দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিতে একের পর এক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কোথাও আবার সক্ষমতার অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছে উৎপাদন। শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শুধু বর্তমান উৎপাদনই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে পাওয়া রপ্তানি আদেশও প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর হাতে চলে যেতে পারে।
শিল্প খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৯০০টি বস্ত্রকল, প্রায় ৩০০টি রং ও কাপড় প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা এবং ইস্পাত, সিরামিক, ভোজ্যতেল ও চিনি পরিশোধনসহ বিভিন্ন খাতের অসংখ্য কারখানা গ্যাসের অভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।
আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ভালুকা, শ্রীপুর, রাজেন্দ্রপুর, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ ও চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলোতে সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। কোথাও কয়েক দিন ধরে চুল্লি ও উৎপাদনযন্ত্র বন্ধ, কোথাও আবার সীমিত গ্যাসের কারণে কারখানা চলছে নামমাত্র সক্ষমতায়।
চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ অর্ধেকের কাছাকাছি
গ্যাস সংকটের পেছনে সাম্প্রতিক সময়ে এলএনজি সরবরাহে তৈরি হওয়া বড় ধরনের বিঘ্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গত ২১ জুলাই একটি ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তর টার্মিনালে আগুনের ঘটনা ঘটে। এর পর টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে দেশের আমদানি করা গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি তৈরি হয়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ২৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে আমদানি করা এলএনজি গ্যাসে রূপান্তর করে পাওয়া গেছে ৬৮৪ মিলিয়ন ঘনফুট। আগের দিনের তুলনায় এই সরবরাহ ১৩০ মিলিয়ন ঘনফুট কম।
অন্যদিকে সরকারের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ব্যবধান এখনো অনেক বড়।
পেট্রোবাংলার সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ একপর্যায়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছিল। কারণ টার্মিনালটিতে থাকা এলএনজির মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছিল।
শনিবার থেকে ওই টার্মিনাল আবার এলএনজি সরবরাহ শুরু করলেও শিল্প খাতে তার প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি পড়েনি। এর মধ্যে কয়েক সপ্তাহের ঘাটতি উৎপাদন ব্যবস্থায় যে চাপ তৈরি করেছে, সেটিও এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নারায়ণগঞ্জে বন্ধ ৩০০ রং ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা
বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানিয়েছেন, ১০ আগস্টের পর গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি।
শুধু নারায়ণগঞ্জেই ৩০০টির বেশি রং ও কাপড় প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বলে তিনি জানান।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে সমন্বিত বস্ত্র কারখানাগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে কাপড় রং করা ও শেষ পর্যায়ের প্রক্রিয়াজাতকরণ—বিভিন্ন ধাপেই গ্যাস প্রয়োজন হয়। ফলে একটি ধাপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হলে শুধু একটি ইউনিট নয়, পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াই থেমে যায়।
এই পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে কারখানাগুলোকে কাপড় আমদানির দিকে যেতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন হাতেম। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ওপরও অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে।
পরিস্থিতির প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সিদ্ধান্তেও পড়তে শুরু করেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একটি আন্তর্জাতিক ক্রেতা তাদের পরিকল্পিত ক্রয়াদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। আর এইচঅ্যান্ডএমের ক্রয়াদেশও গত বছরের তুলনায় অন্তত এক-তৃতীয়াংশ কমে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
সক্ষমতার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে চলছে কারখানা
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেক পোশাক কারখানা মাত্র ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে।
বিদেশি ক্রেতারা পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছেন এবং নিয়মিত উৎপাদন পরিস্থিতির খবর নিচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত গ্যাস সংকটের কারণে নির্দিষ্টভাবে ক্রয়াদেশ বাতিল বা সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।
তবে সংকট অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। কারণ আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারা কোনো দেশের জন্যই ছোট বিষয় নয়। বাংলাদেশের কারখানাগুলো যদি নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন ও রপ্তানি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ক্রেতাদের বিকল্প উৎপাদনকারী দেশের দিকে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।
তিন বছরের সংকট এখন চরম পর্যায়ে
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল সমিতির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বর্তমান পরিস্থিতিকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর সংগঠনের ১ হাজার ৮০০টির বেশি সদস্য কারখানার প্রায় অর্ধেকই উৎপাদন বন্ধ রেখেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তাঁর মতে, গত তিন বছর ধরে চলা গ্যাস সংকট এবার ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
তবে শুধু গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করলেই সমস্যার পুরো সমাধান হবে না বলে মনে করেন তিনি। দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে যেসব আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, ক্রয়াদেশের যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যে ঋণ ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ বেড়েছে, সেগুলো কাটিয়ে উঠতে আলাদা নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক প্রতিষ্ঠান সমিতির সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজও পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন। তাঁর হিসাবে, দেশের সামগ্রিক উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
বিদেশি ক্রেতাদের সামনে সরকারি কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। শিল্পের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নির্ভরযোগ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা। কিন্তু কখন গ্যাস বাড়বে আর কখন কমবে—এমন অনিশ্চয়তা থাকলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
ইস্পাত শিল্পেও উৎপাদন কমেছে
চট্টগ্রামের বিএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, গ্যাস সংকটে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় অর্ধেকে নেমে গিয়েছিল। শনিবার এক্সিলারেট এনার্জি এলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু করার পর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
গ্যাসের ঘাটতির সময় প্রতিষ্ঠানটি জ্বালানি তেল ব্যবহার করে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বাংলাদেশ ইস্পাত প্রস্তুতকারক সমিতির সহসভাপতি মো. আবুল কালাম জানিয়েছেন, সংগঠনের নিবন্ধিত ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩০টির বেশি এখনো কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কয়েক সপ্তাহ ধরে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন করছে।
অর্থাৎ গ্যাসের সংকট শুধু কারখানা বন্ধের কারণ হচ্ছে না; যেসব প্রতিষ্ঠান কোনোভাবে উৎপাদন চালু রাখছে, তাদের ক্ষেত্রেও উৎপাদন ব্যয় ও আর্থিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ভোজ্যতেল ও সিরামিক শিল্পেও বড় ধাক্কা
ভোজ্যতেল পরিশোধন শিল্পেও সংকটের প্রভাব পড়েছে। টিকে গ্রুপের পরিচালক মো. শফিউল আথার ইসলাম জানিয়েছেন, প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার টন সয়াবিন তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন তাদের পরিশোধনাগারের দুটি ইউনিটই কয়েক দিন বন্ধ ছিল। শনিবার রাতে একটি অংশ সীমিতভাবে আবার চালু করা হয়েছে।
সিরামিক শিল্পের পরিস্থিতিও আরও কঠিন। বাংলাদেশ সিরামিক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মইনুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্যাস ছাড়া সিরামিক উৎপাদন প্রায় অসম্ভব। ফলে সংগঠনের অধিকাংশ সদস্য কারখানাই বন্ধ হয়ে রয়েছে।
তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের জ্বালানি নীতির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে। শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না করে উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।
হবিগঞ্জে স্বস্তি, জাতীয় পরিস্থিতিতে এখনো অনিশ্চয়তা
এর মধ্যে হবিগঞ্জের ১৭১টি বড় ও ছোট শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ শনিবার আবার চালু হয়েছে। তিন দিন বন্ধ থাকার পর জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খালেদ গনি সরবরাহ পুনরায় শুরুর বিষয়টি জানিয়েছেন।
তবে একটি অঞ্চলে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া জাতীয় শিল্প পরিস্থিতির বড় সংকট দূর করার জন্য যথেষ্ট নয়। দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে এখনো গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে এবং অনেক কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে পারছে না।
গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও শিল্প খাতের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। রোববার বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়নি। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, রাত ২টায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৯২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা যায়। দিনের প্রথম ১৪ ঘণ্টায় প্রতি ঘণ্টায় গড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছিল ৭৭৪ মেগাওয়াট।
সংকটের অর্থ শুধু কারখানা বন্ধ নয়
বর্তমান পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো এর বহুমাত্রিক প্রভাব। গ্যাসের অভাবে একটি কারখানা বন্ধ হলে শুধু সেই কারখানার শ্রমিক বা মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হন না। কাঁচামাল সরবরাহকারী, পরিবহন, বন্দর, ব্যাংক, রপ্তানিকারক এবং বিদেশি ক্রেতা—সব পক্ষই এর প্রভাবের মধ্যে পড়ে।
বিশেষ করে পোশাক ও বস্ত্র খাতের মতো রপ্তানিনির্ভর শিল্পে সময়মতো উৎপাদন করতে না পারলে ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়ে। একটি ক্রয়াদেশ একবার অন্য দেশে চলে গেলে সেটি আবার বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা সহজ নয়। তাই গ্যাস সরবরাহের বর্তমান ঘাটতিকে কেবল সাময়িক জ্বালানি সমস্যা হিসেবে দেখলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
শিল্প মালিকদের বক্তব্যে আরেকটি বিষয় পরিষ্কার—গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পরও আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে। উৎপাদন বন্ধের কারণে জমে থাকা ক্রয়াদেশ, বাড়তি জ্বালানি ব্যয়, শ্রমিক ব্যয়, ঋণের কিস্তি এবং বিদেশি ক্রেতাদের আস্থার সংকট—সব মিলিয়ে ক্ষতি পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।
তাই এখন মূল প্রশ্ন শুধু কবে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে, তা নয়। প্রশ্ন হলো, ভবিষ্যতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন অনিশ্চিত জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর কতদিন নির্ভর করতে হবে এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখতে সরকার কী ধরনের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নেবে।
গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাময়িক স্বস্তি ফিরতে পারে। কিন্তু শিল্পের উৎপাদন, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন ও পূর্বানুমানযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ। সেই নিশ্চয়তা না ফিরলে গ্যাস সংকটের ক্ষত শুধু কারখানার উৎপাদন বন্ধেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের শিল্প ও রপ্তানি অর্থনীতির ওপরও।

