Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, জুন 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জনসমর্থনের পরও সংস্কার ব্যর্থ হয় কেন?
    অর্থনীতি

    জনসমর্থনের পরও সংস্কার ব্যর্থ হয় কেন?

    নিউজ ডেস্কজুন 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    জাহিদ হোসেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে সংস্কার নিয়ে আলোচনা নতুন কিছু নয়। ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, কর প্রশাসনকে আধুনিক ও কার্যকর করা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও দক্ষ করার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চারিত হচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো এসব সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বারবার বলে আসছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ শুরু হলেও তা থেমে যায়, বিলম্বিত হয় কিংবা মাঝপথে এসে ভেস্তে যায়। প্রশ্ন উঠছে—এ অবস্থার পেছনে কারণ কী?

    অনেক বিশ্লেষক দীর্ঘদিন ধরে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবকে কেন্দ্র করে। তবে সাম্প্রতিক বাস্তবতা সেই ব্যাখ্যাকে পুরোপুরি সমর্থন করে না। অন্তর্বর্তী সরকার অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুলসংখ্যক অধ্যাদেশ জারি করে দেখিয়েছে, শুধু ইচ্ছার ঘাটতিই মূল সমস্যা নয়; বরং সমস্যার গভীরতা আরও বেশি।

    ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ, কর প্রশাসন পুনর্গঠনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকায়নের ব্যর্থতা এবং জুলাই সনদ ঘিরে সংঘাত—এসব ঘটনা একক কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। এগুলো একটি অভিন্ন বাস্তবতার দিকেই ইঙ্গিত করে।

    প্রথমে কিছু প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার হাতিয়ারে পরিণত হয়। এরপর সেই সুবিধাভোগী গোষ্ঠী সংস্কারের উদ্যোগের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শেষ ধাপে রাজনৈতিক, আইনি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক নানা যুক্তি দিয়ে বিদ্যমান ব্যবস্থাকেই আবার বৈধতা দেওয়া হয়। ফলে দেখা যায়, সংস্কারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা সবসময় রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব নয়। বরং ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, স্বার্থের সংঘাত এবং প্রতিষ্ঠিত ধারণার টানাপোড়েনই অনেক ক্ষেত্রে সংস্কারকে থামিয়ে দেয়।

    যখন প্রতিষ্ঠান স্বার্থের হাতিয়ারে পরিণত হয়:

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের দিকে তাকালে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত দেড় দশকে ব্যাংকিং ব্যবস্থা শুধু একটি আর্থিক খাত হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক আনুগত্যকে পুরস্কৃত করার একটি কাঠামোয় পরিণত হয়েছে।

    ক্ষমতার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগুলো সহজ শর্তে ঋণ পেয়েছে, বারবার ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ পেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ না করেও দায়মুক্তি মিলেছে। একই সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা ক্রমাগত দুর্বল হয়েছে। এখানে সমস্যাটি শুধু দুর্নীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মূল সমস্যা হলো এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ তৈরি হওয়া, যেখানে লুটপাটই ধীরে ধীরে সবচেয়ে লাভজনক আচরণে পরিণত হয়েছিল।

    এই ব্যবস্থায় প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতার জন্য ঋণ নিয়ে ফেরত না দেওয়াও এক ধরনের যুক্তিসংগত আচরণে পরিণত হয়। একইভাবে ব্যাংকারদের জন্য রাজনৈতিক নির্দেশনা অনুসরণ করা অনেক সময় নিয়ম মেনে চলার চেয়েও বেশি নিরাপদ সিদ্ধান্ত হয়ে দাঁড়ায়।

    এর ফলে একটি শক্তিশালী সুবিধাভোগী গোষ্ঠী গড়ে ওঠে, যাদের স্বার্থ পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে পড়ে। তখন সংস্কার আর শুধু নীতিগত বিষয় থাকে না; এটি রূপ নেয় ক্ষমতার প্রশ্নে। এ অবস্থায় দুর্নীতি আর ব্যতিক্রম হিসেবে থাকে না। বরং সেটিই ধীরে ধীরে ব্যবস্থার স্বাভাবিক আচরণে পরিণত হয়।

    রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধশক্তি:

    এনবিআর সংস্কারকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাত এই বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। করনীতি প্রণয়ন ও কর আদায়কে পৃথক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনা করা বিশ্বের অধিকাংশ আধুনিক দেশের জন্য স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাঠামো। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে এ ধরনের সংস্কারের পরামর্শ দিয়ে আসছে। অন্তর্বর্তী সরকার যখন শেষ পর্যন্ত সেই সংস্কার উদ্যোগ নেয়, তখন অনেকের ধারণা ছিল এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস। কিন্তু বাস্তবতা দ্রুতই ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

    সংস্কারের ঘোষণা আসার পরপরই এনবিআরের একটি অংশ থেকে তীব্র প্রতিরোধ শুরু হয়। কর্মবিরতি, প্রতিবাদ এবং বন্দরের কার্যক্রমে বিঘ্নের মতো ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে সরকার কার্যত পিছু হটতে বাধ্য হয়।

    এই ঘটনা রাষ্ট্রের ভেতরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে আসে। রাষ্ট্র যেমন নাগরিকের ওপর শক্তিশালী অবস্থান নিতে পারে, তেমনি নিজের ভেতরে গড়ে ওঠা সংগঠিত স্বার্থগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে।

    সরকার আইন প্রণয়ন করতে পারে, অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানের ভেতরে যদি শক্তিশালী স্বার্থভিত্তিক গোষ্ঠী তৈরি হয়, তাহলে তাদের সম্মতি ছাড়া পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে যায়। এনবিআর ঘটনার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে যে সংস্কার কেবল প্রশাসনিক বিষয় নয়; এটি মূলত রাজনৈতিক প্রশ্ন। আর সেই রাজনীতির কেন্দ্রে থাকে ক্ষমতার বণ্টন ও নিয়ন্ত্রণের লড়াই।

    সংস্কারবিরোধী বৃহৎ জোট:

    এনবিআরের ঘটনা দেখিয়েছে, কীভাবে রাষ্ট্রের ভেতরের একটি গোষ্ঠী সংগঠিত হয়ে সংস্কার প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিতে পারে। একই ধরনের বাস্তবতা আরও বিস্তৃতভাবে প্রকাশ পেয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে, যেখানে একাধিক গোষ্ঠীর স্বার্থ এক বিন্দুতে মিলিত হলে প্রতিরোধ আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার। দীর্ঘদিনের অদক্ষতা ও উচ্চ ব্যয় কমাতে অন্তর্বর্তী সরকার এর কার্যক্রম আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ছিল একটি যৌক্তিক সংস্কার।

    কিন্তু খুব দ্রুতই বিষয়টি অর্থনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়। শ্রমিক সংগঠনগুলো আশঙ্কা করে, তাদের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ কমে যেতে পারে। কিছু আমলা কর্তৃত্ব হারানোর ভয় পান। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলোও পরিবর্তনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। এর পাশাপাশি জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং বিদেশি প্রভাবের প্রশ্ন যুক্ত হওয়ায় সংস্কারবিরোধী অবস্থান আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী রূপ নেয়।

    ফলে একটি বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে—যে ব্যবস্থা যতই অদক্ষ হোক না কেন, যদি তা একাধিক গোষ্ঠীর জন্য লাভজনক হয়, তবে তার পক্ষে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে ওঠে। চট্টগ্রাম বন্দরের অভিজ্ঞতা দেখায়, সংস্কারের বাধা সবসময় প্রযুক্তিগত নয়; অনেক সময় তা সরাসরি রাজনৈতিক।

    পরিবর্তনের পক্ষে শক্তি কোথায়:

    জুলাই সনদের অভিজ্ঞতা এই একই সমস্যাকে জাতীয় পরিসরে নিয়ে আসে। অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী রূপরেখা উপস্থাপন করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। এর একটি বড় কারণ ছিল, সংস্কারের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত ও সক্রিয় শক্তি থাকলেও এর বিপরীতে শক্তিশালী কোনো রাজনৈতিক জোট গড়ে ওঠেনি।

    সংস্কার প্রক্রিয়া সাধারণত জয়ী ও পরাজিত পক্ষ তৈরি করে। যারা ক্ষমতা, প্রভাব বা বিশেষ সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে থাকে, তারা দ্রুত সংগঠিত হয়। কিন্তু যারা দীর্ঘমেয়াদে একটি কার্যকর রাষ্ট্র ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের সুফল পেতে পারে, তারা অনেক সময় বিচ্ছিন্ন ও অসংগঠিত থাকে। জুলাই সনদের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে।

    তবে আলোচনাটি এখানেই থেমে যায় না। এই সনদ ঘিরে অনুষ্ঠিত গণভোট দেখিয়েছে, জনসমর্থন সব সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নেয় না। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার সংস্কারের পক্ষে মত দিলেও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে গণভোটের সাংবিধানিক বৈধতা।

    অনেক সংবিধান বিশেষজ্ঞ যুক্তি দেন, বিদ্যমান সংবিধানে গণভোটের স্পষ্ট বিধান না থাকায় এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত জনমতের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রশ্নবিদ্ধ। এটি একদিকে আইনগত ব্যাখ্যা হলেও অন্যদিকে এটি গভীর রাজনৈতিক প্রশ্নও তৈরি করে।

    প্রশ্নটি হলো—জনগণের সরাসরি মতামত এবং বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে সংঘাত দেখা দিলে কোনটি বেশি মৌলিক? জনগণের ইচ্ছা, নাকি সেই ইচ্ছাকে বাস্তবায়নের জন্য নির্মিত কাঠামো? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংবিধানের বৈধতার চূড়ান্ত উৎস জনগণ হলেও, জুলাই সনদের অভিজ্ঞতা দেখায় যে সংস্কার কেবল ক্ষমতা ও স্বার্থের দ্বন্দ্বেই আটকে থাকে না; অনেক সময় তা বৈধতা ও ধারণার প্রশ্নেও জটিল হয়ে পড়ে।

    রাজনীতিতে ধারণার ভূমিকাও মুখ্য:

    এ পর্যন্ত আলোচনায় যে চিত্রটি উঠে এসেছে, তা মূলত ক্ষমতা ও স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনীতির। তবে কেবল এই ব্যাখ্যাই পুরো বাস্তবতা বোঝার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রতিষ্ঠান শুধু ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ বা প্রণোদনার ওপর টিকে থাকে না; মানুষের বিশ্বাস, ধারণা এবং রাজনৈতিক বয়ানও এতে গভীরভাবে ভূমিকা রাখে।

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংস্কার বিতর্কে এই দিকটি বারবার স্পষ্ট হয়েছে। কোনো সংস্কারের অর্থনৈতিক বা প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা খুব দ্রুতই সরে গিয়ে ভিন্ন প্রশ্নে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়নকে দেখা হয়েছে জাতীয় সার্বভৌমত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে, প্রশাসনিক সংস্কারকে আমলাতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, আর জুলাই সনদকে ধরা হয়েছে রাজনৈতিক কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব হিসেবে। ফলে সংস্কার বাস্তবে কী অর্জন করতে চায়, সেই মূল প্রশ্ন অনেক সময়ই আড়ালে পড়ে গেছে।

    কেন সংস্কার থমকে দাঁড়ায়:

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা একটি বড় বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করে। প্রথমে কিছু প্রতিষ্ঠান এমনভাবে গড়ে ওঠে, যেখানে তা জনস্বার্থের চেয়ে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় বেশি কার্যকর হয়ে পড়ে। এরপর সেই ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরা সংস্কারের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আর শেষ পর্যায়ে রাজনৈতিক, আইনি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক নানা বয়ান বিদ্যমান ব্যবস্থাকেই আবার বৈধতা দেয়।

    এর ফলে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ফাঁদ তৈরি হয়। এই ফাঁদে সবাই সমস্যার অস্তিত্ব স্বীকার করে, কিন্তু সমাধান এগোয় না। সবাই ব্যাংক খাতের দুর্বলতার কথা জানে, কিন্তু সংস্কার বাস্তবায়িত হয় না। সবাই কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর কথা বলে, কিন্তু কর প্রশাসনের পরিবর্তন থেমে যায়। সবাই রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর দেখতে চায়, কিন্তু সেই রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিরুদ্ধেই আবার প্রতিরোধ তৈরি হয়।

    বাংলাদেশের সামনে তাই চ্যালেঞ্জ কেবল ভালো নীতি তৈরি করা নয়। একই সঙ্গে প্রয়োজন সংস্কারের পক্ষে রাজনৈতিক ও সামাজিক জোট গড়ে তোলা। পাশাপাশি সেই ধারণা ও বয়ানগুলোকেও প্রশ্ন করা জরুরি, যেগুলো বারবার বিদ্যমান ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখে।

    কারণ, প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন কোনো কারিগরি কাজ নয়। এটি একদিকে ক্ষমতা ও স্বার্থের লড়াই, অন্যদিকে ধারণারও লড়াই। স্বার্থগোষ্ঠীর শক্তি যেমন সংস্কারের পথে বাধা, তেমনি সেই শক্তিকে বৈধতা দেওয়া ধারণাগুলোও সমানভাবে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই দুই ক্ষেত্রকে একসঙ্গে মোকাবিলা না করলে সংস্কারের আলোচনা বাড়বে, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতা অপরিবর্তিতই থেকে যাবে।

    • জাহিদ হোসেন:  বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    ৫ টাকার ‘এডি কার্ড’ বনাম কোটি টাকার খেলাপি ঋণ

    জুন 28, 2026
    অর্থনীতি

    ৩০ শতাংশের কম অগ্রগতির প্রকল্পে সরকারের লাল সংকেত

    জুন 28, 2026
    অর্থনীতি

    চীন বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে: বিডা চেয়ারম্যান

    জুন 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.