Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » প্রতিবেশীদের তুলনায় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো থেকে কর আদায় কম
    অর্থনীতি

    প্রতিবেশীদের তুলনায় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো থেকে কর আদায় কম

    নিউজ ডেস্কজুলাই 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বাড়লেও সেই তুলনায় কর্পোরেট খাত থেকে সরকারের আয় এখনো অনেক কম। উন্নত ও সমপর্যায়ের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কোম্পানিগুলো থেকে অর্ধেকের মতো কর সংগ্রহ করছে বলে জানিয়েছে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) সর্বশেষ প্রতিবেদন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কর্পোরেট আয়কর আদায়ের পরিমাণ মাত্র ১ দশমিক ৫ থেকে ১ দশমিক ৮ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। অথচ অনেক সমপর্যায়ের দেশের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় দ্বিগুণ। এমনকি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের কয়েকটি ছোট অর্থনীতির দেশও কর্পোরেট কর সংগ্রহে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

    কর্পোরেট কর থেকে কম আয় সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এর ফলে জনসেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক খাতে ব্যয় করার জন্য সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ কম থাকে। ঘাটতি পূরণ করতে সরকারকে মূল্য সংযোজন কর, শুল্ক এবং ঋণের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়। শেষ পর্যন্ত এই চাপ সাধারণ মানুষের ওপরও পড়ে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কর্পোরেট কর কম সংগ্রহের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বড় অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি, আয় গোপন করা, দুর্বল কর নিরীক্ষা, কর আইন প্রয়োগে সীমাবদ্ধতা এবং ব্যবসা খাতে অতিরিক্ত কর ছাড়।

    বড় সমস্যা অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি ও করের আওতার বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠান

    বাংলাদেশের কর ব্যবস্থার অন্যতম বড় দুর্বলতা হলো বিশাল অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি। বিপুল সংখ্যক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখনো কর ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, দেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্যবসা এখনো অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির অংশ এবং তারা কর ব্যবস্থার আওতায় নেই। তাই ব্যবসাগুলোকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

    শুধু অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নয়, নিবন্ধিত অনেক প্রতিষ্ঠানও নিয়মিত কর পরিশোধ করছে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার কোম্পানির কর শনাক্তকরণ নম্বর রয়েছে। কিন্তু ২০২৬ অর্থবছরে এর মধ্যে মাত্র ৪২ হাজার প্রতিষ্ঠান কর রিটার্ন জমা দিয়েছে।

    এ থেকে বোঝা যায়, নিবন্ধিত কোম্পানির একটি বড় অংশও কর ব্যবস্থার সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত নয়।

    সিপিডির একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কর্পোরেট কর বাবদ প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে। এই পরিমাণ অর্থ ওই বছরের জাতীয় বাজেটের প্রায় ১৭ শতাংশের সমান।

    গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, কর ফাঁকির পরিমাণ বছরের পর বছর বেড়েছে। ২০১২ সালে যেখানে কর ফাঁকির পরিমাণ ছিল ৯৬ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা, পরবর্তী সময়ে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আর্থিক তথ্য গোপন ও দুর্বল নিরীক্ষাও বড় কারণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের প্রকৃত আর্থিক অবস্থার পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে না। ফলে তাদের প্রকৃত সক্ষমতার তুলনায় কম কর দিতে হয়।

    খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অসম্পূর্ণ বা ভুল আর্থিক বিবরণী, দুর্বল নিরীক্ষা ব্যবস্থা এবং কিছু ক্ষেত্রে নিরীক্ষক ও কর কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয়ের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের প্রকৃত আয়ের তুলনায় কম কর প্রদান করে।

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন এফআইসিসিআইয়ের সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী কর্পোরেট কর কম পাওয়ার দুটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন।

    তার মতে, একদিকে অনেক প্রতিষ্ঠান হয়তো সত্যিই লাভ করতে পারছে না এবং তাই ন্যূনতম কর দিচ্ছে। অন্যদিকে কিছু লাভজনক প্রতিষ্ঠান আয় কম দেখিয়ে কর এড়িয়ে যেতে পারে।

    তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান এক বা দুই বছর লাভ না করলে সেটি স্বাভাবিক। কিন্তু ১০ বা ২০ বছর ধরে ব্যবসা পরিচালনা করেও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান কখনো কর না দেয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন।

    কর্পোরেট করের ওপর নির্ভরতা বেশি, কিন্তু কাঠামো দুর্বল

    ওইসিডির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট কর রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে কর্পোরেট আয়কর থেকে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এই হার গড়ে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ওইসিডি দেশগুলোতে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।

    তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই উচ্চ অংশগ্রহণ কর ব্যবস্থার শক্তির কারণে নয়, বরং সামগ্রিক কর আদায় দুর্বল হওয়ার কারণে।

    খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ কর ব্যবস্থায় প্রত্যক্ষ করের ভূমিকা বেশি থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো পরোক্ষ করের ওপর বেশি নির্ভরশীল, যা কর ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা নির্দেশ করে।

    তার মতে, দেশের মোট রাজস্বের বড় অংশ প্রত্যক্ষ কর থেকে আসা উচিত হলেও বাস্তবে মূল্য সংযোজন কর ও অন্যান্য পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা বেশি।

    ব্যবসায়িক সংকটেও কমেছে কর আদায়

    কর্পোরেট কর কম পাওয়ার পেছনে ব্যবসার মুনাফা কমে যাওয়াও একটি কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

    চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের সংগঠন আইসিএবির সভাপতি সাব্বির আহমেদ বলেন, কর্পোরেট আয়কর মূলত প্রতিষ্ঠানের লাভের ওপর নির্ভর করে। করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে গত কয়েক বছরে অনেক প্রতিষ্ঠানের মুনাফা কমেছে।

    তিনি বলেন, ব্যবসার ওপর একের পর এক চাপ তৈরি হওয়ায় কর্পোরেট কর কমে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

    তবে তিনি মনে করেন, দেশের করভিত্তি এখনো অনেক ছোট। অনেক একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং অনানুষ্ঠানিক ব্যবসা এখনো নিয়মিত আর্থিক তথ্য প্রকাশের আওতায় আসেনি।

    করের হার বেশি, নাকি ব্যবস্থাপনায় সমস্যা?

    বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির করহার বর্তমানে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ, যা এ অঞ্চলের অন্যতম বেশি। তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ২২ দশমিক ৫ শতাংশ। ব্যাংক, বীমা কোম্পানি এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করহার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

    তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু করের হার বেশি হওয়াই সমস্যা নয়। বরং কর ব্যবস্থার জটিলতা, ন্যূনতম কর ব্যবস্থা এবং দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো বড় সমস্যা।

    সাব্বির আহমেদ বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান লাভ না করলেও ন্যূনতম কর দিতে বাধ্য হয়। এতে প্রকৃত করের চাপ বেড়ে যায় এবং ব্যবসার জন্য সমস্যা তৈরি হয়।

    তিনি কর প্রশাসনের দ্রুত ডিজিটালাইজেশন, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু এবং করদাতা ও কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগাযোগ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

    কর ছাড় কমানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা

    কর্পোরেট কর কম পাওয়ার আরেকটি বড় কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা সরকারের দেওয়া ব্যাপক কর ছাড়কে দায়ী করছেন।

    সাবেক এনবিআর সদস্য অপূর্ব কান্তি দাস বলেন, বছরের পর বছর বিভিন্ন খাতকে কর অবকাশ ও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, তৈরি পোশাক, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইলেকট্রনিকস এবং উচ্চ প্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন খাত এই সুবিধা পেয়েছে।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদ্যুৎ, তৈরি পোশাক, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং ইলেকট্রনিকস খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো মোট ৭৩ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকার কর ছাড় পেয়েছে।

    কর ছাড় ও কম করহার মিলিয়ে ওই বছর মোট প্রত্যক্ষ কর আদায়ের ৬৯ শতাংশের সমপরিমাণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

    অপূর্ব কান্তি দাস বলেন, বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের দিকে এগোচ্ছে, তখন কর নীতিতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

    তার মতে, দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠিত খাতগুলোকে নিয়মিত কর ছাড় না দিয়ে নতুন ও সম্ভাবনাময় শিল্প খাতে সীমিত আকারে সুবিধা দেওয়া উচিত।

    তবে তিনি বলেন, এই পরিবর্তন হঠাৎ করে করা সম্ভব নয়। সরকারের উচিত আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের একটি পরিকল্পনা তৈরি করে ধীরে ধীরে অপ্রয়োজনীয় কর সুবিধা কমিয়ে আনা।

    করদাতার সংখ্যা বাড়ানোই বড় সমাধান

    এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক স্নেহাশিস বড়ুয়া বলেন, বাংলাদেশের করভিত্তি ছোট, কর সুবিধা বেশি এবং অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি বড় হওয়ায় অল্প কিছু নিয়মিত করদাতার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

    তিনি বলেন, উচ্চ মূল্য সংযোজন করের কারণে অনেক ব্যবসা বিক্রির তথ্য গোপন করার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে কর ছাড় ও খাতভিত্তিক সুবিধা রাজস্ব ভিত্তিকে দুর্বল করে।

    তিনি আরও বলেন, কর ফাঁকি শনাক্ত করতে আয় ও সম্পদের তথ্যভান্ডারের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। পাশাপাশি কর প্রশাসনের নজরদারি আরও শক্তিশালী করতে হবে।

    রাজস্ব বাড়াতে বড় সংস্কারের প্রয়োজন

    বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং সামাজিক খাতের ব্যয় বাড়াতে শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে কম কর আদায় এবং সীমিত করভিত্তি সরকারের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্পোরেট কর বাড়ানোর জন্য শুধু করহার বৃদ্ধি কার্যকর সমাধান নয়। বরং ব্যবসাকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনা, কর প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানো, ডিজিটাল ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় কমানো প্রয়োজন।

    বাংলাদেশের অর্থনীতি যখন দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি আধুনিক ও কার্যকর কর ব্যবস্থা তৈরি করাই হবে ভবিষ্যতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে কেন?

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    ভ্যাট ফাঁকি রোধে এনবিআরের নজরে ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

    জুলাই 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.