Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঋণ জালিয়াতি ও অর্থপাচারে সম্পৃক্তরা এই সুবিধার যোগ্য হবে না
    অর্থনীতি

    ঋণ জালিয়াতি ও অর্থপাচারে সম্পৃক্তরা এই সুবিধার যোগ্য হবে না

    নিউজ ডেস্কমে 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা আবার চালু করতে কম সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনের উদ্যোগ প্রায় চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালার খসড়া অনুযায়ী, এই তহবিল থেকে ব্যাংকগুলো বাজারভিত্তিক সুদে ঋণ বিতরণ করবে। এর বিপরীতে সরকার প্রথম বছরে ৫ শতাংশ হারে সুদ ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো উদ্যোগে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

    তবে কঠোর শর্তও থাকছে। ঋণ জালিয়াতি বা অর্থ পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবে না। সরকারের সুদ ভর্তুকি বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি পাওয়ার পরই তহবিলের কাঠামো আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে বন্ধ কারখানার একটি প্রাথমিক তালিকা সংগ্রহ করেছে। খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, কেবলমাত্র নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোই এই অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদনকারীর কারখানায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ আছে কি না, যন্ত্রপাতির অবস্থা কেমন এবং পূর্বে কোনো ঋণ স্থানান্তর বা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে কি না—এসব বিষয় কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।

    যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাংকার–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ দেওয়া হবে। এই অর্থায়ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারবে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে। পাশাপাশি এলসি খোলাসহ অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধাও এই নীতিমালার অংশ হিসেবে যুক্ত থাকবে।

    এই উদ্যোগটি এসেছে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যকে সামনে রেখে বন্ধ শিল্প চালুর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নীতিমালা প্রণয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদের নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে। ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও ব্যাংকারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, বড় আকারের অর্থপাচার ও ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে তদন্তও চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১০টি ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে চারটি সংস্থার সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত দল কাজ করছে। তদন্তাধীন বা মামলা চলমান থাকা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই তহবিলের সুবিধা পাবে না।

    তদন্তের আওতায় রয়েছে এস আলম গ্রুপ, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের পরিবারের আরামিট, বেক্সিমকো, নাসা, সিকদার, নাবিল, বসুন্ধরা, সামিট, ওরিয়ন ও জেমকন গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এসব গ্রুপের পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার জন্য পৃথক লিড ব্যাংকও নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো বিদেশি আইনি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গোপনীয় চুক্তি (এনডিএ) করেছে, যার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছে।

    নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ঋণ নিয়মিত থাকা বাধ্যতামূলক। তবে কারখানা পুনরায় চালুর সুবিধার্থে ডাউনপেমেন্টের শর্ত শিথিল করা হতে পারে। একবার উৎপাদন শুরু হলে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমসহ অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধাও বাড়ানো হবে। তবে তহবিল ব্যবস্থাপনায় ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা দেওয়া হবে। কোনো ব্যাংক কাকে ঋণ দেবে বা দেবে না, তা তাদের নিজস্ব ঝুঁকি মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সাধারণভাবে এমন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনে নিরুৎসাহিত করে। সংস্থাটির ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী, নতুন তহবিল না গঠন করে বিদ্যমান তহবিল ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) ছোট করা হয়েছে এবং অন্যান্য তহবিলের আকারও কমানো বা মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন এই তহবিলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বড় করখেলাপিরা অদৃশ্য—ছোটদের ওপর নজরদারি

    মে 6, 2026
    অর্থনীতি

    রাজধানীর উন্নয়ন প্রকল্পে হতাশার চিত্র

    মে 6, 2026
    অর্থনীতি

    উড়ালসড়কের প্রতি কিলোমিটার নির্মাণ ব্যয় দাঁড়াবে ১১০৮ কোটি টাকা

    মে 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.