সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর একটি খসড়া প্রস্তাব সামনে এসেছে, যেখানে মোট ২০টি গ্রেডে মূল বেতনের অঙ্ক নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে নিচের ধাপ অর্থাৎ ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ধরা হয়েছে ২০ হাজার টাকা, আর সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডে তা গিয়ে ঠেকবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়।
প্রস্তাব অনুযায়ী শীর্ষ পর্যায়ের গ্রেডগুলোতে বেতনের পরিসর এমন—১ম গ্রেডে নির্দিষ্টভাবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে, ২য় গ্রেডে তা ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা পর্যন্ত, ৩য় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং ৪র্থ গ্রেডে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
এরপর মধ্যম পর্যায়ের গ্রেডগুলোর ক্ষেত্রে ৫ম গ্রেডে ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং ৭ম গ্রেডে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া ৮ম গ্রেডে ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা এবং ৯ম গ্রেডে ৪৫ হাজার ১০০ থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা রাখার সুপারিশ এসেছে।
নিচের দিকের গ্রেডগুলোতে ১০ম গ্রেডে ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা, ১১তম গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১২তম গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এর বাইরে ১৩তম গ্রেডে ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা, ১৪তম গ্রেডে ২৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা, ১৫তম গ্রেডে ২২ হাজার ৮০০ থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা এবং ১৬তম গ্রেডে ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত রাখার কথা বলা হয়েছে খসড়ায়।
সবশেষে সর্বনিম্ন ধাপগুলোর মধ্যে ১৭তম গ্রেডে ২১ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, ১৮তম গ্রেডে ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা, ১৯তম গ্রেডে ২০ হাজার ৫০০ থেকে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং সবচেয়ে নিচের ২০তম গ্রেডে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত উপরের কোনো অঙ্ককেই চূড়ান্ত বা নিশ্চিত বেতন হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। প্রক্রিয়াটি এখনও প্রস্তাবনার পর্যায়েই রয়েছে বলে জানা গেছে।

