Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বড় করখেলাপিরা অদৃশ্য—ছোটদের ওপর নজরদারি
    অর্থনীতি

    বড় করখেলাপিরা অদৃশ্য—ছোটদের ওপর নজরদারি

    নিউজ ডেস্কমে 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি সময়ে প্রায় ৮৮ হাজার আয়কর রিটার্ন অডিট বা নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করেছে। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন মাঠপর্যায়ে ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। তবে এই প্রক্রিয়া নিয়ে করদাতাদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ও হয়রানির অভিযোগও সামনে আসছে।

    অডিটে পড়া এসব রিটার্নের বড় অংশই নিয়মিত ও তুলনামূলক কম আয়ের করদাতাদের। অনেক করদাতা অভিযোগ করছেন, নিয়মিত কর পরিশোধ করার পরও এখন তারা অডিটের আওতায় পড়েছেন। ফলে আয়-ব্যয়ের বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহ করে বারবার কর অফিসে যেতে হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন নথিপত্র চাওয়ায় তাদের সময় ও ভোগান্তি বাড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই বলছেন, “নিয়মিত কর দিয়েও এখন অডিটে পড়েছি”—এতে সাধারণ করদাতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    অন্যদিকে রাজস্ব খাতের চিত্রে বড় ধরনের বৈষম্যও দেখা যাচ্ছে। বড় মাপের সম্পদশালী করদাতাদের কাছে এনবিআরের বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ এখন এক লাখ কোটি টাকার বেশি। দীর্ঘ সময় পার হলেও এই বিপুল বকেয়া আদায়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে জানা গেছে। পাশাপাশি প্রায় ৩৩ হাজার রাজস্ব মামলা এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো না হওয়ায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের করদাতাদের ওপর চাপ বাড়ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    রাজস্ব খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, ছোট করদাতাদের ওপর অডিটের চাপ বাড়ানোর পরিবর্তে বড় করদাতাদের কাছ থেকে বকেয়া আদায়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, এতে রাজস্ব আদায়ে বাস্তব অগ্রগতি আসবে এবং কর ব্যবস্থার প্রতি আস্থাও বাড়বে।

    এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুল মজিদ বলেন, “১০০ জন অল্প আয়ের করদাতার কাছ থেকে যে রাজস্ব আসে, তার চেয়ে বেশি আসে বড় করদাতাদের একজনের কাছ থেকে। বকেয়া রাজস্বের প্রায় সবই সম্পদশালীদের কাছে পাওনা। বছরের পর বছর এসব বকেয়া পড়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরের ১১ মাস ইতোমধ্যে শেষের পথে। এ সময়ের মধ্যে বকেয়া এক লাখ কোটি টাকার সঙ্গে চলতি অর্থবছরের রাজস্ব ঘাটতি আরও প্রায় এক লাখ কোটি টাকা যোগ হয়েছে। তার মতে, বড় করদাতাদের কাছ থেকে কর আদায়ে জোর দিলে বকেয়া আদায় সম্ভব এবং রাজস্ব ঘাটতিও কমে আসবে।

    এনবিআরের এই সাবেক চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, অধিকাংশ ছোট করদাতা চাকরিজীবী এবং তারা নিয়ম অনুযায়ী বেতন থেকে কর পরিশোধ করেন। অন্যদিকে বড় করদাতাদের একটি অংশ নানা কৌশলে কর ফাঁকি দেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাই অল্প আয়ের করদাতাদের অডিটে বেশি সময় না দিয়ে বড় করদাতাদের ওপর নজর বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই–মার্চ) শুল্ক ও কর আদায়ে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। এপ্রিলে এসে এই ঘাটতি আরও বেড়ে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি হয়েছে। একই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি দেখা গেছে আয়কর খাতে, যার পরিমাণ ৪০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এনবিআরের মোট রাজস্ব ঘাটতি ছিল ৯২ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। কিন্তু চলতি অর্থবছরের মাত্র ৯ মাসেই সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে গেছে, যা রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে।

    এনবিআরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বকেয়া রাজস্বের প্রায় ৯০ শতাংশই ধনী ব্যক্তি ও তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাওনা। এদের অনেকেই প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত। অভিযোগ রয়েছে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা বিভিন্ন অজুহাত বা কৌশলে কর পরিশোধ এড়িয়ে যাচ্ছেন।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব বকেয়ার মধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশ ক্ষেত্রে করদাতারা কোনো অর্থ না দিয়েই মামলা করেছেন। ফলে এসব রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়া বছরের পর বছর আটকে থাকছে। আবার প্রায় ৪০ থেকে ৪২ শতাংশ ক্ষেত্রে আংশিক পরিশোধ করে বাকি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। বাকি ৩ থেকে ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে করদাতারা সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    এনবিআরের সাবেক সদস্য আমিনুল করিম বলেন, বড় করদাতাদের কাছ থেকে বকেয়া ও নিয়মিত কর আদায়ে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। তার মতে, বড় করদাতারা নিয়মিত কর না দেওয়ায় বকেয়া ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কর কর্মকর্তারা আদায়ে গেলে অনেক সময় প্রভাবশালীদের চাপ ও হুমকির মুখেও পড়েন, এমনকি বদলির ঘটনাও ঘটে।

    তিনি আরও বলেন, নিয়মিত কর প্রদানকারী অল্প আয়ের করদাতাদের অডিটে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হলে তারা ভোগান্তিতে পড়েন এবং এতে কর প্রদানে আগ্রহ কমে যেতে পারে। তার মতে, বড় করদাতাদের বকেয়া রাজস্ব আদায়ে এনবিআরের নজর আরও বাড়ানো উচিত।

    এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩–২৪ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন থেকে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ১৫ হাজার ৪৯৪টি এবং পরবর্তী ধাপে ৭২ হাজার ৩৪১টি রিটার্ন মিলিয়ে মোট ৮৭ হাজার ৮৩৫টি করদাতার রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিটি কর সার্কেল থেকে সর্বোচ্চ ২০০ এবং সর্বনিম্ন ২০টি রিটার্ন অডিটে নেওয়া হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নির্বাচিত এসব ই-টিআইএন নম্বরের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইট (nbr.gov.bd)-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

    রিটার্ন না দিলে আইনি ব্যবস্থা:

    চলতি করবর্ষে যেসব করদাতা আয়কর রিটার্ন জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে শূন্য কর প্রদানকারী করদাতাদের রিটার্নও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কেন আয় শূন্য হয়েছে—সে বিষয়টিও এখন যাচাই করছে সংস্থাটি।

    এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, রিটার্ন জমা না দেওয়া কিংবা অডিটের জন্য নির্বাচিত করদাতাদের আলাদা তালিকা তৈরি করে ধাপে ধাপে নোটিশ পাঠানো শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে তাদের রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাড়া না পেলে তাদের এনবিআরে তলব করে কারণ জানতে চাওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে রিটার্ন দাখিল না করলে রাজস্ব আইনে জরিমানা আরোপের পাশাপাশি কর ফাঁকির অভিযোগে মামলা করার ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

    অন্যদিকে অডিটে নির্বাচিত অনেক রিটার্ন ইতোমধ্যে তদন্তের মুখে পড়েছে। কর কর্মকর্তারা এসব রিটার্নের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এবং অতিরিক্ত নথিপত্র ও প্রমাণ চাইছেন। কিছু ক্ষেত্রে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নগুলো আরও গভীর তদন্তের জন্য আয়কর গোয়েন্দা শাখা বা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)-তে পাঠানো হচ্ছে। অডিট প্রক্রিয়ায় পড়া করদাতাদের মধ্যে উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।

    ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন (ছদ্মনাম) বলেন, “৩০ বছর ধরে ব্যবসা করছি। কোনো বছরই আয়কর ও ভ্যাট রিটার্ন বাদ দিইনি। নিয়ম অনুযায়ী করও পরিশোধ করেছি এবং সনদ পেয়েছি। তারপরও আমার ইটিআইএন নম্বর অডিট তালিকায় এসেছে। এতে অনেকেই আমাকে করখেলাপি মনে করছেন। বিষয়টি নিয়ে এখন আইনজীবী নিয়োগ দিতে হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, কর কর্মকর্তারা নথিপত্র যাচাই করলেও আরও অতিরিক্ত তথ্য চাচ্ছেন। এতে সময় ও ব্যয় দুটোই বাড়ছে, যা তার ব্যবসার কাজকেও ব্যাহত করছে।

    অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা নূরজাহান বেগম জানান, তিনি নিয়মিত বেতন থেকে কর পরিশোধ করেন এবং প্রতিবার রিটার্ন জমা দিয়ে সনদও পান। এরপরও অডিটে তার নাম আসায় তিনি বিব্রত হয়েছেন। তিনি বলেন, “রিটার্নে সব তথ্য দেওয়ার পরও আমার সঞ্চয় ও সম্পদ নিয়ে অতিরিক্ত প্রশ্ন করা হচ্ছে।”

    এনবিআরের এই পদক্ষেপের পাশাপাশি অডিট প্রক্রিয়া ঘিরে করদাতাদের একাংশের মধ্যে বাড়তি চাপ ও হয়রানির অভিযোগও সামনে আসছে, যা রাজস্ব প্রশাসনের কার্যক্রমকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনেছে। রিটার্ন জমা না দেওয়া করদাতাদের শনাক্ত করে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠান শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, রিটার্ন দাখিল না করা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে তাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, নোটিশ পাওয়ার পরও কেউ রিটার্ন জমা না দিলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি তদন্তে নামবেন। তখন সংশ্লিষ্ট করদাতার আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব যাচাই করা হবে।

    এনবিআরের এই অবস্থান অনুযায়ী, কর ফাঁকি বা রিটার্ন না দেওয়ার বিষয়টি এখন আরও কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। এতে ধাপে ধাপে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতও রয়েছে। এদিকে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ভ্যাট অডিটের ক্ষেত্রে এবার ৬০০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে। বড় করদাতাদের জন্য যৌথ অডিট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যেখানে ভ্যাট ও আয়কর কর্মকর্তারা একসঙ্গে কাজ করবেন।

    তবে ছোট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমন সমন্বিত অডিটের সুযোগ রাখা হয়নি বলে সূত্রটি জানিয়েছে। এতে বড় ও ছোট করদাতাদের অডিট প্রক্রিয়ায় পার্থক্য স্পষ্ট হচ্ছে। সব মিলিয়ে রিটার্ন না দেওয়া করদাতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও নোটিশের মাধ্যমে এনবিআরের চাপ আরও বাড়তে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে চায় বাংলাদেশ: অর্থ উপদেষ্টা

    মে 6, 2026
    অর্থনীতি

    বিনিয়োগ সম্প্রসারণে পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা

    মে 6, 2026
    অর্থনীতি

    নয় মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২০ বিলিয়ন ডলার

    মে 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.