Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » আবাসনসহ ২০ খাতে ফিরতে পারে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ
    অর্থনীতি

    আবাসনসহ ২০ খাতে ফিরতে পারে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ

    নিউজ ডেস্কমে 17, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আগামী জাতীয় বাজেটে আবারও অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বৈধভাবে বিনিয়োগের সুযোগ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে সরকার। বিশেষ করে আবাসনসহ প্রায় ২০টিরও বেশি খাতে এই সুবিধা চালুর আলোচনা চলছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগকারীরা অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের ঝুঁকি ছাড়াই নির্দিষ্ট খাতে টাকা বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। সরকারের ধারণা, এতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে এবং বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়বে।

    বিষয়টি নিয়ে অবগত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ আবারও আসতে পারে। তবে এটি কোন কাঠামোয় হবে এবং করহার কত হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এ ধরনের সুযোগ চালু ছিল। পরে অর্থনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের সমালোচনার মুখে অন্তর্বর্তী সরকার সেই সুবিধা বাতিল করে। সমালোচকদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ অনৈতিক এবং বৈষম্য তৈরি করে।

    এদিকে আবাসনের পাশাপাশি ওষুধ, অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই), কৃষি, কৃষি যন্ত্রপাতি এবং উৎপাদন খাতসহ ২০টির বেশি খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য কর অবকাশ বা ‘ট্যাক্স হলিডে’ সুবিধা ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। আগের বাজেটে এসব প্রণোদনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। বাজেট-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থনীতিতে গতি ফেরানো, উৎপাদন বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এই লক্ষ্যেই নতুন করে কর ছাড় ও বিনিয়োগবান্ধব প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

    দায়মুক্তি ধারা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক:

    অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বৈধভাবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস নিয়ে কোনো সংস্থা প্রশ্ন করতে না পারার যে বিধান আগে চালু ছিল, তা আবারও ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক কর্মকর্তা। তাঁর মতে, এই ধরনের ‘দায়মুক্তি’ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করা কঠিন। তিনি বলেন, যদি কোনো সংস্থাকে অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ রাখা হয়, তাহলে কেউই এ ধরনের বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে না।

    অপর এক কর্মকর্তা জানান, পূর্ণ দায়মুক্তি বা ইনডেমনিটি দিয়েই এ সুবিধা চালুর চিন্তা করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, কর কমালেও ভবিষ্যৎ তদন্তের ঝুঁকি থাকলে বিনিয়োগে আগ্রহ কমে যাবে।

    সাম্প্রতিক বাজেট আলোচনায় আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ ফেরানোর দাবি তুলেছেন। তবে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান একাধিক আলোচনায় এ ধরনের সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহের কথা জানিয়েছেন। কর্মকর্তারা বলছেন, এই সুবিধা আবার চালু হলে করহার কত হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি এনবিআরের পর্যালোচনায় রয়েছে। তবে এ উদ্যোগ ঘিরে ইতিমধ্যে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের সুবিধা সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অঙ্গীকার থাকা একটি সরকারের জন্য এমন সুযোগ পুনর্বহাল করা ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই অবস্থান থেকে কালো টাকা সাদা করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা দুর্নীতিকে উৎসাহ দেয় এবং বৈষম্য তৈরি করে। এটি সংবিধানবিরোধী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, এমন সিদ্ধান্ত নিলে জনগণের কাছে সরকার কী জবাব দেবে।

    কালো টাকা সাদা করার পটভূমি:

    বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে ২০২০-২১ অর্থবছরে আওয়ামী লীগ সরকার ১০ শতাংশ কর এবং পূর্ণ দায়মুক্তি দিয়ে এই সুযোগ ব্যাপকভাবে চালু করে। সে সময় সাধারণ করদাতারা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ কর দিলেও অপ্রদর্শিত অর্থের ক্ষেত্রে হার ছিল ১০ শতাংশ।

    ওই অর্থবছরে রেকর্ড সংখ্যক ১১ হাজার ৮৩৯ জন ব্যক্তি প্রায় ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বৈধ করেন। এর বিপরীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রায় ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব পায়। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা ব্যাংক ও নগদ অর্থ আকারে বৈধ করা হয় ৭ হাজার ৫৫ জনের মাধ্যমে। বাকি অর্থ জমি, ফ্ল্যাট ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হয়। পরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৫ শতাংশ কর হারে এই সুবিধা আবার চালু করা হয়। তবে পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা, বিশেষ করে দায়মুক্তির বিধান প্রত্যাহার করে নেয়।

    বর্তমানে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ থাকলেও সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ কর এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ জরিমানা দিতে হয়। একই সঙ্গে অর্থের উৎস নিয়ে কর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রশ্ন করতে পারে। তবে দায়মুক্তি থাকলে কর কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনসহ কোনো সংস্থা অর্থের উৎস সম্পর্কে তদন্ত বা প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না।

    সরকার আগামী বাজেটে নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে একাধিক খাতে কর অবকাশ বা কর ছাড়ের সুবিধা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এর আগে প্রায় ৩২টি খাত এ সুবিধার আওতায় থাকলেও গত বছর তা বাতিল করা হয়।

    কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত তালিকায় রয়েছে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) ও রেডিও ফার্মাসিউটিক্যালস, কৃষি যন্ত্রপাতি, অটোমোবাইল, ব্যারিয়ার কন্ট্রাসেপটিভ ও রাবার ল্যাটেক্স উৎপাদন খাত। এছাড়া ইলেকট্রনিক্সের মৌলিক উপাদান যেমন রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ট্রানজিস্টর, ইনটিগ্রেটেড সার্কিট এবং মাল্টিলেয়ার পিসিবি উৎপাদন খাতেও নতুন বিনিয়োগে কর সুবিধা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

    এই তালিকায় আরও থাকতে পারে বাইসাইকেল ও এর খুচরা যন্ত্রাংশ, জৈব সার, জৈব প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিপণ্য, বয়লার, কম্প্রেসর ও যন্ত্রাংশ, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, কীটনাশক ও বালাইনাশক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পেট্রোকেমিক্যাল খাত। এছাড়া ফার্মাসিউটিক্যালস, প্লাস্টিক রিসাইক্লিং, টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি, খেলনা উৎপাদন, টায়ার উৎপাদন, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার এবং অটোমোবাইল পার্টস উৎপাদন খাতও এই সুবিধার আওতায় আসতে পারে।

    প্রযুক্তিনির্ভর নতুন খাত হিসেবে অটোমেশন ও রোবোটিক্স ডিজাইন ও উৎপাদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম এবং ন্যানোটেকনোলজি নির্ভর পণ্য উৎপাদনও কর ছাড়ের তালিকায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই সুবিধা কত বছর বা কোন হারে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

    এর আগে এসব খাত কর অবকাশ সুবিধার আওতায় থাকলে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রথম দুই বছর আয়ের ওপর ৯০ শতাংশ কর ছাড় পেত। অর্থাৎ মোট করের মাত্র ১০ শতাংশ পরিশোধ করতে হতো। তৃতীয় ও চতুর্থ বছরে ৭৫ শতাংশ, পঞ্চম থেকে সপ্তম বছরে ৫০ শতাংশ এবং অষ্টম থেকে দশম বছরে ২৫ শতাংশ কর ছাড় দেওয়া হতো।

    বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই)-এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, অর্থনীতিতে গতি আনতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। তাঁর মতে, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে অবদান রাখে এমন খাতকে কর সুবিধা দিলে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে তিনি মনে করেন, যেকোনো কর সুবিধা দীর্ঘমেয়াদি এবং পূর্বানুমানযোগ্য হওয়া উচিত, যাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় থাকে।

    আয়কর বিশেষজ্ঞ ও এসএমএসি অ্যাডভাইজরি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্নেহাশিষ বড়ুয়া বলেন, যেসব খাত অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে, সেগুলোকে তাদের কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়া বেশি যৌক্তিক।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক অর্থনীতিবিদ বলেন, গত বছর হঠাৎ করে এই সুবিধা বাতিল এবং এখন আবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সংকট তৈরি করতে পারে। তাঁর মতে, খাতভিত্তিক সুবিধা বা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত গভীর গবেষণার ভিত্তিতে, যা দেশে অনেক ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    করপোরেট ক্ষমতার বলি হচ্ছেন সিইওরা

    জুন 27, 2026
    অর্থনীতি

    ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য

    জুন 27, 2026
    অর্থনীতি

    রাজস্ব ব্যবস্থায় ১২ বড় সংস্কার, কর প্রশাসনে আসছে প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তন

    জুন 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.