চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ পড়ে থাকা কিংবা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা প্রায় ২০০টি কারখানা আবার চালু করা গেলে বড় ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি ধারণাপত্রে বলা হয়েছে, এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় সচল করা সম্ভব হলে প্রায় ১০ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হতে পারে।
তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হলে শুধু বন্ধ কারখানার তালিকা তৈরি করলেই হবে না। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি অর্থের ব্যবস্থা করা, দক্ষ পরিচালনাকারী তৈরি করা এবং ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের সমস্যা সমাধান—সবকিছুকে একসঙ্গে গুরুত্ব দিতে হবে।
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় উপস্থাপিত ‘এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য: চট্টগ্রাম অঞ্চলের সম্ভাবনা’ শীর্ষক ধারণাপত্রে এসব বিষয় উঠে আসে।
বন্ধ শিল্পে আটকে আছে বড় কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা
চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। বন্দরনির্ভর অর্থনীতি, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, শিল্পকারখানা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে জাতীয় অর্থনীতিতে এ অঞ্চলের গুরুত্ব অনেক বেশি।
কিন্তু একই সঙ্গে এই অঞ্চলের বহু শিল্পপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে অথবা উৎপাদন চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ফলে শুধু শিল্প উৎপাদন কমছে না, কর্মসংস্থানের বড় একটি অংশও হারিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ধারণাপত্র অনুযায়ী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রায় ২০০টি বন্ধ বা বন্ধের উপক্রম হওয়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা গেলে প্রায় ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে এসব কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন। অর্থাৎ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় সচল করার অর্থ শুধু নতুন চাকরি তৈরি নয়; একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনার সুযোগও তৈরি করা।
প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার ঋণ আটকে আছে
বন্ধ শিল্পকারখানাগুলোর সঙ্গে আরেকটি বড় সমস্যা জড়িয়ে আছে—ব্যাংকঋণ।
ধারণাপত্রে বলা হয়েছে, এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ও অবাণিজ্যিক ঋণ জমে আছে। ফলে কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব শুধু শিল্প ও শ্রমবাজারে সীমাবদ্ধ থাকছে না; ব্যাংক খাতের ওপরও এর বড় চাপ তৈরি হচ্ছে।
একদিকে কারখানা বন্ধ থাকায় উৎপাদন হচ্ছে না, অন্যদিকে ঋণের অর্থ ফেরত আসছে না। এর ফলে ব্যাংকের সম্পদের মান খারাপ হচ্ছে এবং নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে বন্ধ শিল্পকে কীভাবে পুনরায় উৎপাদনে ফেরানো যায়, সেটি চট্টগ্রামের অর্থনীতির পাশাপাশি ব্যাংক খাতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
তিন বড় বাধা চিহ্নিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের ধারণাপত্রে শিল্প পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তিনটি বড় বাধার কথা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রথমটি জ্বালানি সংকট। নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ না থাকলে শিল্পকারখানার উৎপাদন পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমে যায়।
দ্বিতীয় সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির ঘাটতি। শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা বা আধুনিকায়নের জন্য বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প বিনিয়োগ টেকসইভাবে পরিচালনা করা কঠিন।
তৃতীয় বড় সমস্যা দক্ষ পরিচালনাকারীর অভাব। একটি বন্ধ কারখানা শুধু অর্থের অভাবে বন্ধ হয় না; অনেক সময় ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, বাজার ও পরিচালনাগত দুর্বলতাও প্রতিষ্ঠানকে সংকটে ফেলে। তাই পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে দক্ষ উদ্যোক্তা ও পরিচালনাকারী তৈরি করাও জরুরি।
জাতীয় অর্থনীতিতে চট্টগ্রামের বড় অবদান
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অবদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সভায় উপস্থাপিত পরিসংখ্যানেও তার প্রতিফলন রয়েছে।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ১৮ শতাংশ আসে এই অঞ্চল থেকে। আমদানির ক্ষেত্রে অবদান ২১ শতাংশ। দেশের মোট প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ২৮ শতাংশও এ অঞ্চল থেকে আসে।
এ ছাড়া দেশের মোট আমানতের ১৯ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং মোট ঋণের ১৮ দশমিক ৫ শতাংশের সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চল যুক্ত।
অর্থাৎ চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু স্থানীয় অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎপাদন বাড়লে রপ্তানি বাড়তে পারে, ব্যবসা সম্প্রসারিত হলে কর্মসংস্থান বাড়তে পারে এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম শক্তিশালী হলে জাতীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এসএমই ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ঋণ বাড়ানোর আহ্বান
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আঞ্চলিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ঋণের প্রবাহ বাড়ানোর আহ্বান জানান। কারণ বড় শিল্পের পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করে।
গভর্নর ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের ওপরও জোর দেন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যকে কেন্দ্র করে ব্যবসা ও শিল্প গড়ে উঠলে গ্রামের অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
একই সঙ্গে নীল অর্থনীতি, সামুদ্রিক সম্পদ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম তন্তু খাতের মতো সম্ভাবনাময় খাতে দীর্ঘমেয়াদি ও সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
দক্ষ কর্মী তৈরি না হলে সম্ভাবনা কাজে লাগবে না
চট্টগ্রামের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর সঙ্গে শুধু দেশের ভেতরের শ্রমবাজার নয়, বিদেশে কর্মসংস্থানের বিষয়টিও যুক্ত।
গভর্নর প্রবাসী শ্রমিকদের শুধু অদক্ষ কর্মী হিসেবে বিদেশে পাঠানোর পরিবর্তে নির্দিষ্ট দেশের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
এর মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশি কর্মীদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের প্রবাসী আয়ও বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার কথাও তিনি বলেন।
ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না করার বার্তা
সভায় ব্যাংক খাতের সুশাসনের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।
গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, ব্যাংক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না।
তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকদের ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির সুপারিশ করে পরিদর্শন প্রতিবেদন তৈরি করার নির্দেশনা দেন।
এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ বন্ধ শিল্পকারখানা ও বিপুল খেলাপি ঋণের সমস্যার সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের সুশাসনের বিষয়টিও সরাসরি যুক্ত। ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, দুর্বল প্রকল্প যাচাই বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ঋণ বিতরণ হলে পরবর্তী সময়ে সেই অর্থ ফেরত না আসার ঝুঁকি বাড়ে।
তাই শিল্প পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি ঋণ ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করাও জরুরি।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাব নিয়েও সতর্কতা
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেন।
তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি চাপের মধ্যে থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থান তৈরির জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে।
তিনি আর্থিক ও আয় বৈষম্য কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি সম্পদের সুষম বণ্টন এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
এর অর্থ হলো, বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশের ভেতরে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিকল্প নেই। শিল্পকারখানা বন্ধ পড়ে থাকলে অর্থনীতি একই সঙ্গে উৎপাদন, আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ হারায়।
ডিজিটাল লেনদেনেও জোর
চট্টগ্রামের অর্থনীতিকে আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গভর্নর বাংলা কিউআরের সম্প্রসারণ এবং নগদ অর্থনির্ভরতা কমানোর মাধ্যমে নগদবিহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।
এর সঙ্গে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ছোট ব্যবসাগুলোকে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারলে তাদের জন্য ঋণ পাওয়া সহজ হতে পারে এবং ব্যবসার পরিসরও বাড়তে পারে।
চট্টগ্রামের শিল্প পুনরুদ্ধার কেন গুরুত্বপূর্ণ
চট্টগ্রামে বন্ধ হয়ে থাকা ২০০টি কারখানা যদি সত্যিই পুনরায় চালু করা যায়, তাহলে এর প্রভাব শুধু ১০ লাখ সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।
একটি কারখানা চালু হলে তার সঙ্গে কাঁচামাল সরবরাহকারী, পরিবহন ব্যবসা, শ্রমিকের আবাসন, খাবারের দোকান, স্থানীয় বাজার, যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীসহ বহু ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যুক্ত হয়।
অর্থাৎ একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পুনরুজ্জীবন স্থানীয় অর্থনীতিতে বহুগুণ প্রভাব তৈরি করতে পারে। একইভাবে কারখানা চালু হলে ব্যাংকের আটকে থাকা অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। উৎপাদন শুরু হলে উদ্যোক্তা আয় করতে পারেন, শ্রমিক বেতন পান এবং ব্যাংক ঋণের অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
এই কারণে বন্ধ কারখানাগুলোকে শুধু সমস্যার অংশ হিসেবে না দেখে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
সামনে প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা
চট্টগ্রামের বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা বড় হলেও সব কারখানাকে একই পদ্ধতিতে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে না।
কোন কারখানা সাময়িক অর্থসংকটে বন্ধ, কোনটি বাজার হারিয়ে বন্ধ, কোনটির ব্যবস্থাপনা সমস্যা এবং কোনটি প্রযুক্তিগতভাবে অচল—এসব আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে।
যেসব শিল্প এখনো বাণিজ্যিকভাবে সম্ভাবনাময়, সেগুলোর জন্য পুনর্গঠন, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ও ব্যবস্থাপনা সহায়তার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান কার্যত অচল, সেগুলোর সম্পদ কীভাবে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করা যায়, সেটিও বিবেচনা করতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নতুন করে ঋণ দিয়ে পুরোনো সমস্যাকে দীর্ঘায়িত না করে বাস্তব সম্ভাবনা যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
চট্টগ্রামে ২০০টি বন্ধ বা বন্ধের উপক্রম হওয়া কারখানাকে ঘিরে ১০ লাখ কর্মসংস্থানের যে সম্ভাবনার কথা বাংলাদেশ ব্যাংক তুলে ধরেছে, তা বাস্তবায়ন করতে পারলে এটি শুধু কর্মসংস্থান সংকট মোকাবিলায় নয়, দেশের শিল্প উৎপাদন ও ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়েও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হলে জ্বালানি নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি অর্থের ব্যবস্থা করা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা তৈরি করা এবং ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা—এই চারটি বিষয়কে একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।
চট্টগ্রামের বন্ধ কারখানাগুলো তাই কেবল পুরোনো শিল্পের স্মৃতি নয়; সঠিক পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা পেলে এগুলোই নতুন কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের বড় ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

