Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, মে 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ১ ট্রিলিয়ন স্বপ্নের নতুন রোডম্যাপ—এত বড় লক্ষ্য কি সত্যিই অর্জনযোগ্য?
    অর্থনীতি

    ১ ট্রিলিয়ন স্বপ্নের নতুন রোডম্যাপ—এত বড় লক্ষ্য কি সত্যিই অর্জনযোগ্য?

    নিউজ ডেস্কমে 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর অবস্থা থেকে শক্তিশালী ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে নেওয়ার লক্ষ্যে প্রচলিত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারা থেকে সরে এসে নতুন একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো গ্রহণ করেছে বিএনপি সরকার।

    এই উন্নয়ন রূপরেখায় দুইটি বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। যা বর্তমান অর্থনীতির প্রায় দ্বিগুণ আকারের সমান।

    সরকারিভাবে এ পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: জুলাই ২০২৬-জুন ২০৩১’। এতে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরের ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে তা ৮ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণী সংস্থা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের বৈঠকে আজ এই কৌশল চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    নতুন কাঠামোয় রাষ্ট্রনির্ভর ওপর-থেকে-নিচ প্রবৃদ্ধি কৌশল থেকে সরে এসে বেসরকারি খাতনির্ভর, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এবং তুলনামূলক বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের অনুপাতে বিনিয়োগ ৩১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। একই সময়ে রাজস্ব আদায় ৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১১ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কাঠামো অনুযায়ী উন্নয়ন ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাবে। অন্যদিকে ঋণ ও মোট দেশজ উৎপাদনের অনুপাত ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশে স্থিতিশীল থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক বিনিয়োগও মোট দেশজ উৎপাদনের ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কাঠামোতে ২০২৮ সালের মধ্যে ১০০টি নতুন গ্যাসকূপ খননের মাধ্যমে দৈনিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    একই পরিকল্পনায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়িয়ে দৈনিক ১ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের উপযোগী করার উদ্যোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচির মাধ্যমে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন কোনো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন না করার বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    কাঠামোর উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হলো পরিকল্পনাগুলো কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধির মতো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে, কারণ এসব ফলাফল অনেক ক্ষেত্রে বহিরাগত পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ উল্লেখ করেন, তাই লক্ষ্য নির্ধারণের চেয়ে নীতির বাস্তবায়নকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যেগুলো সরাসরি দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ এ উন্নয়ন নির্দেশিকার সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করে গতকাল জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় উপস্থাপন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন কৌশলগত উন্নয়ন কাঠামোতে দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য তিন স্তরের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি সময়ভিত্তিক রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম বছরে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। পরবর্তী দুই বছর থাকবে পুনরুজ্জীবনের পর্যায়ে। শেষ দুই বছর ধরা হয়েছে পুনর্গঠনের সময়কাল হিসেবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কার, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে অগ্রগতি মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

    রূপরেখায় রপ্তানি খাতকে বৈচিত্র্যময় করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ওষুধ, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এমএসএমই) বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশীয় মূল্য সংযোজন বাড়ে। এ ছাড়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর সম্ভাব্য বাণিজ্যিক সুবিধা হারানোর প্রভাব মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

    শুল্ক ব্যবস্থার যৌক্তিকীকরণ, রপ্তানি খাতে পক্ষপাত দূরীকরণ এবং প্রণোদনা কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে একটি সমন্বিত বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগ নীতি প্রস্তাব করা হয়েছে। চামড়া, জাহাজ নির্মাণ ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ ১০টি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনের সঙ্গে যুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশকেও এই কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে রাখা হয়েছে। ডিজিটাল ও সৃজনশীল শিল্পে ২ লাখ তরুণকে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬৪টি জেলায় সৃজনশীল কেন্দ্র গড়ে তুলে বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    ‘ক্রিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার পাশাপাশি নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন ও ডিজনির মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে ১০০টি স্থানীয় চলচ্চিত্র ও অনুষ্ঠান প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ৫০টি দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও এই উদ্যোগে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ক্রীড়া খাতেও বড় ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পেশাদার খেলাধুলা ও প্রথম বিভাগের লিগগুলোর উন্নয়নে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় অলিম্পিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি, ৬৪ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ এবং দেশজুড়ে এক হাজারের বেশি খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া কর্মসংস্থান বাড়াতে তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান, ভাষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ যুক্ত করে মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে কওমি সনদের স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও পরিকল্পনায় উল্লেখ রয়েছে।

    দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে নতুন কৌশলগত কাঠামোতে কৃষি ও কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কৃষিপণ্যের ফসল কাটার পরবর্তী ক্ষতি কমাতে কোল্ড চেইন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ১ কোটি ৭০ লাখ শিশুর জন্য স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ক্যাটারিং ও পণ্য সরবরাহ-সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এমএসএমই) গ্রামীণ নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কৌশলগত কাঠামোতে দেশের জনমিতিক লভ্যাংশ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সীমিত সময়কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০৩৩ সালের মধ্যে এই ৫১ বছরের জনমিতিক সুবিধার সময় শেষ হয়ে যাবে। এর আগে ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো জরুরি।

    দলিলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জনসংখ্যায় প্রবীণদের হার বাড়ার আগে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সময়কালকে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে প্রায় ১৮ কোটি ৭৬ লাখে। এতে আবাসন, কর্মসংস্থান ও জনসেবার ওপর চাপ বাড়বে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    এছাড়া কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনর্জিত শ্রম আয়ের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, জনমিতিক লভ্যাংশ পুরোপুরি কাজে না লাগায় অনর্জিত শ্রম আয়ের পরিমাণ ৪২ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬ সালে যা ছিল ২ দশমিক ৪১ লাখ কোটি টাকা, ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৪২ লাখ কোটি টাকায়।

    কর্মসংস্থান ঘাটতি মোকাবিলায় তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপটও তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৩০ শতাংশে উন্নীত হলে কর্মসংস্থান ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়তে পারে। দ্বিতীয়ত, বার্ষিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ হলে কর্মসংস্থান বাড়তে পারে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। তৃতীয়ত, সামাজিক খাতে ব্যয় জিডিপির ৬ শতাংশে উন্নীত করলে শ্রম আয়ের ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ আসতে পারে।

    শিক্ষা খাতে জাতীয় শিক্ষক যোগ্যতা কাঠামো প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শ্রমবাজারের সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় বাড়াতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, কৌশলগত নথির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হলে এটিকে সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাজ, নীতি সিদ্ধান্ত এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রণীত কৌশলের প্রতিফলন থাকা জরুরি। তা না হলে এ ধরনের নথি কার্যকারিতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে। তিনি আরও বলেন, এই “জীবন্ত নথি” কার্যকর রাখতে সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, গবেষকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়মিত আলোচনায় যুক্ত করতে হবে। অন্যথায় এটি বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শুধু কাগুজে নীতিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে তিনি সতর্ক করেন।

    এদিকে ১৪ মে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, অতীতের উন্নয়ন কাঠামোগুলো অনেক সময় কার্যকর বাস্তবায়নের বদলে কাগুজে নথিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। তিনি বলেন, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব, অতিরিক্ত ব্যয় ও দুর্বল পরিকল্পনার কারণে অনেক অকার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা অর্থনীতিকে সংকটে ফেলেছে।

    নতুন কাঠামোর আওতায় তিনি চারটি সংস্কারের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—জনগণের অগ্রাধিকার ও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্প নির্বাচন, শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা, স্বাধীন মূল্যায়নের জন্য তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পনা প্রক্রিয়াকে আরও জনমুখী ও জবাবদিহিতামূলক করা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন-ক্যাবল ঘিরে ইরানের নতুন কৌশল কী?

    মে 18, 2026
    অর্থনীতি

    স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না: সিইসি

    মে 18, 2026
    অর্থনীতি

    রাজস্ব আদায় না বাড়লে বাণিজ্য চুক্তি অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র করবে

    মে 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.