Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, মে 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঢাকা-ময়মনসিংহে ১৮ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণে ২৮৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
    অর্থনীতি

    ঢাকা-ময়মনসিংহে ১৮ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণে ২৮৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

    নিউজ ডেস্কUpdated:মে 8, 2026মে 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে ১৮টি নতুন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য মোট ২৮৬ কোটি ২ লাখ টাকার তিনটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বাপবিবো) চলমান “বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (ঢাকা-ময়মনসিংহ বিভাগ)” প্রকল্পের অধীনে এই কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। ২০২২ সালের ১৪ জুন একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত।

    অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ডব্লিউ-৩ প্যাকেজের লট-৩ এর আওতায় ৮টি নতুন ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে নকশা প্রণয়ন, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ, চালুকরণ এবং ভূমি উন্নয়ন কাজ। এ কাজের জন্য ১১৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকার কার্যাদেশ পাচ্ছে কনসোর্টিয়াম অব ইইএল অ্যান্ড এফএইচএল, বাংলাদেশ।

    এই দরপত্রে সাতটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কারিগরি ও আর্থিকভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। অনুমোদিত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলনের তুলনায় প্রায় ৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম।

    এ ছাড়া ডব্লিউ-৩ প্যাকেজের লট-৪ এর আওতায় আরও ৬টি নতুন ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণে ৯০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এই কাজ বাস্তবায়ন করবে ঢাকার রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।

    এই দরপত্রে অংশ নেওয়া ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান কারিগরি ও আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। অনুমোদিত দর প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম।

    অন্যদিকে ডব্লিউ-২ প্যাকেজের লট-৩ এর আওতায় আরও ৪টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণে ৭৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কাজও বাস্তবায়ন করবে রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।

    সাতটি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে হওয়া ওই দরপত্রে ছয়টি প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। অনুমোদিত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলনের তুলনায় প্রায় ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। প্রকল্পটির অর্থায়ন হচ্ছে সরকারি তহবিল, বিশ্বব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে।

    দুই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ কমে বছরে সাশ্রয় ২০১ কোটি টাকা
    সরকারি মালিকানাধীন নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের (নওপাজেকো) দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। এতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) বছরে প্রায় ২০১ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল ইউনিট-২ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ কমানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে নির্মিত কেন্দ্রটি ২০১৮ সালে উৎপাদনে আসে। ২২ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় এটি বাবিউবোর কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুতের ট্যারিফ প্রতি ইউনিটে ৫ দশমিক ৬০৪ টাকা থেকে কমিয়ে ৫ দশমিক ৫৪১ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এইচএসডিভিত্তিক ট্যারিফ ২৩ দশমিক ৭৬১ টাকা থেকে কমিয়ে ২৩ দশমিক ৬৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৩১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে।

    চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে গ্যাসভিত্তিক পরিচালনায় আনুমানিক ১৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা এবং এইচএসডিভিত্তিক পরিচালনায় প্রায় ৫৬ হাজার ৬২ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

    এদিকে জাপান সরকারের অর্থায়নে নির্মিত ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রেও ট্যারিফ কমানো হয়েছে। ২০১৭ সালে উৎপাদনে যাওয়া এই কেন্দ্রটিও ২২ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গ্যাসভিত্তিক ট্যারিফ প্রতি ইউনিটে ৪ দশমিক ৭২৩২ টাকা থেকে কমিয়ে ৪ দশমিক ৬৫০৩ টাকা এবং এইচএসডিভিত্তিক ট্যারিফ ২০ দশমিক ৮১৫৯ টাকা থেকে কমিয়ে ২০ দশমিক ৬৯৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর ফলে গ্যাসভিত্তিক পরিচালনায় বছরে প্রায় ৭২ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং এইচএসডিভিত্তিক পরিচালনায় প্রায় ৯৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদে ভেড়ামারা কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে গ্যাসভিত্তিক পরিচালনায় আনুমানিক ২০ হাজার ২৫৩ কোটি টাকা এবং এইচএসডিভিত্তিক পরিচালনায় প্রায় ৭৩ হাজার ২১৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    অর্থনীতির তিন খাতে প্রবৃদ্ধি, নির্মাণে অবনতি

    মে 8, 2026
    অর্থনীতি

    এডিপিতে ‘থোক’ টাকার মহাউৎসব!

    মে 8, 2026
    অর্থনীতি

    ২৩ দিন পর আবার চালু ইস্টার্ন রিফাইনারি

    মে 8, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.