Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, সেপ্টে. 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কটন নির্ভরতা কাটছে না, বৈচিত্র্য আনতে চাপের মুখে পোশাক খাত
    অর্থনীতি

    কটন নির্ভরতা কাটছে না, বৈচিত্র্য আনতে চাপের মুখে পোশাক খাত

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করলেও রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য এখনো সীমিত। দেশের পোশাক রপ্তানির বড় অংশ এখনো মৌলিক বা কম মূল্য সংযোজনের পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে উচ্চমূল্যের, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বিশেষায়িত পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম।

    বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের (বিএভি) এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৭৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ ছিল মৌলিক পণ্য। যেখানে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে মৌলিক পণ্যের অংশ ছিল ৬১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

    ২০২৫ সালে বাংলাদেশ মোট ৩৮ দশমিক ৮২৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪২৬ বিলিয়ন ডলার।

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কয়েকটি নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর বেশি নির্ভরশীল। এর মধ্যে বটমওয়্যার বা প্যান্ট, শর্টস ও স্কার্ট জাতীয় পণ্যের অংশ সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৩৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এসেছে এই খাত থেকে। অথচ বৈশ্বিক বাজারে বটমওয়্যারের অংশ ২১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    টি-শার্ট ও ভেস্ট থেকেও বাংলাদেশের বড় পরিমাণ রপ্তানি আয় আসে। এই পণ্যের অংশ বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। বিশ্ববাজারে একই পণ্যের অংশ মাত্র ১০ দশমিক ০৯ শতাংশ।অন্যদিকে উচ্চমূল্যের পোশাকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলক দুর্বল। যেমন আউটারওয়্যার বা জ্যাকেট, কোট ধরনের পোশাক বাংলাদেশের মোট রপ্তানির মাত্র ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অথচ বৈশ্বিক বাজারে এই পণ্যের অংশ ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

    একইভাবে অ্যাকসেসরিজ, গ্লাভস ও হোসিয়ারির মতো পণ্যে বাংলাদেশের অংশ মাত্র শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ, যেখানে বিশ্ববাজারে এই খাতের অংশ ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ।আউটারওয়্যার, ড্রেস, টেকনিক্যাল পোশাক, স্পোর্টসওয়্যার এবং স্যুট—এই উচ্চমূল্যের পণ্যগুলো মিলিয়ে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির অংশ মাত্র ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। অথচ বৈশ্বিক বাজারে এসব পণ্যের অংশ প্রায় ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

    শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের দিকে যাচ্ছে, তখন পোশাক খাতে বৈচিত্র্য আনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ ভবিষ্যতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বাণিজ্য সুবিধার পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হতে পারে।

    বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, শুধু রপ্তানির পরিমাণ বাড়ালেই হবে না, পণ্যের ধরন পরিবর্তন এবং উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
    শিল্প নেতাদের মতে, ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় সুযোগ রয়েছে ম্যান-মেইড ফাইবার (এমএমএফ), সিনথেটিক এবং কার্যকরী পোশাকের বাজারে।

    বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বাবলু বলেন, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রায় ৭৫ শতাংশ টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্য নন-কটন বা তুলাবহির্ভূত উপাদানভিত্তিক। কিন্তু বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে নন-কটন পণ্যের অংশ মাত্র প্রায় ২৭ শতাংশ।তার মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এমএমএফ এবং অন্যান্য আধুনিক পোশাক উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

    অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে হলে উচ্চমূল্যের নন-কটন পণ্য, প্রযুক্তিনির্ভর পোশাক এবং নতুন ফ্যাশন সেগমেন্টে প্রবেশ করতে হবে।
    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে শুধু উৎপাদন সক্ষমতা নয়, ডিজাইন উন্নয়ন, গবেষণা ও উন্নয়ন, দক্ষ জনবল, মান নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

    এ ছাড়া উন্নত কাঁচামাল, বিশেষ করে এমএমএফ ও অন্যান্য আধুনিক উপকরণের জন্য শক্তিশালী স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলাও গুরুত্বপূর্ণ।তবে বিশ্লেষণে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি তথ্যের মধ্যেও কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) দুই অঙ্ক ও ছয় অঙ্কের হারমোনাইজড সিস্টেম (এইচএস) কোডভিত্তিক তথ্যের মধ্যে প্রায় ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ পার্থক্য পাওয়া গেছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১ দশমিক ৩১৩ বিলিয়ন ডলার।একই ধরনের বৈশ্বিক তথ্যের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য ছিল মাত্র শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ।

    সব মিলিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশাল রপ্তানি সক্ষমতা অর্জন করলেও এখনো সীমিত কয়েকটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে হলে ভবিষ্যতে উচ্চমূল্যের, প্রযুক্তিনির্ভর ও বৈচিত্র্যময় পোশাক উৎপাদনের দিকে এগোনোই হবে এই খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    আবহাওয়ার অনিশ্চয়তায় লবণ শিল্পে সংকট, এক বছরে দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ

    সেপ্টেম্বর 26, 2026
    অর্থনীতি

    তৈরি পোশাকে মৌলিক পণ্যের নির্ভরতা, বৈচিত্র্যে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    সেপ্টেম্বর 26, 2026
    অর্থনীতি

    তিন মাসেই শেষ ভর্তুকির ৪৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ-এলএনজিতে বাড়ছে সরকারের চাপ

    সেপ্টেম্বর 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.