Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, সেপ্টে. 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সরকারের সবচেয়ে বড় পাঁচ খাতেই কেন এত অদক্ষতা
    অর্থনীতি

    সরকারের সবচেয়ে বড় পাঁচ খাতেই কেন এত অদক্ষতা

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে সরকারি চাকরিতে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ১৪ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি। এর অর্ধেকেরও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে—প্রাথমিক শিক্ষা, পুলিশ, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও রেলওয়ে। নাগরিকের শিক্ষা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগের মতো মৌলিক সেবার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এসব খাতে কর্মরত সরকারি জনবলের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার।

    কিন্তু বিপুল জনবল এবং রাষ্ট্রের বড় অঙ্কের ব্যয়ের বিপরীতে এসব খাত থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। কোথাও দক্ষতার ঘাটতি, কোথাও অবকাঠামোর সংকট, আবার কোথাও জবাবদিহির অভাব ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা সেবার মানকে বাধাগ্রস্ত করছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত দেশে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৬৩১ জন কাজ করছেন প্রাথমিক শিক্ষা খাতে।

    প্রাথমিক শিক্ষায় বিপুল শিক্ষক, তবু শিখন ঘাটতি

    বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। কিন্তু বিপুলসংখ্যক শিক্ষক ও অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা অর্জন নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না।

    বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন শিক্ষা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের প্রাথমিক শিক্ষা বড় ধরনের শিখন ঘাটতির মধ্যে রয়েছে। ১০ বছর বয়সী শিশুদের ৫১ শতাংশই বয়স অনুযায়ী সাধারণ বাংলা ও ইংরেজি লেখা পড়তে এবং বুঝতে পারে না। একই সঙ্গে তাদের শ্রেণি উপযোগী গাণিতিক দক্ষতাও অনেক ক্ষেত্রে তৈরি হচ্ছে না।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, এর অন্যতম কারণ দুর্বল পাঠদান পদ্ধতি এবং দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের ঘাটতি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক হলেও প্রায় এক লাখ শিক্ষক এখনো প্রশিক্ষণের বাইরে রয়েছেন, যা মোট শিক্ষকের প্রায় ২৫ শতাংশ।

    জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির এক গবেষণায়ও শিক্ষকদের দক্ষতা নিয়ে উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে। আট বিভাগের ১৬টি উপজেলার ১৩ হাজারের বেশি শিক্ষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষক নিজেদের একুশ শতকের দক্ষতায় দক্ষ মনে করলেও বাস্তবে শ্রেণিকক্ষে তা প্রয়োগ করতে পারছেন মাত্র এক-চতুর্থাংশ।

    সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীর মতে, শুধু বেতন বাড়ালেই সেবার মান বাড়ে না। শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি যথাযথ প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণের প্রয়োগ এবং কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর অংশ হিসেবে ‘এক শিক্ষক এক ট্যাব’ কর্মসূচি এবং বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

    পুলিশে সদস্য বাড়ছে, বাড়ছে না সক্ষমতা

    সরকারি জনবলের হিসাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। বর্তমানে বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজার ৫০০। ২০১০ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার। অর্থাৎ দেড় দশকে পুলিশ সদস্যের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    এই সময়ে পিবিআই, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ, অ্যান্টি-টেরোরিজম ইউনিট ও মেট্রোরেল পুলিশসহ নতুন কয়েকটি ইউনিটও গঠিত হয়েছে।

    তবে সদস্য সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে আবাসন, যানবাহন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি। বর্তমানে মাত্র ১০ শতাংশ পুলিশ সদস্য আবাসন সুবিধা পান। প্রয়োজনের তুলনায় যানবাহনের ঘাটতি রয়েছে ৬ হাজার ১৬০টি। ফলে অনেক থানায় নিয়মিত টহল কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

    তারপরও নতুন করে পুলিশে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম এক বছরে ১৫ হাজার ৮৫১ জন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার আরও ১৪ হাজার সদস্য নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

    মানবাধিকারকর্মী ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা নূর খান লিটনের মতে, শুধু সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানো যাবে না। নতুন নিয়োগের আগে যানবাহন, আবাসন, সরঞ্জাম ও অন্যান্য অবকাঠামোগত ঘাটতি পূরণ করা জরুরি। একই সঙ্গে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

    সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইয়ুমও মনে করেন, পুলিশের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো জরুরি। পর্যাপ্ত আবাসন না থাকায় বিশেষ করে পরিবার নিয়ে ঢাকায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বাড়তি ব্যয় বহন করতে হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    স্বাস্থ্য খাতে জনবল আছে, সেবায় ঘাটতি কেন?

    সরকারি জনবলের হিসাবে তৃতীয় অবস্থানে থাকা স্বাস্থ্য খাতেও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৭৯ হাজার ৮৫৪।

    এরপরও সরকারি হাসপাতালে মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়া নিয়ে নাগরিকদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির ঘাটতির পাশাপাশি কর্মী ব্যবস্থাপনাও বড় সমস্যা বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা সূচক ১০০-এর মধ্যে মাত্র ৫৪। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার কাভারেজে এখনো বড় ঘাটতি রয়েছে।

    ২০২৫ সালে দেশের ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ, অর্থাৎ প্রায় সাত কোটি মানুষ, চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে আর্থিক সংকটে পড়েছে। স্বাস্থ্য ব্যয়ের বড় অংশ এখনো রোগী ও তাদের পরিবারকে বহন করতে হয়।

    স্বাস্থ্য খাতের জনবল ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে পরিকল্পনার ঘাটতি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক মনে করেন, জনসংখ্যা ও রোগের ধরন বিবেচনায় নিয়ে অন্তত ১০ বছরের একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকা দরকার।

    তার মতে, প্রয়োজনীয় শিক্ষক, হাসপাতালের শয্যা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নিশ্চিত না করে শুধু মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বাড়ানো হলে চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবার মান বাড়বে না।

    পরিবার পরিকল্পনায় সরবরাহ সংকট

    পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৯৩৬। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই খাতেও সরবরাহ সংকট দীর্ঘদিনের।

    পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে দেশের ৩৯৪টি উপজেলায় সরকারি কনডম, ৩৩৫টি উপজেলায় জন্মনিয়ন্ত্রণের খাবার বড়ি এবং ৩৯৫টি উপজেলায় জরায়ুর ভেতর স্থাপনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির সরবরাহে সংকট দেখা দেয়।

    এক বছরে কনডম বিতরণ ৪ লাখ ৫৯ হাজার থেকে কমে প্রায় ৫০ হাজারে এবং খাবার বড়ির বিতরণ ২ লাখ ৫১ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজারে নেমে যায়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সংকট নারী ও পরিবারগুলোর প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ প্রতিরোধে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

    এরই মধ্যে দেশে মোট প্রজনন হারও বেড়েছে। ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী, মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে ২ দশমিক ৪ হয়েছে।

    রেলে বিপুল বিনিয়োগ, তবু লোকসান

    সরকারি কর্মীর সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ২৫ হাজার ৫২২ জন কর্মী কাজ করছেন।

    বিপুল জনবল ও রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরও রেলের সেবা ও পরিচালন দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ট্রেন ও স্টেশনের অপরিচ্ছন্নতা, টিকিটের কালোবাজারি, অতিরিক্ত দামে খাবার বিক্রি, ইঞ্জিন বিকল, লাইনচ্যুতি এবং অনিয়মিত সময়সূচির মতো সমস্যা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

    ২০২১ সালে রেলের নতুন জনবল কাঠামো তৈরি করা হয়। সে সময় ১৯৫টি ক্যাডার ও ৫ হাজার ২৭৮টি অস্থায়ী পদ সৃষ্টি করার পাশাপাশি ৪০ হাজার ৭২৮টি পদ বিলুপ্ত করা হয়। ফলে অনুমোদিত পদ দাঁড়ায় ৪৭ হাজার ৬৩৭টি।

    কিন্তু জনবল কাঠামো পরিবর্তনের পরও কর্মীদের কার্যক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যায়নি।

    এর প্রভাব পড়েছে রেলের আর্থিক ব্যবস্থাপনাতেও। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেলের পরিচালন ব্যয় দাঁড়ায় ৩ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৬৫২ কোটি টাকা বেশি। বিপরীতে একই সময়ে আয় ৮০ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।

    অর্থাৎ রেলের আয়-ব্যয়ের ব্যবধান আরও বড় হয়েছে। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ১ টাকা আয় করতে যেখানে রেলের খরচ হতো ৯৫ দশমিক ৯ পয়সা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেই ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা।

    গত সাড়ে ১৫ বছরে নতুন রেলপথ নির্মাণ, ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহ এবং সংকেতব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এরপরও ট্রেনের ধীরগতি, লাইনচ্যুতি কিংবা কর্মীর অভাবে স্টেশন বন্ধ থাকার মতো সমস্যা পুরোপুরি দূর হয়নি।

    বুয়েটের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামানের মতে, কর্মী সংকটের কথা বলা হলেও রেলের পরিচালন ব্যয় কমেনি। কেনাকাটায় অপচয়, অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে ব্যয়ের বোঝা বাড়ছে।

    তার মতে, শুধু বেতন-ভাতা বাড়িয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান দক্ষ বা প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠে না। সঠিক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মদক্ষতা মূল্যায়নই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানোর মূল চাবিকাঠি।

    বেতন বাড়ছে, কিন্তু সেবা কতটা বাড়বে?

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ফলে রাষ্ট্রের ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৬১ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। নতুন বেতন কাঠামোর ফলে এ খাতে সরকারের ব্যয় আরও প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা বাড়বে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।

    এই বাড়তি অর্থের জোগান শেষ পর্যন্ত জনগণের কর ও অন্যান্য রাজস্ব থেকেই আসবে। তাই সরকারি কর্মীদের আয় বাড়ার পাশাপাশি নাগরিক সেবার মান, কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিও বাড়ছে কি না—এ প্রশ্ন এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যার সমাধান শুধু নতুন পদ সৃষ্টি বা বেতন-ভাতা বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সরকারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করতে প্রয়োজন নিয়মিত কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতি, জবাবদিহি এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পেশাদার প্রশাসন।

    এর সঙ্গে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান পরিমাপের কার্যকর ব্যবস্থা চালু করা গেলে একই জনবল ও অর্থের বিপরীতে জনগণ আরও ভালো সেবা পেতে পারে।

    অর্থাৎ রাষ্ট্রের বড় চ্যালেঞ্জ এখন শুধু কতজন সরকারি কর্মচারী আছেন, তা নয়; বরং এই বিপুল জনবল ও সরকারি ব্যয়ের বিনিময়ে নাগরিকরা কতটা মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন—সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    খেলাপিরা যেভাবে শেষ হাসি হাসছেন

    সেপ্টেম্বর 6, 2026
    অর্থনীতি

    যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে আবারও চড়ল তেলের দাম

    সেপ্টেম্বর 6, 2026
    বাণিজ্য

    যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখল বাংলাদেশ

    সেপ্টেম্বর 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.