Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, অক্টো. 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় সুন্দরবনসংলগ্ন ২৪টি অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদের নির্দেশ
    অর্থনীতি

    পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় সুন্দরবনসংলগ্ন ২৪টি অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদের নির্দেশ

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 13, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের চারপাশের সংবেদনশীল প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলে কোনো ধরনের পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই গড়ে উঠেছে অন্তত ২৪টি বাণিজ্যিক রিসোর্ট। অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার সুন্দরবনসংলগ্ন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ট্রেড লাইসেন্সের কাগজপত্রে গড়ে ওঠা এই রিসোর্টগুলো বন্ধের পাশাপাশি আগামী ত্রিশ দিনের মধ্যে সমস্ত স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার লিখিত নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। শত শত কোটি টাকার পর্যটন ব্যবসা এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকার নতুন দিগন্ত যখন একদিকে প্রসারিত হচ্ছে, ঠিক তখনই এই উচ্ছেদ নোটিশ পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও পরিবেশগত সুরক্ষার দীর্ঘমেয়াদি প্রশ্নগুলোকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসে এক জটিল অর্থনৈতিক সংকটের জন্ম দিয়েছে।

    খুলনাঞ্চলের এই সুন্দরবনভিত্তিক পর্যটন ব্যবসার সূত্রপাত হয়েছিল আজ থেকে প্রায় দেড় যুগ আগে ২০০৯ সালে সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জে একটিমাত্র ইকো কটেজ তৈরির মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে বিভিন্ন বেসরকারি দাতা সংস্থার সহায়তায় খুলনার দাকোপে ১০টি রিসোর্ট নির্মিত হলেও সেগুলোর অধিকাংশই পরে বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু গত তিন চার বছরে নতুন উৎসাহে এবং কোনো সুনির্দিষ্ট মাস্টারপ্ল্যান বা সমন্বিত নীতিমালা ছাড়াই যত্রতত্র গড়ে উঠেছে আরও বহু কটেজ ও রিসোর্ট। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী শনাক্ত হওয়া ২৪টি রিসোর্টের মধ্যে ১৮টিই অবস্থিত খুলনার দাকোপ উপজেলায়, বাকিগুলোর মধ্যে চারটি সাতক্ষীরায় এবং দুটি বাগেরহাটের মোংলা এলাকায় বিস্তৃত। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে নির্মিত হওয়ার কারণে এতদিন বন বিভাগের প্রত্যক্ষ আইনি এখতিয়ার না থাকায় মালিকেরা এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে তাদের ব্যবসার পরিধি বাড়িয়ে চলেছেন।

    রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন ও ব্যবসায়ীদের দাবি তারা ২০১০ সালের জাতীয় পর্যটন নীতিমালার মূল চেতনা মেনেই নিজস্ব জমিতে এসব নান্দনিক স্থাপনা গড়ে তুলেছেন। ইরাবটি বা বনমালী রিসোর্টের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে একেকজন উদ্যোক্তা সোয়া কোটি থেকে শুরু করে দুই থেকে তিন কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছেন এবং নিয়মমাফিক জেলা প্রশাসনের অনুমতির জন্য আবেদনও করেছিলেন। কিন্তু সুন্দরবনের চারপাশের দশ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ জোন ঘোষণা করায় পরিবেশ অধিদপ্তর তাদের সমস্ত আবেদন গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে বাতিল করে দেয়। উদ্যোক্তাদের প্রধান প্রশ্ন হলো রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কিংবা মোংলা ইপিজেডের মতো ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যদি ইসিএ জোনে থেকেও পরিবেশগত ছাড়পত্র পেতে পারে, তবে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী এই ইকো রিসোর্টগুলো কেন ছাড়পত্র পাবে না।

    ব্যবসায়ীদের যুক্তি এই রিসোর্টগুলো গড়ে ওঠার ফলে এককালে বনের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় মানুষেরা একটি বিকল্প আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছে এবং জলদস্যুদের দৌরাত্ম্যও অনেকখানি কমে গেছে। প্রতিটি রিসোর্টে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে উল্টো চিত্রও কম বিপজ্জনক নয়। বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং পরিবেশবাদীদের জোরালো বক্তব্য হলো এসব রিসোর্ট থেকে পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ, বিকট শব্দে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে গানবাজনা, রাতভর কৃত্রিম আলোর তীব্র ঝলকানি এবং যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলার কারণে বনের ভেতরকার বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শব্দদূষণ এবং মানবসৃষ্ট কোলাহলের কারণে বাঘ বা হরিণের মতো সংবেদনশীল প্রাণীদের প্রজনন ও চলাচলের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হচ্ছে, যা গোটা ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেমের জন্য এক নীরব বিপদের ঘণ্টা।

    পরিবেশ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা এখন সম্পূর্ণ কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে ইসিএ জোনের ভেতরে কোনো বাণিজ্যিক রিসোর্ট পরিচালনার কোনো আইনি সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় এই অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে না নিলে খুব দ্রুতই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সরাসরি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। একদিকে বিশাল অংকের ব্যক্তিগত বিনিয়োগ রক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখার চাপ, অন্যদিকে বিশ্বমানের এই প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকে চিরতরে বাঁচিয়ে রাখার ঐতিহাসিক দায়িত্ব; এই দুইয়ের টানাপোড়েনে সুন্দরবনের কোলঘেঁষা পর্যটন ব্যবসার ভবিষ্যৎ এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ফলশ্রুতিতে দীর্ঘমেয়াদে সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষা এবং পরিকল্পিত পর্যটনবান্ধব একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা ছাড়া এই জটিল সংকটের কোনো টেকসই সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    দুই বছরে অগ্রগতি মাত্র ১৬ শতাংশ: সিলেটের দুই কূপ খননে ফের সময় চাইছে এসজিএফএল

    অক্টোবর 13, 2026
    অর্থনীতি

    করের হার বাড়িয়ে রাজস্ব বাড়ার আশা করা যে কারণে বোকামি; করহার, করজাল ও কর ফাঁকির অর্থনীতি

    অক্টোবর 13, 2026
    অর্থনীতি

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৩.২ শতাংশ: আইএমএফ

    অক্টোবর 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.