেসিভ প্রকৃতির। অর্থাৎ, এই কর কাঠামো তুলনামূলকভাবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে।

    গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, দৈনিক ২০০ টাকা আয় করা একজন ব্যক্তি এবং ৫ হাজার টাকা আয় করা একজন ব্যক্তি—উভয়কেই ভ্যাট দিতে হয় একই হারে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের আয়ের বড় একটি অংশ কর হিসেবে চলে যায়, যা তাদের ওপর তুলনামূলক বেশি চাপ তৈরি করে।

    আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে গবেষণায় বলা হয়, দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ ধনী শ্রেণির মধ্যে থাকলেও আয়কর প্রদানে অংশগ্রহণকারী টিআইএনধারীদের মধ্যে মাত্র ৩৩ শতাংশ সক্রিয়ভাবে কর দেন। এর বিপরীতে ভ্যাট ও অন্যান্য পরোক্ষ করের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীই রাষ্ট্রীয় রাজস্বের বড় অংশ যোগান দেয়।

    পরোক্ষ কর বৃদ্ধি সাধারণত বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। পণ্যের দাম বাড়ার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়। একইসঙ্গে টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে একজন ভোক্তা আজ যে টাকায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিনতে পারেন, ভবিষ্যতে একই টাকায় সেই পরিমাণ পণ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি সঞ্চয়ের প্রবণতা কমাতে পারে এবং বিনিয়োগের আগ্রহেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন।

    নতুন বাজেট প্রস্তাবে ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। বর্তমানে এই হার প্রায় ১৫ শতাংশ, যা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। এই পরিবর্তন কার্যকর হলে ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) ও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার একটি বড় অংশ কর হিসেবে কেটে নেওয়া হবে। ফলে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, এর প্রভাব সরাসরি ব্যাংকিং খাতে পড়তে পারে। সঞ্চয় কমলে তারল্য সংকট তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করতে পারে।

    বাংলাদেশে কর প্রশাসনের দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং হয়রানির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনেক সম্ভাব্য করদাতা এই জটিলতার কারণে সরাসরি কর দিতে আগ্রহ হারান বলে পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। ফলে সরকার তুলনামূলকভাবে পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। কিন্তু এই নির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈষম্যের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তাদের মতে, কর আহরণ বাড়াতে হলে প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি ডিজিটাল কর ব্যবস্থার বিস্তারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উত্তরাধিকার কর প্রচলিত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও জাপানের মতো দেশে এই কর ব্যবস্থা চালু থাকলেও কিছু দেশ আবার তা বাতিল করেছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বলছে, এই খাত থেকে রাজস্ব তুলনামূলকভাবে সীমিত হলেও এটি সম্পদ বৈষম্য কমাতে সহায়ক হতে পারে। বাংলাদেশে এ ধরনের কর চালু হলে কয়েক হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর আহরণ বাড়ানো প্রয়োজন হলেও তা হতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায্য কাঠামোর মধ্যে। তাদের সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—নির্দিষ্ট করমুক্ত সীমা নির্ধারণ, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা, কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল কর কাঠামোর আরও সম্প্রসারণ।

    এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আয়কর নির্ধারণে পূর্বানুমানযোগ্যতা থাকা জরুরি। ব্যবসায়ীরা যদি আগে থেকেই জানেন কত কর দিতে হবে, তাহলে বিনিয়োগ পরিকল্পনা করা সহজ হয় এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসে।

    আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে কর কাঠামো নিয়ে সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এবার বড় ধরনের কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ সীমিত থাকবে। তবে ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার ওপর জোর দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তার মতে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হলো বেসরকারি খাত। তাই একদিকে কর আহরণ বাড়ানোর প্রয়োজন থাকলেও, অন্যদিকে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেট দেশের কর ব্যবস্থায় একটি নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পরোক্ষ করের পরিসর আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা, সঞ্চয়ের ওপর করের চাপ বৃদ্ধি এবং উত্তরাধিকার কর চালুর উদ্যোগ।

    এই তিনটি পরিবর্তন একসঙ্গে কার্যকর হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—এই নতুন কর কাঠামো কতটা ন্যায্য এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, যদি করের বোঝা অসমভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর গিয়ে পড়ে, তাহলে সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবার সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এই কাঠামো রাজস্ব আহরণ বাড়িয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে।

    কর ব্যবস্থার এই পরিবর্তন কতটা জনবান্ধব হবে, তা নির্ভর করবে নীতিনির্ধারণের সূক্ষ্মতা, বাস্তবায়নের দক্ষতা এবং রাষ্ট্রের ন্যায্যতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির ওপর।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    শিল্প খাত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যাচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    এপ্রিল 30, 2026
    অর্থনীতি

    ক্যাশলেস লেনদেনে এগোচ্ছে দেশের অর্থনীতি

    এপ্রিল 30, 2026
    অর্থনীতি

    প্রকাশ হলো নিরীক্ষার জন্য বাছাই করা আয়কর রিটার্নের তালিকা

    এপ্রিল 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.