Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মে 9, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মার্কিন চুক্তি: আমরা ট্রাম্পের আদেশপত্র মানতে বাধ্য নই
    অর্থনীতি

    মার্কিন চুক্তি: আমরা ট্রাম্পের আদেশপত্র মানতে বাধ্য নই

    নিউজ ডেস্কমে 9, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    আনু মুহাম্মদ
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট বিটুইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা অ্যান্ড দ্য পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড’ শীর্ষক ৩২ পৃষ্ঠার একটি দলিলকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির একটি খসড়া বা চুক্তিপত্র।

    বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বিশ্ব অর্থনীতির স্বাভাবিক অংশ। সাধারণত এসব চুক্তি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার  নীতিমালা, বাজার অর্থনীতির নিয়ম এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। কিন্তু আলোচ্য দলিলটি নিয়ে সমালোচকদের মতে, এতে সেই প্রচলিত ভারসাম্য ও পারস্পরিকতার চিত্র স্পষ্ট নয়।

    দলিলটির কাঠামো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রথম আর্টিকেল থেকেই বাংলাদেশের শুল্কনীতি, আমদানি ব্যবস্থা, বাণিজ্যনীতি এবং বিনিয়োগ–সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তে নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে কোন ধরনের নীতি গ্রহণ করতে হবে এবং কীভাবে তা বাস্তবায়ন করতে হবে—সে বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় অংশ তুলনামূলকভাবে সীমিত বলে সমালোচনায় উল্লেখ করা হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রেই চাপ প্রয়োগ বা শর্তারোপের মতো মনে হয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের একাংশের।

    চুক্তির পক্ষে থাকা পক্ষের যুক্তি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। তাদের দাবি, এতে বাংলাদেশের রপ্তানি সুবিধা তৈরি হবে। তবে সমালোচকদের মতে, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতিতে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে নিজ দেশেই আইনি ও নীতিগত প্রশ্ন উঠেছে এবং বিভিন্ন আদালতে এ বিষয়ে বিতর্ক হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মৌলিক ধারণা অনুযায়ী, দেশগুলো সাধারণত প্রয়োজন, উৎপাদন সক্ষমতা এবং তুলনামূলক সুবিধার ভিত্তিতে আমদানি–রপ্তানি করে। কিন্তু সমালোচকদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চুক্তিতে সেই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, দুগ্ধ ও ক্ষুদ্র উৎপাদন খাতে প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাছ, মাংস, দুধ, গম, তুলা, সয়াসহ বিভিন্ন পণ্য শুল্ক ছাড় বা প্রায় শূন্য শুল্কে আমদানির বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এসব খাত বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ছোট ও পারিবারিক উদ্যোগনির্ভর, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকা জড়িত।

    এ ছাড়া কিছু শর্তে আমদানি করা পণ্যের মান যাচাইয়ের সুযোগ সীমিত হওয়ার কথাও আলোচনায় এসেছে। জেনেটিক্যালি মডিফায়েড খাদ্য বা ধর্মীয় মানদণ্ড সংক্রান্ত বিষয়েও নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতার উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিনিয়োগ, খনিজ সম্পদ এবং মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানিগুলোর জন্য অগ্রাধিকারমূলক সুযোগের কথা চুক্তিতে রয়েছে বলে সমালোচনায় বলা হচ্ছে।

    অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, গম, বোয়িং বিমানসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত ও আলোচনা চলমান থাকার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপের সঙ্গে চুক্তির সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

    চুক্তির ফলে রাজস্ব আয় কমে যাওয়ার সম্ভাবনা, নতুন করের চাপ বৃদ্ধি এবং দেশীয় উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও বিশ্লেষকদের একাংশ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্য দেশের সঙ্গে স্বাধীনভাবে বাণিজ্য চুক্তি করার সক্ষমতা সীমিত হতে পারে বলেও উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

    তবে এসব দাবি ও ব্যাখ্যার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা সাধারণত মনে করিয়ে দেন, যে কোনো চুক্তির পূর্ণ প্রভাব নির্ভর করে এর বাস্তবায়ন কাঠামো, শর্তাবলি এবং দুই পক্ষের আলোচনার ভারসাম্যের ওপর।

    এদিকে চুক্তিটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রশ্ন উঠেছে। কিছু পর্যবেক্ষক মনে করছেন, এটি জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে কি না—তা আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র এই বাণিজ্যচুক্তি এখন অর্থনৈতিক সুযোগ নাকি নীতিগত ঝুঁকি—এই প্রশ্ন ঘিরেই চলছে আলোচনা ও বিতর্ক।

    আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বৈশ্বিক সংকটে অর্থনীতিকে পরনির্ভরতা থেকে মুক্ত রাখতে হবে

    মে 9, 2026
    মতামত

    গণমাধ্যম কীভাবে গ্রিনস দলের ইহুদি নেতার বিরুদ্ধে ইহুদি-বিদ্বেষকে ব্যবহার করেছিল

    মে 9, 2026
    অর্থনীতি

    ভূমি উন্নয়ন কর আদায় প্রক্রিয়ায় মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিমালা

    মে 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.