বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের নতুন বিমান কেনার চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বাংলাদেশ ও তুরস্কের সঙ্গে বোয়িংয়ের নতুন বাণিজ্যিক চুক্তিকে প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বৃহস্পতিবার দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প বলেন, চুক্তিগুলো শুধু বোয়িংয়ের জন্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও দেশটির কর্মসংস্থানের জন্যও বড় ধরনের ইতিবাচক ঘটনা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বুধবার বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য সম্পূরক চুক্তি সই করে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িংয়ের পাঁচটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ মডেলের উড়োজাহাজ সংগ্রহ করবে।
ট্রাম্পের পোস্টে এই চুক্তির পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের সঙ্গে বোয়িংয়ের বৃহত্তর বাণিজ্যিক চুক্তির কথাও উঠে আসে। তার দাবি অনুযায়ী, দুই দেশ মিলিয়ে মোট ১১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিয়েছে। এর সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, হাজার হাজার কোটি ডলারের এসব রপ্তানি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ট্রাম্প বিশেষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাত ও শ্রমিকদের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পণ্য এবং মার্কিন শ্রমিকদের কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিলে প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি উভয়ই শক্তিশালী হয়।
বোয়িংয়ের সঙ্গে এই চুক্তিকে কেন্দ্র করে মার্কিন উৎপাদন ও রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে—এমন বার্তাই দিয়েছেন ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে।

