অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে নতুন বিনিয়োগের গতি বাড়ানো এবং বিনিয়োগকারীদের অবকাঠামো ও নীতিগত সমস্যার সমাধানে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনস ইনভেস্টরস অ্যাসোসিয়েশন (বেজিয়া)।
সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে দুই সংগঠনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে বেজিয়ার নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সভাপতি এম এ জব্বার। অন্যদিকে বিজিএমইএর পক্ষে নেতৃত্ব দেন সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। দুই সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সরকারের স্বল্পমেয়াদি অগ্রাধিকার হিসেবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত পাঁচটি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে বরাদ্দ দেওয়া প্লটগুলোর বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে এসব অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে গিয়ে উদ্যোক্তারা যেসব নীতিগত ও বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।
বেজিয়ার সভাপতি এম এ জব্বার বলেন, অনেক উদ্যোক্তা অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লটের জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও ইউটিলিটি সেবা নিশ্চিত করতে দেরি হওয়ায় তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শিল্পকারখানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও পানির সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে তিনি এসব সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন।
বৈঠকে বিজিএমইএ ও বেজিয়া বিনিয়োগের পরিবেশ আরও অনুকূল করতে কয়েকটি নীতিগত বিষয় সরকারের উচ্চপর্যায়ে যৌথভাবে তুলে ধরার ব্যাপারেও একমত হয়।
দুই সংগঠনের নেতারা মনে করছেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়বে। একই সঙ্গে নীতিগত জটিলতা দূর করা সম্ভব হলে নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগও আরও বাড়বে।

