Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, সেপ্টে. 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এক বছরে টাকা ছাপানোর খরচ বাড়ল ২২৪ কোটি টাকা
    অর্থনীতি

    এক বছরে টাকা ছাপানোর খরচ বাড়ল ২২৪ কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 8, 2026সেপ্টেম্বর 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে ব্যাংকনোট ছাপানোর ব্যয় এক বছরের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে নতুন নোট ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ টাকার বেশি। আগের অর্থবছরে এই ব্যয় ছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

    অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে নোট ছাপানোর খরচ বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা।বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫–২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    মুদ্রা ব্যবস্থাপনার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে থাকা পুরোনো ও ক্ষয়প্রাপ্ত নোট তুলে নেয়। এরপর সেগুলোর পরিবর্তে নতুন নোট ছাপিয়ে বাজারে সরবরাহ করা হয়।

    নোট ছাপাতে ব্যবহৃত বিশেষ নিরাপত্তা কাগজ, কালি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষায়িত সরবরাহকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশে ব্যাংকনোট ছাপানোর দায়িত্বে রয়েছে দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড (এসপিসিবিএল)।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে নোট ছাপাতে ব্যয় হয়েছিল ৩৩৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার বেশি। এর আগে ২০২২–২৩ অর্থবছরে ব্যয় হয় ৩৭৪ কোটি ৩ লাখ এবং ২০২১–২২ অর্থবছরে ৩৮৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরেই ব্যাংকনোট ছাপাতে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসাইন খান জানিয়েছেন, ব্যাংকনোট তৈরিতে ব্যবহৃত কাগজ ও কালি বিশেষ ধরনের হওয়ায় এগুলোর সরবরাহকারীও সীমিত। ফলে দাম নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ কম থাকে।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কাগজের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের বিঘ্নও নোট ছাপানোর খরচ বাড়ার অন্যতম কারণ।

    ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির পরিবর্তে নতুন নকশার ব্যাংকনোট চালুর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটের নকশা পরিবর্তনের কাজ চলছে।

    তবে নোটের নকশা পরিবর্তনের কারণে ব্যয় এতটা বেড়েছে—এমন ধারণা নাকচ করেছেন আরিফ হোসাইন খান।

    তার ভাষ্য, নোটের নকশা পরিবর্তনের জন্য যে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে, তা খুবই সামান্য। বরং কাগজ ও কালির দাম বেড়ে যাওয়াই নোট ছাপানোর ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের বিমান কেনার চুক্তি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট

    সেপ্টেম্বর 25, 2026
    অর্থনীতি

    ক্ষুদ্রঋণ খাতে নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চায় এমআরএ, পর্ষদ বাতিলের ক্ষমতার প্রস্তাব

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    অর্থনীতি

    জ্বালানি ও নীতিগত চাপে আবার ৯ শতাংশে ফিরতে পারে মূল্যস্ফীতি

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.