বাংলাদেশকে আরও বিনিয়োগবান্ধব দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) বিডার উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় রয়্যালটি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সহায়তা ফি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি প্রত্যাবাসন বিষয়কে কেন্দ্র করে।
বিডার সভাকক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর মো. শাহারুল হুদা। এতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা সেবা গ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে মতামত ও পরামর্শ দেন।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিডার উপপরিচালক ইফতে আরা ফেরদৌসী ও ফাইজুর রাব্বি। তারা বিনিয়োগসেবার বর্তমান অগ্রগতি ও প্রক্রিয়াগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। বিডার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে বিনিয়োগসেবা সম্পূর্ণভাবে অনলাইনের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। এতে সেবা প্রদানের সময় ১ দশমিক ৫ থেকে ২ মাস থেকে কমে মাত্র ৭ কর্মদিবসে নেমে এসেছে।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরও সহজ করতে রয়্যালটি ও বিভিন্ন ফি প্রত্যাবাসন বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, কীভাবে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে সবাই যেন মূল্যবান মতামত দেন।
অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর মো. শাহারুল হুদা বলেন, কর্মশালায় পাওয়া সুপারিশগুলো গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

