বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু সেই বাড়তি চাহিদা পূরণে দেশের নিজস্ব উৎপাদন এখনো যথেষ্ট নয়। ফলে ভোজ্যতেলের বাজার ক্রমেই আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। বিশ্ববাজারে উৎপাদন, দাম, রপ্তানি নীতি কিংবা বড় উৎপাদক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ চাহিদায় সামান্য পরিবর্তন এলেই তার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের বাজারে।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবা বিভাগের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে উদ্ভিজ্জ তেল আমদানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২৫ লাখ ৩০ হাজার টনে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এর পরিমাণ আনুমানিক ২৫ লাখ ৫০ হাজার টন। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ২৩ লাখ টন।
অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরে ভোজ্যতেলের ব্যবহারও বাড়ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট উদ্ভিজ্জ তেলের ব্যবহার ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৩৫ লাখ ৩০ হাজার টনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি। অর্থাৎ দেশে চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু সেই চাহিদার বড় অংশ পূরণ করতে এখনো বিদেশের বাজারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভোজ্যতেল মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের একটি। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বাড়ে, আর সেই চাপ শেষ পর্যন্ত পাইকারি ও খুচরা বাজারে গিয়ে পড়ে। একই সঙ্গে আমদানির জন্য অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়।
পাম তেলের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা
বাংলাদেশের আমদানিকৃত ভোজ্যতেলের তালিকায় পাম তেলের অবস্থান সবচেয়ে শক্তিশালী। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ১৭ লাখ ৫০ হাজার টন পাম তেল আমদানি করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও আমদানির পরিমাণ একই ছিল।
দেশে পাম তেলের ব্যবহারও প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এর অভ্যন্তরীণ ব্যবহার প্রায় ১৭ লাখ ২০ হাজার টন হতে পারে।
পাম তেল আমদানিতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বড় দেশ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তালিকাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পাম তেল আমদানিতে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে ভারত, চীন, পাকিস্তান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সমস্যার জায়গাটি হলো, বিশ্ব পাম তেলের উৎপাদন মূলত কয়েকটি দেশের ওপর কেন্দ্রীভূত। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইন্দোনেশিয়ায় পাম তেলের উৎপাদন ৪ কোটি ৭৫ লাখ টন এবং মালয়েশিয়ায় ১ কোটি ৯৬ লাখ টন হতে পারে। ফলে এই দুই দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি নীতির পরিবর্তন আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকির আরেকটি দিক রয়েছে। দেশটি নিজস্ব পাম তেলের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইন্দোনেশিয়ায় অভ্যন্তরীণ ব্যবহার ২ কোটি ৩৮২ লাখ ৫০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে দেশটির রপ্তানি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২ কোটি ৪১৫ লাখ টন থেকে কমে ২ কোটি ৩৭০ লাখ টনে নামার পূর্বাভাস রয়েছে।
অর্থাৎ বিশ্বের অন্যতম প্রধান উৎপাদক দেশ নিজের ভেতরেই বেশি তেল ব্যবহার করলে রপ্তানির জন্য সরবরাহ কমে যেতে পারে। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জন্য এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম মনে করেন, আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর। তার মতে, দেশে সরিষাসহ অন্যান্য তেলবীজের উৎপাদন বাড়ানোর দিকে এখন আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, সরিষা ও অন্যান্য তেলবীজের মাধ্যমে দেশের অন্তত ৫০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করা গেলে আমদানিনির্ভরতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সয়াবিনসহ অন্যান্য তেলবীজ উৎপাদনেও গুরুত্ব দিতে হবে।
কৃষকদের তেলবীজ চাষে আগ্রহী করতে প্রয়োজন হলে ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি আগাম সহায়ক মূল্য ঘোষণা করার কথাও বলেছেন তিনি। এতে কৃষক আগে থেকেই উৎপাদনের সম্ভাব্য মূল্য সম্পর্কে ধারণা পাবেন এবং জমির একটি অংশ তেলবীজ চাষে ব্যবহার করতে উৎসাহিত হতে পারেন।
বাড়ছে সয়াবিন তেলের চাহিদাও
বাংলাদেশের ভোজ্যতেলের বাজারে সয়াবিন তেলের গুরুত্বও দ্রুত বাড়ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে সয়াবিন তেল আমদানির পরিমাণ ৮ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ১২ হাজার টন।
দেশে সয়াবিন তেলের ব্যবহারও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এর ব্যবহার ১২ লাখ ৪০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে, যেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ছিল ১১ লাখ টন।
বিশ্বে সয়াবিনের উৎপাদন বাড়লেও বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি সবসময় স্বস্তিদায়ক হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিশ্বে সয়াবিন উৎপাদন ৪৪ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। আগের অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ৪২ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টন।
ব্রাজিল ১৮ কোটি ৬০ লাখ টন উৎপাদন নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সয়াবিন উৎপাদক হিসেবে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ১২ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টন এবং আর্জেন্টিনার ৫ কোটি টন হতে পারে।
এদিকে চীন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫০ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করতে পারে। বিশ্বের অন্যতম বড় ভোক্তার এই বিপুল চাহিদা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে পারে।
বিশ্বে উৎপাদন বাড়লেই যে বাংলাদেশের বাজারে দাম কমবে, এমনটিও নিশ্চিত নয়। জুলাইয়ের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন রপ্তানি মূল্য প্রতি টন ৫০০ ডলারের ওপরে উঠে গিয়েছিল। চীনের বড় পরিমাণে ক্রয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন উৎপাদন এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া এর পেছনে ভূমিকা রেখেছিল। পরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ায় দাম কিছুটা কমে আসে। সয়াবিন তেলের দামেও একই ধরনের ওঠানামা দেখা গেছে।
বিশ্ববাজারের ঝাঁকুনিতে কেন কাঁপবে বাংলাদেশের বাজার
বাংলাদেশের ভোজ্যতেল বাজারের বর্তমান চিত্র একটি বিষয় স্পষ্ট করে—বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি এখন দেশের বাজারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়া রপ্তানির পরিমাণ পরিবর্তন করলে, চীন সয়াবিনের আমদানি বাড়ালে কিংবা আমেরিকার প্রধান উৎপাদক অঞ্চলে খরা দেখা দিলে তার প্রভাব প্রথমে আন্তর্জাতিক দামে পড়তে পারে। এরপর আমদানি ব্যয় বাড়ার মাধ্যমে সেই চাপ বাংলাদেশেও পৌঁছাবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিশ্বে উদ্ভিজ্জ তেলের মোট উৎপাদন ২৪ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ২৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টন। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী উদ্ভিজ্জ তেলের ব্যবহার ২৩ কোটি ৮৬ লাখ ১০ হাজার টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।
বিশ্বের মোট উদ্ভিজ্জ তেল উৎপাদনে পাম তেলের অংশ সবচেয়ে বড়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাম তেলের উৎপাদন ৮ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার টন হতে পারে। সয়াবিন তেলের উৎপাদন ৭ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার টন এবং সূর্যমুখী তেলের উৎপাদন ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে।
চার বছরে ভোগ বেড়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টন
বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা বাড়ার প্রবণতাটি সাম্প্রতিক কয়েক বছরের তথ্যেও স্পষ্ট। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে উদ্ভিজ্জ তেলের মোট ব্যবহার ছিল ৩১ লাখ ২০ হাজার টন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে।
অর্থাৎ মাত্র চার বছরের ব্যবধানে ব্যবহার বাড়ছে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার টন। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্প্রসারণ—সব মিলিয়েই এই চাহিদা বাড়ছে।
আমদানিও একই সময়ে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৩ লাখ ২০ হাজার টন উদ্ভিজ্জ তেল আমদানি করেছিল। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমদানি ২৫ লাখ ৩০ হাজার টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।
চাহিদার এই বিস্তৃত ভিত্তির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সামান্য মূল্য পরিবর্তনও বাংলাদেশের ভোক্তাদের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আমদানিকারকদের ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব বাজারে পড়বে, আর শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচ বহন করতে হবে সাধারণ মানুষকেই।
বিশ্বে সয়াবিন, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, তুলাবীজ, নারিকেল ও পামবীজসহ প্রধান তেলবীজের মোট উৎপাদন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৭২ কোটি ১০ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। আগের অর্থবছরে এই উৎপাদন ছিল ৭০ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার টন।
একই সময়ে বিশ্বে তেলবীজ ভাঙিয়ে তেল উৎপাদনের পরিমাণও বেড়ে ৬০ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে।
সমাধান কি শুধু আমদানি কমানো?
বাংলাদেশের জন্য রাতারাতি পাম ও সয়াবিন তেলের আমদানি বন্ধ করা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ দেশে যে পরিমাণ ভোজ্যতেল ব্যবহার হয়, তার তুলনায় স্থানীয় উৎপাদন এখনো অনেক কম।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে মোট ভোজ্যতেলের ব্যবহার যেখানে ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টন হতে পারে, সেখানে আমদানির পরিমাণই ২৫ লাখ ৩০ হাজার টন। ফলে আমদানির বিকল্প তৈরি করতে হলে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনতে হবে।
সরিষা ও অন্যান্য তেলবীজের উৎপাদন বাড়ানো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি উন্নত জাত, বেশি ফলন, কৃষকদের ন্যায্য মূল্য, তেলবীজ প্রক্রিয়াজাতকরণের সক্ষমতা এবং পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করতে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা দিতে হবে। শুধু উৎপাদনের সময় প্রণোদনা দিলেই হবে না; বাজারে ফসল বিক্রির নিশ্চয়তাও তৈরি করতে হবে। আগাম সহায়ক মূল্য ঘোষণা এ ক্ষেত্রে কৃষকদের ঝুঁকি কমাতে পারে।
এর পাশাপাশি আমদানি ও বাজার ব্যবস্থাপনাতেও স্বচ্ছতা জরুরি। অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতার সুযোগ নিয়ে কোনো কোনো ব্যবসায়ী বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার বা অস্বাভাবিক মুনাফার চেষ্টা করতে পারেন। এর চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়ে।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ। একদিকে বাড়তে থাকা চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল নিশ্চিত করতে হবে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে হবে। স্থানীয় তেলবীজ উৎপাদন বাড়ানো, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং আমদানি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা—এই সমন্বিত পদক্ষেপই দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি কমাতে পারে।
বাংলাদেশ এখনই আমদানিনির্ভরতা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারবে না। তবে দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ যদি ধীরে ধীরে স্থানীয় উৎপাদন থেকে পূরণ করা যায়, তাহলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমবে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাবও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের ক্ষেত্রে সেটিই হতে পারে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার আরও টেকসই পথ।

