Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মে 9, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শ্রমবাজারে অদৃশ্য বিপর্যয়—দক্ষতা সংকট
    অর্থনীতি

    শ্রমবাজারে অদৃশ্য বিপর্যয়—দক্ষতা সংকট

    নিউজ ডেস্কUpdated:মে 7, 2026মে 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বৈশ্বিক শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হলেও সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারছে না বাংলাদেশের বড় একটি অংশের কর্মশক্তি। ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সবুজ অর্থনীতির বিস্তারে কাজের ধরন বদলে গেলেও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ ও সক্ষমতার মধ্যে বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। এর ফলে কর্মমুখী শিক্ষার সীমাবদ্ধতা এখন সরাসরি দক্ষতা সংকটে রূপ নিচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) তাদের ‘আজীবন শিক্ষা ও ভবিষ্যতের দক্ষতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে বলেছে, দেশের প্রায় ৪৮ শতাংশ কর্মক্ষম মানুষের নতুন কারিগরি দক্ষতা অর্জনের জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। তরুণদের ক্ষেত্রে এই চাহিদা আরও বেশি। শ্রমবাজারে টিকে থাকতে এখন শুধু কারিগরি দক্ষতাই যথেষ্ট নয়, ডিজিটাল সক্ষমতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতার গুরুত্বও দ্রুত বাড়ছে। তবে দেশে এসব দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সবার জন্য সমানভাবে সহজলভ্য নয়। গত মঙ্গলবার সংস্থাটির সদর দপ্তর থেকে বৈশ্বিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ গত এক বছরে কোনো কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতেও বড় বৈষম্য দেখা যায়। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষিতদের মধ্যে মাত্র এক-চতুর্থাংশ কোনো ধরনের শেখার কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন। আর মাধ্যমিকের নিচে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই অংশগ্রহণ নেমে এসেছে মাত্র ৩ দশমিক ৭ শতাংশে।

    দক্ষতা উন্নয়নে এই পিছিয়ে থাকার পেছনে কয়েকটি কাঠামোগত বাধা তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশিক্ষণের উচ্চ ব্যয়, সময়ের সংকট, তথ্যের অভাব এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ অবকাঠামোর ঘাটতি। এসব কারণে বিপুলসংখ্যক কর্মী দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে শ্রমবাজারে দক্ষতার চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ সেই গতিতে বাড়ছে না।

    তবে কিছু ইতিবাচক চিত্রও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। শিক্ষানবিশ বা ইন্টার্নশিপভিত্তিক কর্মমুখী শিক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশই এতে উপকৃত হয়েছেন। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, এ ধরনের বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা তাদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করেছে। এতে বোঝা যায়, কর্মমুখী শিক্ষার বিস্তার ঘটালে দ্রুত ফল পাওয়া সম্ভব।

    আইএলওর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হোংবো মনে করেন, আজীবন শিক্ষা বর্তমান কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। তাঁর মতে, এটি উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং একটি স্থিতিশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।

    বাস্তবতায় দেখা যায়, দেশে এখনো অধিকাংশ মানুষ কাজের অভিজ্ঞতা বা সহকর্মীদের কাছ থেকেই দক্ষতা অর্জন করছেন। এতে দক্ষতার মান সীমিত থেকে যাচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে তা যথেষ্ট হচ্ছে না। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ থেকে বেশি বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে আনুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরা তুলনামূলকভাবে বেশি সুযোগ পাচ্ছেন। এই বৈষম্য আয় ও কর্মসংস্থানের ব্যবধান আরও বাড়াচ্ছে।

    প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, কর্মমুখী শিক্ষার ঘাটতি দূর না হলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে। তবে সঠিক নীতি ও বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এজন্য জীবনব্যাপী শিক্ষাকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়া, প্রশিক্ষণে আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ও নমনীয় শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে।

    এ ছাড়া শ্রমবাজারভিত্তিক তথ্যব্যবস্থা উন্নয়ন, কর্মক্ষেত্রভিত্তিক শিক্ষা এবং শিক্ষানবিশ কার্যক্রম সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আইএলও মনে করছে, সরকার, বেসরকারি খাত ও শ্রমিক সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগে অন্তর্ভুক্তিমূলক আজীবন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠলে দক্ষতা উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হবে।

    যদিও দেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং ডিজিটাল প্রশিক্ষণের উদ্যোগ কিছুটা বাড়ছে, তবু টেকসই অগ্রগতির জন্য অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্তি, নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী প্রশিক্ষণব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখন সময়ের প্রধান দাবি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বিশ্ব ন্যায্য বাণিজ্য দিবস আজ

    মে 9, 2026
    অর্থনীতি

    এপ্রিল মাসে অর্থনীতির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি: পিএমআই

    মে 9, 2026
    অর্থনীতি

    সাধারণের কাঁধে করের ভারী বোঝা

    মে 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.