Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, সেপ্টে. 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিশ্ববাজারে উচ্চমূল্যের পোশাকে পিছিয়ে বাংলাদেশ, বেসিক পণ্যের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে
    অর্থনীতি

    বিশ্ববাজারে উচ্চমূল্যের পোশাকে পিছিয়ে বাংলাদেশ, বেসিক পণ্যের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত দীর্ঘদিন ধরে দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। কম খরচে বড় পরিমাণ পোশাক উৎপাদনের সক্ষমতার কারণে বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ। তবে বৈশ্বিক পোশাক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চমূল্যের ও বৈচিত্র্যময় পোশাক রপ্তানিতে এখনো পিছিয়ে রয়েছে দেশটি।

    বিশ্লেষণ বলছে, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির বড় অংশ এখনো টি-শার্ট, প্যান্ট, সোয়েটার, অন্তর্বাস ও শিশুদের পোশাকের মতো সাধারণ বা বেসিক পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে আউটারওয়্যার, স্পোর্টসওয়্যার, টেকনিক্যাল পোশাক, ডিজাইনার পোশাক ও বিশেষায়িত পণ্যের মতো বেশি মূল্য সংযোজনকারী খাতে বাংলাদেশের অংশ তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

    ২০২৫ সালের পোশাক রপ্তানির তথ্য বিশ্লেষণ করলে এই চিত্র আরও স্পষ্ট হয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ওই বছরে বাংলাদেশ প্রায় ৩৮ দশমিক ৮২৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪২৬ বিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ৭৬ দশমিক ৯৪ শতাংশই বেসিক বা সাধারণ ক্যাটাগরির পণ্য। অথচ বিশ্বব্যাপী মোট পোশাক বাণিজ্যে এই ধরনের পণ্যের অংশ প্রায় ৬১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

    অর্থাৎ বিশ্ববাজারের তুলনায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি সাধারণ পণ্যের ওপর প্রায় ১৫ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি নির্ভরশীল।

    বাংলাদেশের রপ্তানি তালিকায় সবচেয়ে বড় অংশ দখল করে আছে বটমওয়্যার বা প্যান্টজাতীয় পোশাক। দেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৩৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ আসে এই খাত থেকে। অথচ বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে এই ধরনের পণ্যের অংশ ২১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    একই প্রবণতা দেখা যায় টি-শার্টের ক্ষেত্রেও। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ আসে টি-শার্ট থেকে, যেখানে বিশ্ববাজারে এই পণ্যের অংশ ১০ দশমিক ০৯ শতাংশ।

    এই পরিসংখ্যান দেখায়, বাংলাদেশ বড় পরিমাণে পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানি করতে পারলেও পণ্যের বৈচিত্র্য ও মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে রয়েছে।

    বিশেষ করে ছোট পোশাক আনুষঙ্গিক পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল। বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে ছোট অ্যাক্সেসরিজের অংশ প্রায় ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ হলেও বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে এর অংশ মাত্র ০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

    অর্থাৎ বিশ্ববাজারের তুলনায় এই খাতে বাংলাদেশের অংশ প্রায় ২১ গুণ কম। এটি শুধু একটি খাতের দুর্বলতা নয়, বরং পুরো পোশাক শিল্পের পণ্য বৈচিত্র্যের সীমাবদ্ধতাকেও তুলে ধরে।

    বেসিক ও উচ্চমূল্যের পোশাকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা শার্ট ও ব্লাউজের মতো সেমি-বেসিক পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা ভালো। দেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ আসে এই শ্রেণির পণ্য থেকে। বিশ্ববাজারে এই ধরনের পণ্যের অংশ ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

    তবে ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় সম্ভাবনার জায়গা রয়েছে উচ্চমূল্যের পোশাকে। আউটারওয়্যার, ড্রেস, টেকনিক্যাল পোশাক, স্পোর্টসওয়্যার এবং স্যুটের মতো উন্নত ক্যাটাগরির পণ্যের বাজার বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে।

    কিন্তু এই খাতে বাংলাদেশের অংশ এখনো খুব সীমিত। এসব উচ্চমূল্যের পণ্যের সম্মিলিত অংশ বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির মাত্র ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। অথচ বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে এই ক্যাটাগরির অংশ ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

    সবচেয়ে বড় ব্যবধান দেখা যায় আউটারওয়্যারের ক্ষেত্রে। বিশ্ববাজারে মোট পোশাক রপ্তানির ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ আসে আউটারওয়্যার থেকে। কিন্তু বাংলাদেশের রপ্তানি তালিকায় এই পণ্যের অংশ মাত্র ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

    বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প দীর্ঘদিন ধরে বেসিক পণ্যের ওপর নির্ভর করে সফলতা অর্জন করেছে। তবে বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।

    তার মতে, শুধু একই ধরনের পোশাকের পরিমাণ বাড়িয়ে ভবিষ্যতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হবে। এখন প্রয়োজন উচ্চমূল্যের ও বিশেষায়িত পোশাক উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়ানো।

    তিনি বলেন, আউটারওয়্যার, স্পোর্টসওয়্যার, টেকনিক্যাল পোশাক, ড্রেসসহ বিভিন্ন উন্নত পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে যে অংশটি বাংলাদেশ দখল করতে পারেনি, সেটিই ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির নতুন ক্ষেত্র হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের পোশাক খাতের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিমাণভিত্তিক উৎপাদন থেকে মূল্যভিত্তিক উৎপাদনের দিকে যাওয়া।

    এজন্য সিনথেটিক ও নন-কটন পোশাক, প্রযুক্তিনির্ভর টেক্সটাইল, ক্রীড়া পোশাক এবং বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ডিজাইন সক্ষমতা, গবেষণা, দক্ষ জনবল এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ানো প্রয়োজন।

    কারণ একই পরিমাণ পোশাক রপ্তানি করেও যদি বেশি মূল্য সংযোজন করা যায়, তাহলে রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় রপ্তানিকারক হলেও ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শুধু উৎপাদনের পরিমাণ নয়, পণ্যের মান ও বৈচিত্র্যের দিকেও নজর দিতে হবে।

    বিশ্ববাজার এখন কম দামের পোশাকের পাশাপাশি নতুন ডিজাইন, প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের দিকে এগোচ্ছে। এই পরিবর্তিত বাজারে বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ রয়েছে, তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বেসিক পোশাকের নির্ভরতা কমিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    জ্বালানি চাহিদা মেটাতে কাতার থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কিনছে সরকার

    সেপ্টেম্বর 23, 2026
    অর্থনীতি

    আমন মৌসুমে ১০৬ কোটি টাকায় এক কোটি পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সেপ্টেম্বর 23, 2026
    বিশেষ বিশ্লেষণ

    ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি: কৃষকের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’

    সেপ্টেম্বর 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.