জেরার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সমঝোতা বাধ্যতামূলক কোনো চুক্তি নয়। বরং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগগুলো পর্যালোচনা করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
দেশে জ্বালানির চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে পেট্রোবাংলার সঙ্গে আলোচনা করবে জেরা।
প্রতিষ্ঠানটি এলএনজি সরবরাহ থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পর্যন্ত জ্বালানি খাতের বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ খতিয়ে দেখবে।
তবে আলোচনা ও গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। এখনো কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্প, বিনিয়োগের পরিমাণ কিংবা এলএনজি সরবরাহের সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি।
এদিকে চার দিনের সফরে বর্তমানে জাপানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে তিনি এই সফর করছেন।
সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাপানের চিবা প্রদেশের ফুতসু এলাকায় জেরার স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা যাচাইয়ে পেট্রোবাংলা ও জেরার এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে বাস্তবে নতুন সরবরাহব্যবস্থা বা অবকাঠামো প্রকল্প গড়ে উঠবে কি না, তা নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ আলোচনা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ফলাফলের ওপর।

