Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো আরও দীর্ঘ হতে পারে, কাঠামোগত দুর্বলতা কাটেনি
    অর্থনীতি

    অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো আরও দীর্ঘ হতে পারে, কাঠামোগত দুর্বলতা কাটেনি

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 25, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মূল্যস্ফীতি কমলেও বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্পে দুর্বলতা রয়ে গেছে, রাজস্ব ঘাটতিও বাড়ার আশঙ্কা

    বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীলতার দিকে কিছুটা এগোলেও কাঙ্ক্ষিত গতিতে ঘুরে দাঁড়াতে আরও সময় লাগতে পারে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কিছু অগ্রগতি হলেও বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, শিল্প উৎপাদন, রাজস্ব আহরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে এখনো বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। ফলে অর্থনীতির সামগ্রিক পুনরুদ্ধার এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার পরিবর্তে আরও দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে বলে মনে করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।

    সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে সোমবার ঢাকায় আয়োজিত এক গণমাধ্যম সংলাপে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে। প্রতিষ্ঠানটির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেলেও নেতিবাচক প্রবণতাগুলো এখনো বেশি শক্তিশালী। তাঁর মতে, প্রয়োজনীয় পরিবর্তন কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভব নয়, বরং অর্থনীতির কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার জরুরি।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নে নয়টি খাতের ৩৬২টি বাস্তব পদক্ষেপ পর্যালোচনা করেছে। এর মধ্যে শাসনব্যবস্থা, সরকারি অর্থব্যবস্থা, শিল্প ও বাণিজ্য, ব্যাংকিং, জ্বালানি ও পরিবহন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত ছিল। শুধু ঘোষণা বা প্রতিশ্রুতিকে মূল্যায়নের আওতায় না এনে যেসব পদক্ষেপ বাস্তবে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোকেই বিবেচনা করা হয়েছে।

    অর্থনীতির ৩১টি সূচকের মধ্যে ১২টিতে উন্নতি হলেও ১৯টি সূচকে অবনতি হয়েছে। অর্থাৎ কিছু ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা গেলেও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ভিত্তি এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী হয়নি।

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ। ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১ শতাংশ থাকলেও জুলাইয়ে তা কমে ৮ দশমিক ৩ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ৯ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে।

    তবে এই পরিসংখ্যানের আড়ালে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ পুরোপুরি কমেনি। প্রকৃত মজুরি এখনো নেতিবাচক অবস্থায় রয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতির হার কমলেও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি এখনো আসেনি।

    বৈদেশিক খাতেও একই ধরনের মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুতও ৩০ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

    তবে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। ২১ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে তা নেমে এসেছে ১১ দশমিক ৮ শতাংশে। একই সঙ্গে বিদেশে গড় মাসিক কর্মসংস্থান ৯৫ হাজার ৫২১ জন থেকে কমে ৫১ হাজার ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

    বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে। ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে তা বেড়ে হয়েছে ১০ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। চলতি হিসাবে আগে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত থাকলেও তা পরিবর্তিত হয়ে ০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতিতে গেছে। একই সময়ে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যের উদ্বৃত্ত ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

    দেশের শিল্প খাতকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে দুর্বল জায়গাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ। সাধারণ শিল্প উৎপাদন সূচকের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে শূন্যে নেমেছে। উৎপাদনশীল শিল্পের প্রবৃদ্ধিও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে শূন্যে নেমে এসেছে।

    বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধিও ৬ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। একই সঙ্গে নিট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ৬৬২ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৫৯৪ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

    এই পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, অর্থনীতিতে তারল্য ও বিনিয়োগের চাহিদা থাকলেও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় আস্থা এখনো পুরোপুরি ফিরে আসেনি। ঋণপ্রবাহের দুর্বলতা এবং বিনিয়োগ কমে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন উভয়ের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।

    সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ। মোট কর রাজস্বের প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব প্রবৃদ্ধিও ১২ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ১১ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ১ দশমিক ০ ট্রিলিয়ন টাকা বা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

    এরপর ২০২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার ৬ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রায় ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ মনে করছে, এই লক্ষ্য পূরণে ১ দশমিক ৩০ থেকে ১ দশমিক ৪০ ট্রিলিয়ন টাকা ঘাটতি হতে পারে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৯ থেকে ২০ শতাংশ।

    রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ আরও বাড়বে। বাজেট ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের ৩ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার অঙ্গীকার এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাইরে ব্যয় কমানোর সীমিত সুযোগের কারণে শেষ পর্যন্ত উন্নয়ন ব্যয়েই বড় ধরনের চাপ পড়তে পারে।এ অবস্থায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার বরাদ্দ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

    অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কেন দীর্ঘায়িত হতে পারে, তার আরেকটি বড় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির ধারায়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা কমে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং তৃতীয় প্রান্তিকে আরও কমে ২ দশমিক ২২ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ টানা তিন প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কমেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে শিল্প খাত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতেও চলে গেছে।

    সরকারের পাঁচ বছরের কাঠামোতে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতার জন্য এক বছরের একটি পর্যায় কল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, বাস্তবে এই পুনরুদ্ধার নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দীর্ঘ হতে পারে।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ মনে করছে, সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা, কম রাজস্ব আহরণ, সীমিত সরকারি অর্থ এবং দুর্বল বিনিয়োগ পরিস্থিতি পেয়েছে। এর সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

    জ্বালানি খাতেও বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। মহেশখালীর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনালগুলোতে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন এবং বিকল্প জাহাজ সংগ্রহে জটিলতার কারণে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বস্ত্র, ইস্পাত, কাগজ, কণিকাবোর্ড ও সিরামিক শিল্পে।

    অর্থাৎ অর্থনীতির একটি খাতের সমস্যা অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ছে। জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা উৎপাদন ব্যাহত করছে, উৎপাদন কমলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে চাপ পড়ছে, আর বিনিয়োগ কমলে রাজস্ব আহরণেও প্রত্যাশিত গতি আসছে না।

    অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতিকেও বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।

    প্রতিষ্ঠানটির মতে, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া অর্থনীতির একটি সুস্পষ্ট ভিত্তি বা প্রাথমিক অবস্থার নথি না থাকা এবং প্রতিশ্রুত দ্বিতীয় শ্বেতপত্র প্রকাশ না হওয়ায় সরকারের অগ্রগতি পরিমাপ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়েছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আলাদা করা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ পুনর্গঠন এবং নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে রাজনৈতিক সাহসের ঘাটতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ার আশঙ্কা নিয়েও সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আইন তৈরি, প্রয়োগ ও তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হলে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সংস্কারও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

    সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নেতিবাচক হলেও সরকারের কিছু পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।

    সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা প্রত্যাহার, ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ, সরকারি কর্ম কমিশনে সংস্কার, বিচারিক সেবা ডিজিটাল করা এবং সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে একই সময়ে রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগ, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত থাকা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার অভিযোগ, সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে হুমকির মতো বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের মতে, অর্থনীতিকে দ্রুত ঘুরে দাঁড় করাতে বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিলে হবে না। ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি নিরাপত্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংস্কার, সরকারি ব্যয়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির যৌক্তিকীকরণ, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বেতন কমিশনকে একই সংস্কার কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।

    অক্টোবর ২০২৬ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত সময়ের জন্য বাস্তব সময়ের তথ্য ও বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক কাঠামোর ভিত্তিতে একটি মূল বাজেট প্রণয়নেরও সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

    একই সঙ্গে সেপ্টেম্বরের সংসদীয় বক্তব্যে সরকারকে বেতন কাঠামো, ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, বিদ্যুৎ খাত সংস্কার এবং বৃহত্তর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের বক্তব্যের মূল বার্তাটি হলো, অর্থনীতির বর্তমান সমস্যার সমাধান শুধু ব্যক্তি পরিবর্তন দিয়ে হবে না। মন্ত্রিসভার কাঠামো, নিয়োগের পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা—এই চারটি জায়গায় কার্যকর পরিবর্তন আনতে না পারলে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কঠিন হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    নতুন আমদানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, এলসি ছাড়াই মূল্যসীমাহীন পণ্য আমদানির সুযোগ

    আগস্ট 25, 2026
    অর্থনীতি

    আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা

    আগস্ট 25, 2026
    অর্থনীতি

    সাত মাসে জনশক্তি রপ্তানি কমেছে ৩২ শতাংশ, সংকুচিত হচ্ছে বিদেশে কর্মসংস্থানের পথ

    আগস্ট 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো আরও দীর্ঘ হতে পারে, কাঠামোগত দুর্বলতা কাটেনি

    অর্থনীতি আগস্ট 25, 2026

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.