দেশের সম্পদের সীমাবদ্ধতা ও দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর মতে, তৃতীয় বছর থেকে অর্থনীতি ধীরে ধীরে অগ্রগতির পথে ফিরতে শুরু করবে এবং চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে গিয়ে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াবে।
বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সেখানে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময়ের একটি শাসনব্যবস্থার পর জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। আকাঙ্ক্ষাও আকাশছোঁয়া। বাজেটে সবার প্রত্যাশাকে যতটা সম্ভব প্রতিফলনের চেষ্টা করা হয়েছে। বিনিয়োগ সহজ করা এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। তাঁরা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে বাজেট দিয়েছে। মূল্যস্ফীতি কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বহিঃখাতের ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও অভ্যন্তরীণভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে গুরুত্ব বাড়ানোর মূল লক্ষ্য মানুষের স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। বাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানকে সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং নীতি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান খোঁজা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা লুটপাটের সুযোগ রাখা হবে না। প্রতিটি ব্যয়ে ভবিষ্যৎ লাভ, প্রয়োজনীয়তা, কর্মসংস্থান এবং পরিবেশগত দিক বিবেচনায় নেওয়া হবে। জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় নতুন বেতন কাঠামো না থাকায় এখন সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়েছে। তাঁর মতে, বেতন বাড়ানো হলে দুর্নীতি কমতে পারে। কর ছাড় এবং রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে ঋণনির্ভরতা থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বরং বাজার ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানো, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, মধ্যস্বত্বভোগীর খরচ কমানো এবং উৎপাদন বাড়ানোই মূল সমাধান।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক খাতে লুটপাট ও অর্থপাচারের কারণে মূলধনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এতে তহবিলের খরচ বেড়ে গেছে, যার প্রভাব সরাসরি মূল্যস্ফীতিতে পড়ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেও দেশের বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে। বহির্বিশ্বের এসব চাপের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত হলেও অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমানোই এখন মূল লক্ষ্য।
ব্যাংক ঋণ গ্রহণ হ্রাসের পরিকল্পনা:
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ ধীরে ধীরে কমিয়ে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ বাড়াতে চায়। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার কারণে বেসরকারি খাত প্রয়োজন অনুযায়ী ঋণ সুবিধা পায়নি।
নতুন বাজেটে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ধারা অব্যাহত থাকলে ব্যাংকের অর্থ আরও বেশি উৎপাদনশীল বেসরকারি বিনিয়োগে ব্যবহার হবে। এতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অর্থ সচিব জানান, বিকল্প অর্থায়নের উৎস হিসেবে সুকুক, গ্রিন বন্ডসহ বাজারভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কারণ:
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মূল ভিত্তি হলো দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা। পরিবর্তিত বৈশ্বিক শ্রমবাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরকার শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে ব্যয়কে শুধু খরচ হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এটি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তি জ্ঞান, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারের লক্ষ্য হলো তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে গড়ে তোলা নয়, বরং তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সক্ষম করা। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাজেটে বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। দক্ষ শ্রমিকরা দেশের পাশাপাশি বিদেশের শ্রমবাজারেও সহজে কাজের সুযোগ পাবেন। এ জন্য বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে।
সময়মতো লাইসেন্স না দিলে কঠোর জবাবদিহি:
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সহজে ব্যবসা করার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত নিচের দিকে। তাঁর মতে, এর অর্থ হলো দেশে ব্যবসার খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। তিনি বলেন, একটি অনুমতি বা কোম্পানি নিবন্ধন পেতে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগে। একাধিক দপ্তরে ঘুরতে হয়, এতে সময় নষ্ট হয় এবং অতিরিক্ত খরচও হয়। এই প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নিচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ব্যবসা ও সেবা প্রদানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে সরকার নির্ধারিত সাত দিনের মধ্যে লাইসেন্স ও সেবা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই সময়সীমা অতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং তাদের দায় নির্ধারণ করা হবে।
এ জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং অভিযোগ জানানোর জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেখানে উদ্যোক্তারা সরাসরি সমস্যা জানাতে পারবেন। সরকার দ্রুত সেবা নিশ্চিত করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিয়ে কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। তিনি আশ্বস্ত করেন, গ্রাহকরা চাইলে যেকোনো সময় তাদের আমানত উত্তোলন করতে পারবেন।
ইসলামী ব্যাংকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে অবৈধ হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তাঁর দাবি, ব্যাংকটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং প্রচলিত সব নিয়ম দ্রুত কার্যকর করা হবে। গভর্নর বলেন, সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে বড় ধরনের অনিয়মের প্রভাব পড়েছে। তিনি দাবি করেন, ব্যাংক খাতের এক-তৃতীয়াংশ অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে খাতে স্থিতিশীলতা আনতে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। ধীরে ধীরে জমে থাকা সমস্যার সমাধান করা হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যারা দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ পাননি, তারা আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তা পেতে শুরু করবেন। অর্থপাচার ও চুরি হওয়া অর্থ ফেরত আনা প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, প্রায় পাঁচ লাখ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে খাত থেকে বের হয়ে গেছে। এই অর্থ ফেরত আনা অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া এবং বৈশ্বিকভাবে সফলতার হারও খুব কম। তবে সরকার বসে নেই, বিভিন্ন দেশে অর্থ ‘ফ্রিজ’ করার উদ্যোগ চলছে এবং একাধিক সংস্থা এ নিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, কিছু অর্থ ইতোমধ্যে কর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিরেও এসেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, সামাজিক মাধ্যমে অনেক গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে ব্যাংক একীভূতকরণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে নতুন করে চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কোনো ঋণ, নিয়োগ, বদলি বা পদোন্নতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হয়নি। বরং নিয়ম মেনেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। গভর্নর জানান, পূর্ববর্তী সময়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের পর্ষদের একজন পরিচালককে অভিযোগের ভিত্তিতে সরানো হয় এবং পরবর্তীতে চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন আসে। এসব পরিবর্তনের পর থেকেই কিছু মহল অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গভর্নর কি ঋণখেলাপি ছিলেন?
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাফিজুর রহমান ঋণখেলাপি ছিলেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, গত চার মাস ধরে এ ধরনের কথা বারবার শোনা গেলেও তিনি আগে কোনো ব্যাখ্যা দেননি, কারণ নিয়ন্ত্রকের অবস্থান থেকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা তিনি প্রয়োজন মনে করেননি।
তিনি আরও বলেন, “খেলাপি” শব্দটি বারবার ব্যবহার করে একটি ভুল ধারণাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেখানে কোনো সময়ই কারখানা বন্ধ হয়নি, রপ্তানি কার্যক্রম থেমে যায়নি এবং শ্রমিকদের বেতনও এক মাসের জন্যও বকেয়া হয়নি। ব্যাংকের কাছ থেকেও কখনো ঋণ মওকুফের আবেদন করা হয়নি।
গভর্নর জানান, তিনি একটি কারখানার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এফএসএসপিডি প্রকল্পের আওতায় ঋণ নেওয়া হয়েছিল। ওই ঋণের সুদের হার ছিল ৪ শতাংশ। পরে দেড়শ কোটি টাকা বিনিয়োগের পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, তহবিল শেষ হয়ে গেছে এবং নতুন করে ৯ থেকে ১১ শতাংশ সুদহার প্রযোজ্য হবে। তিনি বলেন, এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে স্বাভাবিকভাবে ঋণ পরিশোধে কিছুটা দেরি হয়েছিল। তবে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পরিশোধ করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
কালো টাকা সাদার সুযোগ দেওয়া হয়নি: এনবিআর চেয়ারম্যান
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। তিনি বলেন, অনেক সময় ফ্ল্যাট বা জমি প্রকৃত দামের চেয়ে কম দামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়, যা পরবর্তীতে কর জটিলতা তৈরি করে। এ সমস্যা সমাধানে স্বেচ্ছায় প্রকৃত মূল্য ঘোষণা করলে নিয়মিত করের সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর দিয়ে বিষয়টি বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে জমি ও সম্পত্তির ‘মৌজার রেট’ অনেক ক্ষেত্রে বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় কম থাকে। এর ফলে কর ব্যবস্থায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তিনি জানান, এই সমস্যা সমাধানে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং মৌজার রেট পুনর্মূল্যায়নের কাজ চলছে। মন্ত্রী আরও বলেন, স্বল্প সময়ে বাজেট প্রণয়ন করতে হওয়ায় সব সংস্কার একসঙ্গে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, তবে ধাপে ধাপে পরিবর্তন আনা হবে।

