Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, এপ্রিল 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৯ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ  ছাড়াল সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার
    অর্থনীতি

    ৯ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ  ছাড়াল সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার

    নিউজ ডেস্কএপ্রিল 30, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসেই বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে সরকারকে। সুদ ও আসল মিলিয়ে এই সময়ে পরিশোধের পরিমাণ সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা অর্থনীতিতে বাড়তি চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ–এর হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে মোট ৩৫২ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে আসল বাবদ গেছে প্রায় ২২৭ কোটি ডলার এবং সুদ হিসেবে দিতে হয়েছে ১২৫ কোটি ডলার।

    একই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে দেশে এসেছে প্রায় ৩৮৯ কোটি ডলার। অর্থাৎ নতুন ঋণ প্রবাহ থাকলেও পুরোনো ঋণ শোধের চাপ সমানতালে বাড়ছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে এই ঋণ নেওয়া হলেও পরিশোধের বোঝা ক্রমেই ভারী হচ্ছে।

    প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, বিদেশি ঋণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরশীলতাও বেড়েছে। বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকিং খাত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ধার নেওয়া হয়েছে, যদিও আংশিক পরিশোধের পর নিট দায় কিছুটা কমেছে।

    গত কয়েক বছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। আগের অর্থবছরে প্রথমবারের মতো মোট পরিশোধ ৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছর শেষে এই অঙ্ক ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে।

    ঋণদাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ ছাড় করেছে রাশিয়া। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। এছাড়া চীন, জাপান ও ভারত থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ এসেছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য বিদেশি ঋণ অপরিহার্য হলেও এর টেকসই ব্যবস্থাপনা জরুরি। কারণ ঋণের কিস্তি ও সুদের চাপ বাড়তে থাকলে তা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে, ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের এই ভারসাম্য রক্ষা এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    নির্মাণসামগ্রী শিল্পে স্থিতিশীলতার মূল শক্তি সুষ্ঠু নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনা

    এপ্রিল 30, 2026
    অর্থনীতি

    অর্থবছরে ১০৫ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড গড়ল আদানি

    এপ্রিল 30, 2026
    অর্থনীতি

    শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক-কর প্রত্যাহার

    এপ্রিল 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.