Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, সেপ্টে. 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কম রপ্তানিতেও বেশি আয় ধরে রাখছে পোশাক খাত
    অর্থনীতি

    কম রপ্তানিতেও বেশি আয় ধরে রাখছে পোশাক খাত

    নিউজ ডেস্কUpdated:আগস্ট 29, 2026আগস্ট 29, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত গত অর্থবছরে মোট রপ্তানি কিছুটা কমলেও প্রতি ডলার রপ্তানি থেকে আগের চেয়ে বেশি অর্থ দেশে ধরে রাখতে পেরেছে। কাঁচামাল আমদানির ব্যয় কমে যাওয়ায় এমনটা সম্ভব হয়েছে। ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে পোশাক খাতের মূল্য সংযোজন বা আয় ধরে রাখার হারও বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত দেশের পোশাক রপ্তানি থেকে নিট আয় হয়েছে ২৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ২৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে নিট রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৪ দশমিক ৩১ শতাংশ।

    অন্যদিকে মোট পোশাক রপ্তানি সামান্য কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে মোট রপ্তানি আয় ছিল ৩৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার, গত অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ৩৮ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ মোট রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ।

    মূল পরিবর্তনটি এসেছে কাঁচামাল আমদানির ব্যয়ে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পোশাক তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের ১৬ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ কম।

    এর ফলে রপ্তানি আয়ের যে অংশ দেশে থেকে যাচ্ছে, সেই হারও বেড়েছে। গত অর্থবছরে পোশাক খাতের গড় মূল্য ধরে রাখার হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ১৫ শতাংশ। এক বছর আগে এই হার ছিল ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে হার বেড়েছে ৩ দশমিক ১৪ শতাংশীয় পয়েন্ট।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে এ হিসাব করতে শুধু ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে আমদানি করা কাঁচামাল নয়, কাঁচা তুলা, সিনথেটিক ও ভিসকস ফাইবার, বিভিন্ন ধরনের সুতা, কাপড় এবং পোশাকের আনুষঙ্গিক পণ্য আমদানির ব্যয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

    দেশের পোশাক খাতে মূল্য সংযোজনের হার দীর্ঘ সময় ৬০ থেকে ৬৪ শতাংশের মধ্যে ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এতে বেশ ওঠানামা দেখা গেছে। ২০২০ অর্থবছরে হার নেমে আসে ৫৬ দশমিক ৪৯ শতাংশে। পরের বছর তা বেড়ে ৫৯ দশমিক ১৩ শতাংশ হলেও ২০২২ অর্থবছরে আবার কমে দাঁড়ায় ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশে। এরপর ২০২৩ ও ২০২৪ অর্থবছরে হার যথাক্রমে ৫৮ দশমিক ১১ ও ৬০ দশমিক ১৩ শতাংশে ওঠে।

    রপ্তানিকারকদের মতে, নিট আয় বাড়ার পেছনে দেশের স্থানীয় পশ্চাৎমুখী সংযোগ শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কাঁচামাল সংগ্রহে দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সুতা ও কাপড়ের দাম কিছুটা কমে আসার ভূমিকা রয়েছে।

    তবে কাঁচামাল আমদানিতে ব্যয় কমে যাওয়াকে পুরোপুরি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনায়েতুল হক খান বলেন, আমদানি কমে যাওয়ার অর্থ সবসময় ভালো কিছু ঘটছে—এমন নয়। কারণ রপ্তানি বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী কাঁচামাল আমদানিও বাড়তে পারে।

    তিনি বলেন, উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনার ব্যয়ও বেড়েছে। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলোকে বাড়তি চাপ সামলাতে হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনও আগের পর্যায়ে ফেরেনি বলে জানান তিনি।

    গ্যাস সংকটের কারণে দেশের পোশাক খাতের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন বিজিএমইএর এই নেতা। বর্তমানে বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের পাশাপাশি সময়মতো পণ্য পাঠিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের ধরে রাখাই রপ্তানিকারকদের বড় চিন্তার বিষয়।

    তাঁর মতে, পুরো অর্থবছরের হিসাব একসঙ্গে দেখলে পরিস্থিতির পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। বিভিন্ন প্রান্তিকে ব্যবসার পরিস্থিতিতে পার্থক্য ছিল। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর সাধারণত তুলনামূলক দুর্বল সময় হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে অর্ডারে কিছুটা উন্নতি দেখা যাচ্ছে। অক্টোবর থেকে স্বাভাবিকভাবে অর্ডার বাড়তে পারে, তবে এর জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

    বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ফজলুল হকও নিট রপ্তানি আয় বৃদ্ধিকে আংশিকভাবে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, ইউটিলিটি ব্যয় ও শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। সেই পরিস্থিতিতে নিট আয় বাড়া কিছুটা স্বস্তির খবর।

    তবে তাঁর মতে, বেশি নিট আয় ধরে রাখতে পারা একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেয়। এর অর্থ হচ্ছে উদ্যোক্তারা তুলনামূলক বেশি মূল্য সংযোজন করা পণ্য তৈরি করছেন, ভালো দাম পাচ্ছেন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দক্ষতা বাড়াতে পারছেন।

    ফজলুল হক আরও বলেন, কাঁচামালের কার্যকর ব্যবহার বাড়ায় উৎপাদন পর্যায়ে অপচয়ও কমেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে কম খরচে বেশি মূল্য ধরে রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, গত অর্থবছরের পোশাক রপ্তানির পরিসংখ্যান একটি মিশ্র চিত্র তুলে ধরছে। মোট রপ্তানি সামান্য কমলেও কাঁচামাল ব্যয় কমানো, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মূল্য সংযোজনের ফলে খাতটি আগের চেয়ে বেশি অর্থ দেশে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে গ্যাস সংকট, মজুরি ও অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় রপ্তানিকারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়েই রয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    কর কমেছে, তবু কমেনি দাম—ভোক্তার স্বস্তি কোথায়?

    আগস্ট 31, 2026
    অর্থনীতি

    প্রিপেইড মিটারের ‘গোস্ট বিল’ নিয়ে যা বলল ডিপিডিসি

    আগস্ট 31, 2026
    অর্থনীতি

    জাহাজভাঙা শিল্পে ১০০ গ্রিন ইয়ার্ডের লক্ষ্য, বর্তমানে আছে ৩১টি

    আগস্ট 31, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.