চাঁদাবাজি, রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে পানপাতা রপ্তানিকারক সমিতিকে নিষ্ক্রিয় বাণিজ্য সংগঠন ঘোষণা করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্তের ফলে সমিতিটি আর কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
গত ১৮ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
চিঠিতে সমিতির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পানপাতা রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি, রপ্তানির পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ঘটানো, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চাঁদাবাজি করে রপ্তানি ব্যয় বাড়ানো, চাষিদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত করা এবং রপ্তানির বাজার সংকুচিত করা। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, সমিতিটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কাজ করছে।
এ বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর সচিবালয়ে শুনানি হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে শুনানিটি অনুষ্ঠিত হয়।
দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশ ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক সমিতির (বিএফভিএপিইএ) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর বলেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে রপ্তানিকারকেরা আগের মতো পানপাতা রপ্তানি করতে পারবেন। তাঁর মতে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত পানপাতা রপ্তানি বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, যদিও সিদ্ধান্ত নিতে দীর্ঘ সময় লেগেছে।
তিনি আরও জানান, প্রায় চার দশক ধরে তাঁদের সমিতির মাধ্যমেই পানপাতা রপ্তানি হয়ে আসছে। এ কাজের জন্য আলাদা কোনো সমিতির প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, পানপাতা রপ্তানিকারক সমিতির নিবন্ধন এর আগেও দুইবার বাতিল করা হয়েছিল।

