আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের প্রথম বাজেট এবং অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বাজেটও এটি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের বাজেটের আকার ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
এতো বড় বাজেটের প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে দেশের প্রথম বাজেটের কথা। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ দেশের প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন। সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। একই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাজেটের পরিসর শুধু বড়ই হয়নি, বেড়েছে অর্থনৈতিক কাঠামোর জটিলতাও। স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব পালন করেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং এম সাইফুর রহমান। তারা উভয়েই সর্বোচ্চ ১২ বার করে জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
আসন্ন বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে বাজেটে ঘাটতি থাকতে পারে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
অর্থনৈতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হতে পারে সাড়ে ৭ শতাংশ।

