Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পৈতৃক সম্পত্তিতেও আসছে করের ছায়া
    অর্থনীতি

    পৈতৃক সম্পত্তিতেও আসছে করের ছায়া

    নিউজ ডেস্কমে 13, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাগেরহাট জেলার সদর থানার কররী মৌজায় এক শতাংশ কৃষিজমির সরকারি মৌজা দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ১৫৪ টাকা। তবে বাস্তবে একই এলাকার জমি বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকায়।

    এই থানার বাসিন্দা হাবিব শেখ পৈতৃকসূত্রে ছয় শতাধিক শতাংশ কৃষিজমির মালিক। এতদিন তিনি শুধু নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করতেন কিন্তু আগামী অর্থবছরে সম্পদ-কর আরোপ হলে তাকে মৌজা দরের ভিত্তিতে কর হিসাব করে পরিশোধ করতে হতে পারে।

    হাবিব শেখ বলেন, কৃষিকাজ করে অল্প আয় হয়। প্রয়োজনে জমি বিক্রি করতে হলেও মৌজা দরের চেয়ে কম দামেই বিক্রি করতে হবে। এখন যদি নতুন করে সম্পদ-কর দিতে হয়, তাহলে তিনি বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়বেন।

    অন্যদিকে রাজধানীর বনানীতে উত্তরাধিকার সূত্রে দুই হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট পেয়েছেন শামিমা সুলতানা। অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে তিনি সেখানে বসবাস করছেন। তার আয়ের একমাত্র উৎস ব্যাংক আমানতের মুনাফা।

    শামিমা সুলতানা জানান, গণমাধ্যমে তিনি জেনেছেন আগামী অর্থবছরের বাজেটে সম্পদ-কর নামে নতুন একটি কর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বাজার দরের ভিত্তিতে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ায় তাকে বড় অঙ্কের কর দিতে হতে পারে, যা তার জন্য বহন করা কঠিন হবে। তার অন্য কোনো আয় নেই বলেও তিনি জানান। শুধু হাবিব বা শামিমা নন, দেশের বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট ও প্লট মালিকদের মধ্যেও একই ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আগামী বাজেটে আবাসন খাতে সম্পদ-কর আরোপের চিন্তা করছে সরকার। তবে কোন এলাকায় মৌজা দরে এবং কোন এলাকায় বাজার দরে এই কর নির্ধারণ করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    অর্থনৈতিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, সম্পদ-কর আরোপে একাধিক জটিলতা রয়েছে। সঠিক প্রস্তুতি ছাড়া এই কর কার্যকর করা হলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ার বদলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়তে পারে। অন্যদিকে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক বছর ধরে এই খাতে মন্দা চলছে। এমন অবস্থায় নতুন কর চালু হলে ফ্ল্যাট ও প্লটের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

    তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে ইতিমধ্যে নির্মাণসামগ্রীর ব্যয় বেড়েছে। রড, সিমেন্ট, রংসহ প্রায় সব ধরনের কাঁচামালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আবাসন খাতের সঙ্গে দুই শতাধিক শিল্প খাতও নির্ভরশীল। ব্যবসায়ীরা আগামী বাজেটে এসব খাতের আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে কর ছাড় দেওয়ার দাবি তুললেও তা এখনো বিবেচনায় আসেনি বলে জানা গেছে।

    এদিকে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ সহজ শর্তে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে সরকার এখনো নেতিবাচক অবস্থান বজায় রেখেছে। আবাসন খাতে প্রস্তাবিত সম্পদ-কর নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

    সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি ও আরমা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক উদাহরণ দিয়ে বলেন, সাধারণ কৃষিজমির বিক্রয়মূল্যের তুলনায় মৌজা দর অনেক বেশি। আবার শহরের প্লট ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে মৌজা দর বাজার দরের চেয়ে কয়েকগুণ কম। এমন পরিস্থিতিতে সরকার কীভাবে বাস্তবসম্মত বাজার দর নির্ধারণ করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সম্পদ-কর মৌজা দরের ভিত্তিতে হবে নাকি বাজার দরের ভিত্তিতে হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এতে করে সম্পত্তির মালিক ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষের মধ্যে দামের পার্থক্য নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হতে পারে। এক পর্যায়ে দর নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দরকষাকষির সুযোগ তৈরি হলে কিছু অসাধু কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    আব্দুর রাজ্জাকের মতে, শুধু প্লট বা জমির মালিক হলেই অতিরিক্ত করের চাপ পড়লে সম্পত্তির বিক্রয়মূল্য বেড়ে যেতে পারে। এর নেতিবাচক প্রভাব আবাসন খাতের পাশাপাশি পুরো অর্থনীতিতেও পড়বে। অন্যদিকে রিহ্যাবের প্রথম সহসভাপতি আকতার বিশ্বাস বলেন, কয়েক বছর ধরে আবাসন খাতে মন্দাভাব চলছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে কর আরোপ করা হলে খাতটিতে আরও বড় ধস নামতে পারে। এরই মধ্যে আবাসন ব্যবসায়ীরা অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আবেদন জানিয়েছেন। তারা প্রস্তাবিত সম্পদ-কর আরোপ থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

    প্রস্তাবিত সম্পদ-কর বাস্তবায়ন হলে দেশে নতুন ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তারা। এনবিআরের সাবেক সদস্য আমিনুল করিম বলেন, ১৯৯৯ সালের দিকে দেশে সম্পদ-কর চালু থাকলেও নানা জটিলতার কারণে পরে তা বাতিল করে সারচার্জ ব্যবস্থা চালু করা হয়। বর্তমান বাস্তবতায় আবার এই কর চালু হলে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসতে পারে। তিনি জানান, গ্রামে কৃষিজমির ক্ষেত্রে মৌজা দর অনেক সময় বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি থাকে। আবার শহরের ক্ষেত্রে বাজার দর মৌজা দরের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে কোন ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা হবে, তা নিয়ে বড় ধরনের অস্পষ্টতা তৈরি হবে।

    আমিনুল করিম আরও বলেন, সম্পদ-কর চালু হলে খাজনা ও হোল্ডিং করের পাশাপাশি অতিরিক্ত কর দিতে হবে। উন্নত দেশে প্রতি বছর সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণের জন্য পৃথক ভ্যালুয়েশন ইউনিট কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশে অনুমাননির্ভরভাবে কোথাও মৌজা দর, আবার কোথাও বাজার দর ধরে কর আদায় করা হলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে।

    এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুল মজিদ বলেন, সম্পদ-কর চালু হলে গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা, চট্টগ্রামের খুলশী ও আগ্রাবাদের মতো অভিজাত এলাকার উচ্চমূল্যের সম্পদের ওপর কর আদায় বাড়বে। তবে সমস্যা হবে তাদের জন্য, যারা উত্তরাধিকার বা উপহার হিসেবে মূল্যবান সম্পত্তি পেয়েছেন কিন্তু হাতে নগদ অর্থ নেই। সম্পদ থাকলেই সবসময় আয় হয় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অন্যদিকে এনবিআরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্পদ-কর চালু হলে ২০৩৫ অর্থবছরের মধ্যে মোট রাজস্ব আয় ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১ শতাংশের সমান।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে ফ্ল্যাট ও প্লট লেনদেনে একাধিক কর ও ফি প্রযোজ্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১.৫ শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি, ১ শতাংশ নিবন্ধন ফি, ২ শতাংশ পৌরসভা বা ভূমি উন্নয়ন কর, ১ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর এবং বিক্রেতার ওপর মূলধনী মুনাফা কর।

    এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি মৌজা মূল্য ও বাস্তব বাজারমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। এছাড়া উপহার, উত্তরাধিকার বা ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পদের ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনো কর নেই। নতুন কাঠামোয় সম্পদ-কর চালু হলে বিদ্যমান সারচার্জ ব্যবস্থা বাতিল করা হবে। করদাতার মোট করের ওপর ভিত্তি করে সারচার্জ আরোপ হতো, যা পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি সম্পদের ওপর কর বসানো হবে।

    প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী, ৪ থেকে ১০ কোটি টাকার সম্পদে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ কোটি টাকায় ১ শতাংশ, ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকায় ১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি সম্পদে ২ শতাংশ হারে সম্পদ-কর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারচার্জ আদায় হয়েছে ২৯৬ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরগুলোতে যথাক্রমে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬৯৫ কোটি ৯৩ লাখ, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬২৬ কোটি ৩৫ লাখ এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৯৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে সারচার্জ আদায় এক হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, সারচার্জ খাতে রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক নয়। অনেক ক্ষেত্রে আইনি জটিলতার কারণে প্রত্যাশিত কর আদায় সম্ভব হচ্ছে না। সম্পদ-কর চালু হলে রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তার মতে, এক অর্থবছরে এই খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি আদায় সম্ভব হতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার নয় প্রকল্প অনুমোদন

    মে 13, 2026
    আন্তর্জাতিক

    উপসাগরীয় বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক স্বার্থে ট্রাম্পের যুদ্ধ থামাতে চীনের কৌশল

    মে 13, 2026
    অর্থনীতি

    বেকারত্ব: উন্নয়নের গল্পে কেন নেই চাকরির নিশ্চয়তা?

    মে 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.