Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, জুন 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঘাটতি, ঋণ ও করের চাপে জর্জরিত নতুন বাজেট পরিকল্পনা
    অর্থনীতি

    ঘাটতি, ঋণ ও করের চাপে জর্জরিত নতুন বাজেট পরিকল্পনা

    নিউজ ডেস্কমে 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য বড় আকারের বাজেট তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার দাঁড়াতে পারে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। তবে এই বড় বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে অর্থ জোগান, ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপ, রাজস্ব ঘাটতি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। চলতি অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাজেট প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে।

    সম্প্রতি বাজেটকে কেন্দ্র করে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে সরকারের সম্ভাব্য আয়, ব্যয়, কর কাঠামো, রাজস্ব আদায় পরিস্থিতি, ঘাটতি বাজেট, মূল্যস্ফীতি, নবম বেতন কাঠামো, বিনিয়োগ, উন্নয়ন প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা এবং দেশি-বিদেশি ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    প্রাপ্ত তথ্যমতে, আগামী অর্থবছরে সরকারের সম্ভাব্য আয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান থেকে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকার মতো। এই ঘাটতি পূরণে দেশি ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করতে হবে সরকারকে।

    এছাড়া আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যও ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩ লাখ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বেশি এবং সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা বেশি। অন্যদিকে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ১৭ হাজার কোটি টাকা এবং সংশোধিত হিসাবের তুলনায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা বেশি।

    অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক আলোচনায় বলেন, দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক দুর্বলতা ও অস্থিরতা কাটিয়ে অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের প্রতিফলন থাকবে আগামী বাজেটে। তবে তিনি স্বীকার করেন, বড় বাজেট প্রয়োজন হলেও অর্থ সংকট বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, “হিসাব মিলিয়ে চলা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”

    ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, সরকারের পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সামনে বেতন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে অর্থের চাহিদা আরও বাড়বে। তার মতে, বাজেট বড় না হলে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়তে পারে, যা অর্থনীতিকে আরও ঝুঁকিতে ফেলবে। তাই বর্তমান বাস্তবতায় বড় বাজেটের বিকল্প নেই।

    অন্যদিকে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাজেট এমন হওয়া দরকার যা অর্থনীতির চাপ সামলানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সহায়ক হয়। তার মতে, উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় বাড়লে বাজেটও বাড়াতে হবে, তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা বড় বিষয়।

    তিনি আরও বলেন, শুধু বাজেট ঘোষণা নয়, ব্যয়ের দক্ষতা, প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং রাজস্ব আহরণের বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ জরুরি। পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ ও ব্যাংক খাতের দুর্বলতার মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো দরকার। একই সঙ্গে অপচয় ও দুর্নীতি কমানো এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

    বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে বাড়ছে চাপ:

    দেশের বাজেটে এখন অন্যতম বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ। উন্নয়ন প্রকল্পে নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল শোধ করতে গিয়ে সরকারের ব্যয় দ্রুত বাড়ছে, যা অর্থনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধে সরকারকে প্রায় ৩৫২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। এর মধ্যে আসল বাবদ ২২৭ কোটি ৬৪ লাখ ডলার এবং সুদ বাবদ প্রায় ১২৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, এই ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর শেষে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এটি হলে এক বছরে ঋণ পরিশোধে এটি হবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, আগামী বাজেটে শুধু সুদ পরিশোধেই ব্যয় হতে পারে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ শুরু হওয়া এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে ডলারের উচ্চমূল্য—এই দুই কারণে আগামী বছরগুলোতে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে তারা মনে করছেন।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি, রেল, সেতু ও যোগাযোগ খাতে নেওয়া বড় প্রকল্পগুলোর গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় এখন নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়া, চীন ও ভারতের কাছ থেকে নেওয়া তুলনামূলক কঠিন শর্তের ঋণগুলো এখন অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। গত ৯ মাসে শুধু রাশিয়াকেই প্রায় ৮৩ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। একই সময়ে বিশ্বব্যাংককে সাড়ে ৭৬ কোটি ডলার এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংককে ৬১ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পুরোনো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে সরকারকে আবার নতুন ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ব্যাংক খাত এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ আরও বাড়ছে।

    করের চাপ বাড়ার ইঙ্গিত:

    আগামী বাজেটে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্য সামনে রেখে কর কাঠামোয় কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য করমুক্ত আয়সীমা কিছুটা বাড়ানোর আলোচনা থাকলেও নতুন কিছু খাতে কর আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে করের চাপ বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় ঋণপত্রের কমিশনের ওপর উৎস কর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এটি কার্যকর হলে ধান, চাল, আটা, গম, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, আলু, পেঁয়াজ ও রসুনসহ প্রায় ২৮ ধরনের কৃষিপণ্যের দামে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজধানীর রামপুরা বাজারে বেসরকারি চাকরিজীবী সুজন হাওলাদার বলেন, ‘এমনিতেই বাজার সামলানো কঠিন। এর মধ্যে নতুন কর বাড়লে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে।’

    বাংলাদেশে কর-জিডিপি অনুপাত দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় কম। এ কারণে সরকার রাজস্ব আয় বাড়াতে করের আওতা সম্প্রসারণের দিকে ঝুঁকছে। তবে তাদের মতে, শুধু নিয়মিত করদাতাদের ওপর চাপ বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

    রেকর্ড উন্নয়ন বাজেট:

    আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সরকারের দাবি, উন্নয়ন ব্যয় না বাড়ালে প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোবে না। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রতি বছর বড় বাজেট ঘোষণা হলেও বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি, ব্যয় বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতার ঘাটতি দীর্ঘদিনের সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে।

    মূল্যস্ফীতি ও ভর্তুকির চাপ:

    বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৮ শতাংশের বেশি। আগামী বাজেটে এটি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য থাকতে পারে। তবে ডলারের উচ্চমূল্য, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বাজারে অস্থিরতার কারণে সাধারণ মানুষের স্বস্তি এখনো ফেরেনি। চাল, ডাল, তেল, মাছ ও মাংসসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দামই এখন উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

    অন্যদিকে বিদ্যুৎ, এলএনজি, সার, ওএমএস এবং ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে আগামী অর্থবছরে ভর্তুকি ব্যয় প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এতে সরকারকে একদিকে ভর্তুকি নিয়ন্ত্রণ, অন্যদিকে বাজার স্থিতিশীল রাখা—দুই দিকেই চাপ সামলাতে হবে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী সরকারকে রাজস্ব বৃদ্ধি, ভর্তুকি যৌক্তিককরণ, বাজারভিত্তিক বিনিময় হার এবং ব্যাংক খাত সংস্কারের মতো একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে।

    বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে গত তিন বছরে দেশে প্রায় ১৪ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। একই সময়ে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৮ দশমিক ২ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকায় উন্নয়ন ব্যয় ও ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বেড়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    জুনের প্রথম ১০ দিনেই দেশে এলো ১২০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

    জুন 12, 2026
    অর্থনীতি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব

    জুন 12, 2026
    অর্থনীতি

    আপনার দেওয়া ১০০ টাকার কর কোথায় খরচ করবে সরকার?

    জুন 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.