Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, অক্টো. 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এমআরএ এর নির্দেশনা: গ্রাহক মারা গেলে ক্ষুদ্রঋণ মওকুফ, দাফনে মিলবে অন্তত ৫ হাজার টাকা
    অর্থনীতি

    এমআরএ এর নির্দেশনা: গ্রাহক মারা গেলে ক্ষুদ্রঋণ মওকুফ, দাফনে মিলবে অন্তত ৫ হাজার টাকা

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 14, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ক্ষুদ্রঋণ নেওয়া কোনো গ্রাহকের মৃত্যু হলে তাঁর অবশিষ্ট মূল ঋণ পুরোপুরি মওকুফ করতে হবে। মৃত্যুর পর কোনো সার্ভিস চার্জও আদায় করা যাবে না। এই সুবিধা দিতে ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে বিতরণ করা ঋণের সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হারে ফি নেওয়া যাবে। ক্ষুদ্রঋণ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) গতকাল সোমবার এক সার্কুলারে এ নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে এ জন্য আলাদা তহবিল গঠন করতে বলা হয়েছে।

    ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা এবং গ্রাহকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতেই নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এমআরএ।

    সার্কুলার অনুযায়ী, ঋণ মওকুফের পাশাপাশি মৃত গ্রাহকের জমা করা সঞ্চয় মুনাফাসহ দ্রুত নমিনি বা বৈধ উত্তরাধিকারীকে ফেরত দিতে হবে। মৃতের পরিবারকে দাফন বা সৎকারের জন্য এককালীন কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু গ্রাহক নন, তাঁর অভিভাবক বা পরিবারের প্রধান উপার্জনকারীর মৃত্যু হলেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে।

    প্রতিটি ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানকে ‘গ্রাহক কল্যাণ তহবিল’ নামে একটি পৃথক তহবিল গঠন করতে হবে। বিতরণ করা ঋণের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করে এই তহবিল তৈরি করা যাবে। ঋণ দেওয়ার সময়ই গ্রাহককে লিখিতভাবে জানাতে হবে, কত টাকা কাটা হচ্ছে, কেন কাটা হচ্ছে এবং এর বিনিময়ে তিনি কী সুবিধা পাবেন।

    সুবিধা পরিশোধের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে এমআরএ। দাফন বা সৎকারের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে দিতে হবে। আর ঋণ মওকুফ ও সঞ্চয় ফেরত দিতে হবে সর্বোচ্চ ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে। এ জন্য মৃত্যুসনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো ন্যূনতম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে হবে। তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্বৃত্ত থেকে দাবি মেটাতে হবে, যা সামাজিক খাতের ব্যয় হিসেবে গণ্য হবে।

    তহবিলের অর্থ ব্যবহারেও কড়াকড়ি আছে। এই অর্থ কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় হিসেবে দেখানো বা অন্য খাতে সরানো যাবে না। তবে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে উদ্বৃত্ত অর্থ ক্ষুদ্রঋণ হিসেবে বিতরণ করা কিংবা শুধু তফসিলি ব্যাংকে বিনিয়োগ করা যাবে। তহবিলের হিসাব আলাদাভাবে রাখতে হবে, আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করতে হবে এবং বহিঃনিরীক্ষক দিয়ে নিরীক্ষা করাতে হবে।

    এমআরএর নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আগে থেকেই গ্রাহক কল্যাণ তহবিল ছিল, কিন্তু এর গঠন ও ব্যবহারের কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড ছিল না। গ্রাহক বা পরিবারের প্রধানের মৃত্যুতে ঋণ আদায় নিশ্চিত করার নামে প্রতিষ্ঠানগুলো এক থেকে দেড় শতাংশ পর্যন্ত ফি নিত। অথচ মৃত্যুজনিত ঋণ মওকুফে এই তহবিলের এক-তৃতীয়াংশ অর্থও খরচ হতো না। তাই ফির হার, তহবিলের ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার নীতিমালা করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে ফির হারে। এমআরএর নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যানের বক্তব্য অনুযায়ী, আগে অনেক প্রতিষ্ঠান এক থেকে দেড় শতাংশ ফি নিলেও প্রকৃত খরচ হতো তার এক-তৃতীয়াংশেরও কম। এখন সর্বোচ্চ সীমা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেঁধে দেওয়ায় ঋণগ্রহীতাদের ওপর বাড়তি চাপ কমার সুযোগ তৈরি হলো। তবে শুধু হার কমালেই হবে না, ফি কাটার সময় গ্রাহককে লিখিতভাবে জানানোর বাধ্যবাধকতা ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, সেটিও নজরে রাখতে হবে।

    মৃত্যুর পর পরিবারের ওপর ঋণের বোঝা থাকবে না, দাফনের খরচও মিলবে, এতে সংকটের সময়ে ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতার পরিবার অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাবে। আবার তহবিলের টাকা আলাদা রাখা, নিরীক্ষা করানো ও প্রকাশ করার শর্ত থাকায় অর্থের অপব্যবহারের ঝুঁকিও কমবে। তবে বাস্তবে এসব নির্দেশনা সব প্রতিষ্ঠান কতটা মানছে এবং ৩০ কর্মদিবসের সময়সীমা কতটা রক্ষা হচ্ছে, তার ওপরই নির্ভর করবে এই উদ্যোগের সাফল্য।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বিশ্বব্যাংকের কাছে ২ বছরের আর্থিক সুরক্ষা চাইল বাংলাদেশ

    অক্টোবর 14, 2026
    অর্থনীতি

    ১৫ শতাংশ ভ্যাট সত্ত্বেও কর-জিডিপি অনুপাতে এশিয়ায় সবার নিচে বাংলাদেশ

    অক্টোবর 14, 2026
    অর্থনীতি

    লুটপাটের দায় কি জনগণের ঘাড়েই: স্বস্তির খোঁজে দেশের জনগণ

    অক্টোবর 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.