Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, মে 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে কীভাবে?
    অর্থনীতি

    অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে কীভাবে?

    মনিরুজ্জামানডিসেম্বর 27, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের তৎপরতা সত্ত্বেও দেশের সার্বিক অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ায়নি। তবে অর্থনীতির রক্তক্ষরণ কিছুটা থেমেছে। লুটপাটে নিয়ন্ত্রণ এসেছে এবং অর্থনীতির অধোমুখী ধারা কিছুটা বন্ধ হয়েছে।

    বাজারে ডলারের ঘাটতি অনেকটাই কমেছে। টাকার মানেও স্থিতিশীলতা ফিরেছে। মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করেছে, যদিও এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রধান উপকরণ আস্থার সংকট কাটেনি। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তথাকথিত ‘মব সন্ত্রাস’ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির আক্রমণ এই পরিস্থিতি আরও বাড়িয়েছে।

    অমানতের হার কিছুটা কমলেও ঋণের সুদহার এখনও উচ্চ। বেসরকারি খাতে মন্দা কাটছে না। বিনিয়োগ বাড়ছে না। কর্মসংস্থানের গতি একেবারেই মন্থর। করোনার সংক্রমণের সময় ২০২০ সাল থেকেই অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দা শুরু হয়। পাঁচ বছর ধরে এই মন্দা কম-বেশি অব্যাহত আছে। টানা মন্দার ফলে দেশের অর্থনীতি এক দুষ্টচক্রের মধ্যে আটকে গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের পদক্ষেপে অর্থনীতির বৈদেশিক খাতে স্বস্তি ফিরেছে। তবে অভ্যন্তরীণ খাতে অস্বস্তি এখনও টানা চলছে এবং ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করছে। সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপে দেশের বাইরে টাকা পাচার অনেক কমেছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং রফতানি আয়ও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। একই সঙ্গে আমদানি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। বকেয়া বৈদেশিক ঋণের বড় অংশ পরিশোধের ফলে বাজারে ডলারের চাপ কমেছে।

    ডলারের প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে টাকার মানে স্থিতিশীলতা এসেছে। টাকার বিপরীতে ডলারের মান কিছুটা শক্তিশালী হওয়ার পর্যায়ে চলে এসেছে। তবে রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার জন্য ডলারের দাম কমানো হয়নি। ডলারের সহজলভ্যতার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে চড়া সুদে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের প্রবণতাও কমেছে। সরকারের নেওয়া ঋণগুলোও মূলত স্বল্প সুদের।

    বিগত সরকারের সময়ে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১৩২ টাকায় ওঠেছিল। এখন তা প্রতি ১ ডলারে ১২২ টাকার মধ্যে নেমে এসেছে। গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭ শতাংশের বেশি। রফতানি আয়ও গত অর্থবছরে বেড়েছে পৌনে ৮ শতাংশ, চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত বেড়েছে ০.৬২ শতাংশ।

    বিগত সরকারের সময়ে এই দুই খাতেই প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ছিল। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকগুলোর বদান্যতায় হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্সের অর্থ বিদেশে পাচার হতো বা দেশে আসত না। একইভাবে রফতানি আয়ের অর্থও অভিযোগ রয়েছে দেশে আসেনি। বিগত সরকারের সময়ে আমদানির নামে ব্যাপকভাবে টাকা পাচার হতো। বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে এটি অনেকটাই কমেছে। তখন ডলার সংকটের কারণে আমদানি বাধাগ্রস্ত ছিল। জানুয়ারি থেকে আমদানি পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে আমদানি বেড়েছে, তবে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। গত অর্থবছরে আমদানি বেড়েছিল পৌনে ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেড়েছে সাড়ে ১০ শতাংশের বেশি।

    ডলার সংকটের কারণে ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে আমদানি কম ছিল। বিগত সরকারের সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ১৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে গিয়েছিল। এখন তা বেড়ে ২৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছেছে। বিগত সরকার ডলার সংকটের কারণে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ স্থগিত করেছিল। বর্তমান সরকার নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করছে। ফলে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও কমেছে।

    তবে রফতানি খাত সাম্প্রতিক সময়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বৈশ্বিক ও দেশীয় পরিস্থিতির কারণে এই খাতে নানামুখী সমস্যা দেখা দিয়েছে। টানা চার মাস রফতানি আয় কমছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে গড়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ শতাংশের কম। কাঁচামাল আমদানি প্রায় ১৪ শতাংশ কমেছে, যা আগামীতে রফতানি আয় কমার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। আশার কথা, শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি বেড়েছে। এর প্রভাবে আগামীতে শিল্প খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আছে।

    অভ্যন্তরীণ খাতে অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা এখনও মন্থর। বিগত সরকারের সময়ে করোনা পূর্ববর্তী থেকেই মন্দা চলছিল। ২০২০ সালে করোনার প্রভাবে অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়। বৈশ্বিক মন্দার ঢেউ বাংলাদেশে এসে পরিস্থিতি ঘনীভূত করে। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পতনের আগ পর্যন্ত সংকট অব্যাহত ছিল।

    নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে পদক্ষেপ নেয়। এর ফলে অন্তত নতুন করে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে। টাকা পাচার অনেক কমেছে, লুটপাট বন্ধ হয়েছে। ব্যাংকে আমানতের প্রবাহ ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং তারল্য সংকট কমছে। তবে বিগত সরকারের লুটপাটের তথ্য প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এর প্রভাবে ব্যাংক খাতের সব সূচকে ধস নেমেছে। তারল্য ব্যবস্থায় চাপ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নীতি ও সহায়তা দিচ্ছে। কিন্তু তারল্য সংকট, নীতিমালার কড়াকড়ি এবং যোগ্য উদ্যোক্তাদের চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ বাড়াতে পারছে না।

    রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল না, তবে ছিল অনিশ্চয়তা। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটেনি। বরং মব সন্ত্রাস ও সরকারের নির্লিপ্ততা বেড়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলেও এখনো যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। এসব কারণে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে হাত দিচ্ছেন না। তারা শুধু চলমান ব্যবসা সচল রাখার চেষ্টা করছেন। ফলশ্রুতিতে বিনিয়োগ বাড়ছে না এবং কর্মসংস্থানের গতি মন্থর।

    গত অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সর্বনিম্নে নেমেছিল। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে ঋণপ্রবাহ কম ছিল। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরেও সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই-অক্টোবরের ঋণপ্রবাহ বেড়েছে মাত্র ০.৬৭ শতাংশ, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বনিম্ন। একই সময়ে গত অর্থবছরে ঋণপ্রবাহের বৃদ্ধি ছিল ৯১ শতাংশ।

    বিদেশী বিনিয়োগও এখন থমকে আছে। পুঁজি হিসেবে বিনিয়োগ আসার গতি খুবই ধীর। এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে ঋণ বা অর্জিত মুনাফা পুনরায় বিনিয়োগ করে সামগ্রিক বিনিয়োগের তথ্য বৃদ্ধি দেখানো হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরেও এই চিত্র একই। বেসরকারি খাতে দেশীয় উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগ করছে না। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করতে ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত টানা চার বছর সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হয়েছে। এতে বাজারে টাকার প্রবাহ কমেছে এবং সুদের হার বেড়েছে। তবু মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশিত মাত্রায় কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এটি ওঠানামার মধ্যে আছে। এখনো হার ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

    দীর্ঘ চার বছরে কর্মসংস্থান বাড়েনি। কর্মরতদের বেতন-ভাতা তেমন বেড়ে উঠেনি। অনেক কর্মী বেকার হয়েছেন। ফলে মানুষের আয় কমেছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে এবং সঞ্চয় ভেঙেছে। স্বল্প আয়ের মানুষ এখন সঞ্চয় ভাঙার অবস্থাতেও নেই। তারা বরং ঋণগ্রস্ত।

    যদিও প্রকৃত হার নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবে গত বছরের জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিক মূল্যস্ফীতির হার সর্বোচ্চ ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছেছিল। গত অক্টোবরে তা নেমে এসেছে ৮.২৯ শতাংশে। তবে নভেম্বরের মাসে সামান্য বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হার আরও বাড়তে পারে।

    ঋণের সুদের হার আলোচ্য সময়ে ৮-৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২-১৮ শতাংশে ওঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহে। কর্মসংস্থানের গতি কমেছে এবং কৃষি ও শিল্প উৎপাদনও নিম্নমুখী। আগের সরকারের আমলে নজিরবিহীন লুটপাটের কারণে ব্যাংক খাত ‘রক্তশূন্য’ হয়ে পড়েছিল। এখন লুটপাট বন্ধ হলেও আগের ক্ষত স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। লুটপাটের সব ঋণ খেলাপি হয়েছে। আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায়। মাত্র সোয়া এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।

    আইএমএফের নীতি হলো সরকারকে স্থিতিশীল রাখা। এজন্য ভোক্তাদের ওপর করের বোঝা চাপানোর সুপারিশ তারা প্রায়ই করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ ধারা বরাবরই দেখা গেছে। সংস্থা মনে করে, সরকার স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতিও স্থিতিশীল থাকবে। বর্তমান সরকার আইএমএফের সুপারিশ অনুযায়ী কিছু খাতে করের বোঝা চাপিয়েছে। তবে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাড়ানো সম্ভব হয়নি। রাজস্ব আয় না বাড়লেও সরকারের ব্যয় বেড়েছে। ফলে উন্নয়ন না করেও আর্থিক সংকট মেটাতে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে।

    ব্যাংক খাতসহ সার্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক সংস্কার চলছে। এসব পদক্ষেপের কিছু সুফল ইতোমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষিতে এর গতি কিছুটা কমতে পারে। তবে নতুন সরকারে সংস্কার এগিয়ে গেলে সুফল আরও স্পষ্ট হবে বলে উন্নয়ন সহযোগীসহ অনেকেই মনে করছেন। বাংলাদেশের মতো দেশে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় নতুনত্ব আনার বিকল্প পথ নেই।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়ন

    মে 3, 2026
    অর্থনীতি

    শিকাগোর রক্তাক্ত সময়ের গল্প—১৬০ বছরেও বদলায়নি শ্রমিকের জীবনসংগ্রাম

    মে 3, 2026
    অর্থনীতি

    বিদেশি ঋণ শোধে ব্যয় হবে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার

    মে 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.