Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সন্ধ্যার সময়সীমায় রেস্তোরাঁ খাতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা
    অর্থনীতি

    সন্ধ্যার সময়সীমায় রেস্তোরাঁ খাতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

    নিউজ ডেস্কজুন 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ঈদের পর আবারও শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে জারি করা এ নির্দেশনায় আগের মতোই সময়সীমা পুনর্বহাল করা হয়েছে। তবে রেস্তোরাঁ খাতের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না থাকায় তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ।

    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নির্দেশনায় রেস্তোরাঁর অবস্থান পরিষ্কার না থাকায় মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির শঙ্কাও দেখছেন তারা।

    রেস্তোরাঁ মালিকরা বলছেন, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিপণিবিতান ও দোকান বন্ধ হয়ে গেলে মানুষের চলাচল কমে যাবে। ফলে রেস্তোরাঁয় ক্রেতা প্রবাহও কমে আসবে। এতে তাদের বিক্রি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা আরও বলেন, রেস্তোরাঁ খাতের মূল ব্যবসার সময়ই সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয়। তাই অন্তত রাত ১০টা বা ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।

    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগের নির্দেশনায় রেস্তোরাঁ বন্ধের কথা স্পষ্টভাবে বলা না হলেও মাঠপর্যায়ে নানা ধরনের চাপের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। অনেক ক্ষেত্রে রেস্তোরাঁর সাইনবোর্ড ও বাইরে থাকা আলোকসজ্জা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ভেতরের আলো জ্বালিয়ে রাখলেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকির কথাও জানিয়েছেন অনেকে। এতে রেস্তোরাঁ খোলা আছে কি না, তা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এদিকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এ সিদ্ধান্তে ব্যবসার ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ঈদের পর থেকেই বিক্রি কমে যাওয়ার কথা জানাচ্ছেন তারা।

    বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ হলে রেস্তোরাঁ খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। ঈদের পর থেকেই বিক্রি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমে গেছে। এর মধ্যে সময় আরও কমে গেলে অনেক ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তার টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

    তিনি আরও বলেন, রেস্তোরাঁর প্রধান সময়ই হলো বিকেলের পর থেকে রাত পর্যন্ত। তাই অন্তত দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা চালানোর সুযোগ দিলে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলবে। রেস্তোরাঁ খাতের এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, নির্দেশনায় রেস্তোরাঁ নিয়ে স্পষ্টতা না থাকায় বিভ্রান্তি বাড়ছে। এতে মাঠপর্যায়ে হয়রানি ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    ব্যবসায়ীদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। রাজস্ব আদায় স্বাভাবিক রাখতে হলে ব্যবসা পরিচালনার সময়সীমাও বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

    বেইলি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নির্বাহী পরিচালক কামরুল হাসান চৌধুরী বলেন, শপিংমল বন্ধ হয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের উপস্থিতি কমে যায়। এতে রেস্তোরাঁ ব্যবসা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিক্রির ওপর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ প্রভাব আগেই পড়েছে, নতুন সিদ্ধান্তে তা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যার পরই রেস্তোরাঁর মূল বেচাকেনা শুরু হয়। সেই সময়ই সীমিত হয়ে গেলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হবে।

    অন্যদিকে বাড্ডার একটি রেস্তোরাঁর মালিক মো. ফিরোজ আলম সুমন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি রেস্তোরাঁ খাতের জন্য বড় ধাক্কা। এলপিজি ও ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির কারণে খরচ অনেক বেড়েছে। এর মধ্যে সময় কমে গেলে অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে পারবে না। তিনি জানান, মার্কেট ও দোকান বন্ধ হয়ে গেলে শহরের রাতের পরিবেশ অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যায়। এতে মানুষের চলাচল কমে এবং রেস্তোরাঁর আয় সরাসরি কমে যায়।

    ফিরোজ আলম সুমন আরও বলেন, নির্দেশনায় রেস্তোরাঁ বন্ধের কথা না থাকলেও বাস্তবে নানা চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। কোথাও সাইনবোর্ড বা আলো বন্ধ রাখার জন্য বলা হচ্ছে, কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

    সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি বিলবোর্ডের বাতি, মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও একই সময়ের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে আগে যে সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল, সেই বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগের নিয়মই আবার কার্যকর হয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ৭৫ শতাংশ ব্যাংক ঋণ যাচ্ছে বড় কোম্পানিতে, বঞ্চিত ছোট উদ্যোক্তারা

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে কেন?

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    ভ্যাট ফাঁকি রোধে এনবিআরের নজরে ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান

    জুলাই 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.