Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, সেপ্টে. 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মেট্রোর ব্যয় বাড়ার পর এবার বাড়ছে জাপানি ঋণের সুদও
    অর্থনীতি

    মেট্রোর ব্যয় বাড়ার পর এবার বাড়ছে জাপানি ঋণের সুদও

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে নির্মাণ ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি এবার জাপান থেকে নেওয়া ঋণের সুদও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন—এই দুই মেগা প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার ঋণের সুদ আগের ০ দশমিক ৬ শতাংশের মতো সহজ শর্তের হার থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বা তারও বেশি হতে পারে।

    গত ৩০ আগস্ট পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার কার্যবিবরণীতে বিষয়টি উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ২০১৯ সালে জাপানের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ১৩ হাজার ৬২৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার ঋণচুক্তি হয়েছিল, যার সুদের হার ছিল ০ দশমিক ৬ থেকে ০ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে প্রকল্পের বাকি অর্থায়নের ক্ষেত্রে তখন কোনো নির্দিষ্ট ঋণের শর্ত চূড়ান্ত হয়নি।

    ঢাকার বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্প। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, এ প্রকল্পে জাপানি অর্থায়নের পরিমাণ এখন বেড়ে ৮৫ হাজার ৫৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে অতিরিক্ত এই অর্থায়ন বর্তমান বাজার পরিস্থিতির ঋণের শর্তে সংগ্রহ করতে হবে।

    সম্প্রতি জাইকার ঋণের সুদের হার ৩ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগামী অক্টোবরে তা ৩ দশমিক ৫০ শতাংশে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাইকা বছরে দুইবার ঋণের সুদের হার পর্যালোচনা করে। ফলে আগামী এপ্রিলের পুনর্নির্ধারণে সুদ আরও বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন প্রকল্পেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রকল্পটির জন্য অনুমোদিত ২৯ হাজার ১১৯ কোটি টাকার জাপানি অর্থায়নের মধ্যে মাত্র ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ ০ দশমিক ৬ শতাংশ সুদে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

    এ ছাড়া জাপান নীতিগতভাবে আরও ৩৯ হাজার ৮১৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা অর্থায়নে সম্মতি দিয়েছে। তবে এই অতিরিক্ত ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার আগের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ইআরডির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, অতিরিক্ত অর্থায়ন দিতে জাইকা সম্মত হলেও ঋণের কাঠামো নিয়ে আলোচনা এখনো চলছে। ঋণটি নির্দিষ্ট সুদে, পরিবর্তনশীল সুদে নাকি অন্য কোনো কাঠামোয় নেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    ওই কর্মকর্তা বলেন, সুদের হার আবার কমবে—এমন নিশ্চয়তা এখন নেই। বরং কমার সম্ভাবনা খুবই কম। ভবিষ্যতে সুদ আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে নির্দিষ্ট সুদের হার নির্ধারণ করে ঋণ নেওয়াও কঠিন হতে পারে।

    ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, ২০২২ সালেও জাইকার ঋণের সুদের হার ১ শতাংশের নিচে ছিল। ২০২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ২ শতাংশে ওঠে এবং ২০২৬ সালে ৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। চলতি বছরের জুনে ৩১৪ মিলিয়ন ডলারের একটি জাপানি ঋণের সুদের হার ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

    জাইকার ঢাকা কার্যালয় জানিয়েছে, প্রতিটি ঋণের কিস্তির শর্ত চূড়ান্ত করার সময় সে সময়কার বৈশ্বিক সুদের হার, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ঋণদাতার নীতি এবং প্রকল্পের ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়। ফলে আগের কিস্তির তুলনায় পরবর্তী কিস্তিতে সুদের হার বেশি হতে পারে।ঋণের সুদের পাশাপাশি মেট্রোরেল প্রকল্প দুটির মূল ব্যয়ও ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।

    এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ১২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

    অন্যদিকে এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন প্রকল্পের ব্যয় ১২৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় দাঁড়াবে। এই প্রকল্পটিও ২০১৯ সালে অনুমোদন করা হয়েছিল।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, জাপানি ঋণের সুদ ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়লেও আন্তর্জাতিক দীর্ঘমেয়াদি ঋণের বাজারের তুলনায় তা এখনো তুলনামূলক কম। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ৫ শতাংশের বেশি।

    তবে তার মতে, প্রকল্পগুলোর অর্থনৈতিক যৌক্তিকতাই এখন বড় প্রশ্ন। কারণ দুই প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বেড়ে যাওয়ায় একই হারে প্রকল্পের সুফল না বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই লাভ-ব্যয় অনুপাত কমে যাবে।

    এ ছাড়া প্রকল্প দুটির অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ব্যয় যখন দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাচ্ছে, তখন প্রকল্পগুলোর বেনিফিট-কস্ট রেশিও এবং অভ্যন্তরীণ রিটার্নের হার এখনো গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে আছে কি না, সেটিও যাচাই করা জরুরি।

    তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ সরকারের অর্থায়ন সক্ষমতা নিয়ে। প্রকল্প দুটিতে সরকারকে নিজস্ব তহবিল থেকে কয়েক হাজার কোটি নয়, সম্ভাব্যভাবে কয়েক দশ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত জোগান দিতে হতে পারে।

    জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান রাজস্ব আদায়ের পরিস্থিতি, সরকারের বিদ্যমান ব্যয়ের দায় এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার সীমাবদ্ধতার মধ্যে এই অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সামাল দেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের বিমান কেনার চুক্তি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট

    সেপ্টেম্বর 25, 2026
    অর্থনীতি

    ক্ষুদ্রঋণ খাতে নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চায় এমআরএ, পর্ষদ বাতিলের ক্ষমতার প্রস্তাব

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    অর্থনীতি

    জ্বালানি ও নীতিগত চাপে আবার ৯ শতাংশে ফিরতে পারে মূল্যস্ফীতি

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.