Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, অক্টো. 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » আইএমএফের সহায়তা চায় সরকার, লক্ষ্য ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি
    অর্থনীতি

    আইএমএফের সহায়তা চায় সরকার, লক্ষ্য ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 19, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ব্যাংক খাতের ক্ষত সারানো, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর আদায় বাড়ানো এবং বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরানো, বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এই বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে চায় সরকার। এ জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীর কাছে এমন অর্থায়ন ও সংস্কার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে, যা বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সরকারের যুক্তি, সব দেশের জন্য একই ধরনের সংস্কারনীতি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে। ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য সামনে রেখে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি কৌশলগত পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন পত্রিকাটির প্রতিবেদক ইসমাইল হোসেন।

    উপদেষ্টা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ তিনটি বিশেষ বাস্তবতা তুলে ধরেছে। অতীতের আর্থিক অনিয়মে ব্যাংক ও অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে তৈরি জ্বালানি ব্যয়ের চাপ এবং স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের কারণে বাণিজ্য ও উন্নয়ন অর্থায়নে যে পরিবর্তন আসবে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে সহযোগিতা চায় সরকার। তাঁর বক্তব্য, সংস্কারের অগ্রাধিকার নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের হাতেই থাকা উচিত। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চললেও বাংলাদেশ নিজের সংস্কার কর্মসূচির মালিকানা ধরে রাখতে চায়। তবে এ বিষয়ে কারিগরি আলোচনা এখনো চলছে। সংশ্লিষ্ট ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের বোর্ডের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পরই অর্থ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। সরকারের প্রত্যাশা, ডিসেম্বর নাগাদ অনুমোদন ও প্রথম দফার অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া এগোতে পারে।

    বাংলাদেশের জন্য সহজ শর্তে উন্নয়ন অর্থায়ন পাওয়াও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বব্যাংকের স্বল্পসুদে ঋণ দেওয়া প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) পরবর্তী তহবিল পুনর্ভরণে বেশি অর্থ পাওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা, রপ্তানি বাড়ানো এবং উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে নিজস্ব রাজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। এ কারণেই সরকারের বক্তব্য, অর্থায়নের শর্ত ও সংস্কার কর্মসূচি নির্ধারণের সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুর্বলতা, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা এবং বাণিজ্যিক রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় রাখা দরকার।

    দেশের ব্যাংক খাতের দুরবস্থা কাটিয়ে আর্থিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলে হিসাব দিয়েছেন উপদেষ্টা। তাঁর ভাষায়, অতীতের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা থেকে ব্যাংক খাতকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে এটি একটি রক্ষণশীল হিসাব। তবে সাক্ষাৎকারে এই হিসাবের বিস্তারিত পদ্ধতি বা খাতভিত্তিক ব্যয়ের বিভাজন তুলে ধরা হয়নি। ফলে অঙ্কটিকে চূড়ান্ত নিরীক্ষিত ক্ষতির হিসাব বা অনুমোদিত সরকারি বরাদ্দ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি উপদেষ্টার দেওয়া আনুমানিক হিসাব।

    ব্যাংক খাতের দুর্বলতার প্রভাব শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবের খাতায় আটকে নেই বলেও মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়া, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়া, চাকরি হারানো এবং দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ বাড়িয়েছে। দুর্বল পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনকে তিনি আস্থা ফেরানোর একটি পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া ১ সেপ্টেম্বর থেকে ধাপে ধাপে শুরু হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় কিছু আমানতকারীর ফেরত পাওয়ার পরিমাণ সীমিত করার ব্যবস্থাও রয়েছে। ব্যাংক খাত পুনর্গঠনের বড় আর্থিক প্রয়োজনের পাশাপাশি আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা ও ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক করাও এখন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

    বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি কম থাকাকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন উপদেষ্টা। তাঁর মতে, মাত্র ৫ শতাংশ ঋণপ্রবৃদ্ধি কোনো দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফেরানোর জন্য যথেষ্ট নয়। ডিসেম্বরের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ৮০ হাজার কোটি থেকে এক লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করার লক্ষ্যের কথাও বলেছেন তিনি। তবে এ অঙ্কের হিসাবকাল ও হিসাবপদ্ধতি সাক্ষাৎকারের প্রতিবেদনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়নি। অর্থাৎ, এটিকে নির্দিষ্ট সময়ের ঋণ বিতরণের লক্ষ্য হিসেবে ব্যাখ্যা করার আগে আরও তথ্য প্রয়োজন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের আগস্ট ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক সূচকেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিসুদ ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করেছিল। অর্থাৎ, সুদহার কিছুটা কমানোর পরও বেসরকারি ঋণপ্রবৃদ্ধি দুর্বল ছিল। উপদেষ্টা মনে করেন, অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি ফেরাতে আরও সহায়ক সুদনীতি প্রয়োজন হতে পারে। এ ছাড়া সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ তৈরির কথাও জানিয়েছে। তবে বিনিয়োগ বাড়াতে শুধু সুদ কমানো বা প্রণোদনা ঘোষণা যথেষ্ট হবে না। ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা, উদ্যোক্তাদের আস্থা, জ্বালানি সরবরাহ এবং ব্যবসার পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশের অতিরিক্ত ব্যয় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, গত আট মাসে এই অতিরিক্ত ব্যয় ৪ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই হিসাবের পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, আমদানিনির্ভরতা এবং দেশের ভেতরে পর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান না হওয়ার মতো বিষয় কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকার জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের বাড়তি ব্যয় এক ধাপে সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপিয়ে না দিয়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সীমিত রাখার চেষ্টা করছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ কিছুটা কমানোর সুযোগ তৈরি হলেও সরকারের নিজস্ব ব্যয়ের চাপ বাড়তে পারে। কারণ একই সময়ে ব্যাংক খাত পুনর্গঠন, শিল্পে গতি ফেরানো এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির জন্যও অর্থের প্রয়োজন রয়েছে।

    অর্থনীতির এই চাপগুলোকে আলাদা আলাদা সমস্যা হিসেবে নয়, বরং পরস্পর সম্পর্কিত বিষয় হিসেবে দেখছে সরকার। জ্বালানি ব্যয় বাড়লে উৎপাদন খরচ বাড়ে, এতে পণ্যের দাম ও শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা ও ঋণপ্রবৃদ্ধির স্থবিরতা নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা, ঋণপ্রবাহ ও শিল্প পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনাকে একই কাঠামোর মধ্যে এগিয়ে নিতে চায় সরকার। উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের অফশোর জ্বালানি ব্লকে আগ্রহ, মাতারবাড়ীকে জ্বালানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা এবং চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করেছেন।

    দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে থাকাকে রাজস্ব ব্যবস্থার বড় দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন উপদেষ্টা। আগামী পাঁচ বছরে এই অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। লক্ষ্য পূরণে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আমদানি পর্যায়ের শুল্ক আদায় বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঠামোতেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। রাজস্বনীতি প্রণয়ন এবং কর আদায়ের কাজ পৃথক করার লক্ষ্যে একটি ঐকমত্য কমিটি বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে খসড়া সুপারিশ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে নির্বাহী আদেশ জারির প্রক্রিয়া চলছে। তবে আদেশটি জারি হয়েছে, এমন তথ্য সাক্ষাৎকারে দেওয়া হয়নি। উপদেষ্টার আরও দাবি, প্রশাসনিক উদ্যোগের ফলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

    কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো সরকারের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ, তার উত্তর শুধু বাজেটের ঘাটতি কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিজস্ব রাজস্ব বাড়লে অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় বাড়াতে ঋণনির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়। সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায়ও মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তবে লক্ষ্য অর্জনের জন্য শুধু প্রশাসনিক কাঠামো বদলালেই হবে না। করের আওতা বাড়ানো, কর ফাঁকি কমানো, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং ব্যবসার জন্য পূর্বানুমানযোগ্য কর পরিবেশ তৈরি করাও প্রয়োজন হবে।

    মূল্যস্ফীতির প্রভাব কমাতে পরিবার কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচিকে সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন উপদেষ্টা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ২৩ দিনের মধ্যে পরিবার কার্ড চালু করা হয়েছে এবং প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী, পরিবার কার্ড কর্মসূচি পাঁচ বছরে দারিদ্র্যের হার পাঁচ শতাংশীয় পয়েন্ট কমাতে পারে। তবে সাক্ষাৎকারে ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম বা প্রতিবেদনের সূত্র দেওয়া হয়নি। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ কর্মসূচিগুলোকে মূল্যস্ফীতির প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ বলে স্বীকার করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন; এই বক্তব্যকে আপাতত উপদেষ্টার দাবি হিসেবেই দেখা উচিত। তাঁর হিসাবে, নির্বাচনের আগে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গিয়েছিলেন।

    এসব উদ্যোগের পাশাপাশি পাঁচ বছর মেয়াদি ‘ভঙ্গুরতা থেকে সমৃদ্ধির পথে’ কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনীতিকে তিন ধাপে এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পুনরুদ্ধার, দ্বিতীয় ধাপে প্রবৃদ্ধির গতি ফিরিয়ে আনা এবং তৃতীয় ধাপে দ্রুত পুনর্গঠন ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে। এই তিন ধাপকে একত্রে ‘থ্রি আর’ কৌশল বলা হচ্ছে। এর চূড়ান্ত লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধাপে ধাপে জিডিপির ৫ শতাংশের দিকে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলেছেন উপদেষ্টা। এসব লক্ষ্য অর্জনে রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ব্যাংক খাত পুনর্গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনার মতো কঠিন কাজগুলোকে একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। আইএমএফের কাছে বাংলাদেশের নিজস্ব বাস্তবতার ভিত্তিতে সহায়তার যে দাবি সরকার জানিয়েছে, তার কার্যকারিতা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে এসব অঙ্গীকার কতটা বাস্তবে রূপ পায় তার ওপর।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বিশাল বৈশ্বিক বাজার, তবু খেলনা রপ্তানিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    অক্টোবর 19, 2026
    অর্থনীতি

    পাচার করা অর্থ ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করছে বাংলাদেশ

    অক্টোবর 19, 2026
    অর্থনীতি

    এসপিএম পরিচালনায় ৩১ মিলিয়ন ডলার বাড়তি ব্যয়ের শঙ্কা

    অক্টোবর 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.