Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, এপ্রিল 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » যেভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে বদলে গেল বিশ্ব অর্থনীতি
    আন্তর্জাতিক

    যেভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে বদলে গেল বিশ্ব অর্থনীতি

    হাসিব উজ জামানএপ্রিল 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা বিশ্ব অর্থনীতিকে এমন এক অস্বস্তিকর বাস্তবতার সামনে দাঁড় করিয়েছে, যেটি অনেক দিন ধরেই তৈরি হচ্ছিল কিন্তু পুরো মাত্রায় চোখে পড়ছিল না। এটি শুধু একটি সামুদ্রিক পথের সংকট নয়, শুধু তেলের বাজারে ঝাঁকুনি নয়, শুধু পরিবহন ব্যয়ের হিসাবও নয়।

    আসলে এই ধাক্কা দেখিয়ে দিয়েছে, কোন দেশ এখনো আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার উপর দাঁড়িয়ে আছে, আর কোন দেশ আগেভাগে নিজের ভেতর সুরক্ষা-কবচ গড়ে তুলেছে। প্রণালিটি বন্ধ হওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে প্রায় এক-চতুর্থাংশ তেল, এক-পঞ্চমাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং এক-তৃতীয়াংশ সারের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে জ্বালানি ও সারের দাম, বদলে গেছে পণ্য পরিবহনের পথ, আর বিভিন্ন দেশে আর্থিক চাপও একসঙ্গে সমানভাবে নয়, ভিন্ন ভিন্ন তীব্রতায় এসে পড়েছে।

    এই সংকটের প্রথম আঘাত লেগেছে সেইসব অর্থনীতিতে, যেগুলো বাইরে থেকে জ্বালানি কিনে চলে। এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের কিছু অংশের বহু দেশ এর ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া, ঋণের খরচ বৃদ্ধি, এবং আর্থিক আস্থার অবনমন—সবকিছুর মুখোমুখি হয়েছে। যখন জ্বালানি ও খাদ্যের দাম একসঙ্গে বাড়ে, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর হাতে খুব বেশি পথ খোলা থাকে না। একদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চাপ, অন্যদিকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার দায়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সমস্যা আরও বড়, কারণ তাদের বাজেটের জায়গা আগেই সংকুচিত ছিল। ফলে এই সংকট শুধু বাজারকে কাঁপায়নি; রাষ্ট্রের নীতি গ্রহণের সক্ষমতাকেও পরীক্ষা নিচ্ছে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ধাক্কা আমাদের পুরোনো একটি সহজ বিভাজনকে ভেঙে দিয়েছে। আগে অনেকে ভাবত, মূল পার্থক্য কেবল তেল-রপ্তানিকারক আর তেল-আমদানিকারক দেশের মধ্যে। কিন্তু বাস্তবতা এখন আরও গভীর। আসল পার্থক্য হলো—কার জ্বালানি কাঠামো কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, আর কে আগে থেকেই বিকল্প শক্তির ভিত্তি তৈরি করেছে। অর্থাৎ, সমস্যা শুধু বাণিজ্য ঘাটতির নয়; সমস্যা রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নীতি, অবকাঠামো, এবং কৌশলগত প্রস্তুতির।

    এই জায়গায় স্পেনের উদাহরণ বিশেষভাবে চোখে পড়ে। দেশটি গত কয়েক বছরে বায়ু ও সৌরশক্তিতে দ্রুত অগ্রসর হয়েছে। এর ফলে ২০১৯ সালে যেখানে তাদের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতের দাম নির্ধারণে গ্যাসের ভূমিকা ছিল ৭৫% সময়ে, ২০২৫ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ১৯%-এ। ইউরোপের বড় গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎবাজারগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে তীক্ষ্ণ পতন। হরমুজ সংকটের সময় জার্মানি ও ইতালিতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম যেখানে প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় ১৫০ ইউরো বা ১৭৭ ডলারেরও ওপরে ছিল, সেখানে ২০২৬ সালে স্পেনের গড় পাইকারি মূল্য ধরা হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ ইউরোর মধ্যে। এর অর্থ খুব পরিষ্কার: যে দেশ আগে থেকেই বিকল্প শক্তিতে বিনিয়োগ করেছে, তার ওপর বাইরের ধাক্কার প্রভাব কম পড়ছে।

    ব্রাজিলও অন্য একটি পথে একই রকম সুরক্ষা গড়ে তুলেছে। সেখানে আখভিত্তিক জৈব জ্বালানির অবকাঠামো এতটাই বিস্তৃত যে কোটি কোটি চালক ১০০% আখভিত্তিক ইথানল কিংবা ৩০% জৈব জ্বালানি-মিশ্রিত পেট্রোলের মধ্যে বেছে নিতে পারেন। নমনীয় জ্বালানিচালিত গাড়ির বড় বহর এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করেছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশীয় বাজারে ধাক্কা তুলনামূলকভাবে কম লেগেছে। মার্চ মাসে ব্রাজিলে পেট্রোলের দাম বেড়েছে মাত্র ৫%, অথচ যুক্তরাষ্ট্রে সেই বৃদ্ধি ছিল প্রায় ৩০%। শুধু তাই নয়, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টও ব্রাজিলের ইথানল প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন, যার মধ্যে আগাভে-ভিত্তিক উৎপাদনের কথাও আছে। এই অভিজ্ঞতা বোঝায়, বিকল্প জ্বালানি শুধু পরিবেশের প্রশ্ন নয়; এটি ভোক্তাকে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা থেকে আংশিক সুরক্ষাও দেয়।

    চীনের অবস্থানও উল্লেখযোগ্য। বহু পর্যবেক্ষকের ধারণার চেয়ে দেশটি এই ধাক্কা তুলনামূলক ভালোভাবে সামলাতে পারছে। এক দশকের বিনিয়োগের ফলে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তির অংশ প্রায় ৪০%-এ পৌঁছেছে, যেখানে এক দশক আগে তা ছিল ২৬%। একই সঙ্গে তারা ১.২ বিলিয়নের বেশি ব্যারেল কৌশলগত তেল মজুত গড়ে তুলেছে। এই প্রস্তুতির কারণে তাদের প্রবৃদ্ধি-হ্রাসের পূর্বাভাসও কিছু বড় অর্থনীতির তুলনায় কম নেমেছে। অর্থাৎ, আগের বিনিয়োগ এখন সুরক্ষা-বর্মের কাজ করছে।

    এ কারণেই অনেক জ্বালানি বিশ্লেষক এই মুহূর্তকে এশিয়ার জন্য এক ধরনের মোড়বদলের সময় হিসেবে দেখছেন। যেমন ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপকে বাধ্য হয়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে হয়েছিল, তেমনি হরমুজের এই ধাক্কা এশিয়ার বহু দেশকে তেলনির্ভরতা কমানোর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পার্থক্য হলো, এখন বিকল্প প্রযুক্তি আগের তুলনায় আরও সস্তা, আরও সহজলভ্য, এবং আরও পরীক্ষিত।

    এই পুরো ঘটনাটি আমাদের একটি কঠিন কিন্তু জরুরি শিক্ষা দেয়: দুর্বলতা কেবল বাইরের কারণে তৈরি হয় না, অনেক সময় তা রাষ্ট্রের নিজের নীতিগত সিদ্ধান্তের ফল। একটি দেশের ভাবতে হবে—তার জ্বালানি ব্যবস্থার কত অংশ তার নিজের নিয়ন্ত্রণে, সরবরাহের উৎস কতটা বৈচিত্র্যময়, আর বিশ্ববাজারের ধাক্কা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর জন্য তার ভেতরে কী ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা আছে। যে অর্থনীতিগুলো এখনো পুরোনো জ্বালানির উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল এবং শক্তি রূপান্তরকে পিছিয়ে দিয়েছে, তাদের জন্য এখানেই সতর্কবার্তা লুকিয়ে আছে। কারণ এই সংকট অন্য দেশগুলোর নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ঝোঁক আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তখন শুধু বর্তমান ধাক্কাই নয়, ভবিষ্যতে রপ্তানিবাজার সঙ্কুচিত হওয়া এবং পুরোনো সম্পদের মূল্য হারানোর ঝুঁকিও সামনে আসবে।

    তবে এখানে আরেকটি দিকও আছে। তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী দেশগুলোর জন্য এই সময়টি এক ধরনের সুযোগের জানালা খুলে দিয়েছে। কারণ মূল্যবৃদ্ধির সময় লাভের বড় অংশ সাধারণত কয়েকটি কোম্পানি বা শেয়ারধারীর হাতে জমা হয়, কিন্তু খরচটা বহন করে পুরো সমাজ। তাই অস্বাভাবিক বাড়তি মুনাফার ওপর কর আরোপের প্রশ্নটি এখন নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচ অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি এমন করের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এর পেছনের যুক্তি সহজ: সংকট থেকে যে অতিরিক্ত অর্থ আসছে, সেটি যদি কেবল করপোরেট মুনাফা হয়ে থাকে, তাহলে অসমতা আরও বাড়বে। কিন্তু রাষ্ট্র যদি সেই আয়ের একটি অংশ সংগ্রহ করতে পারে, তবে তা জনগণের সুরক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ—দুই ক্ষেত্রেই কাজে লাগানো সম্ভব।

    এই অতিরিক্ত আয়ের প্রথম ব্যবহার হওয়া উচিত ভোক্তা সুরক্ষায়। জ্বালানির দাম বাড়া দরিদ্র মানুষের ওপর এক ধরনের উল্টো করের মতো কাজ করে। তাই স্বল্পমেয়াদি ভর্তুকি, লক্ষ্যভিত্তিক জ্বালানি সহায়তা, কিংবা মূল্য-স্থিতিশীলতা ব্যবস্থা—এসবকে অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ধাক্কাটি সাময়িক হলেও এর আঘাত তাৎক্ষণিক এবং অসম। যদি রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ না করে, তবে সংকট তেল-উৎপাদনকারী দেশগুলোর ভেতরেও বৈষম্য বাড়াবে।

    দ্বিতীয় ব্যবহার হওয়া উচিত কাঠামোগত বিনিয়োগে। রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানিগুলো যদি জৈব জ্বালানি, নিম্ন-কার্বন প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সঞ্চয়, কিংবা নতুন পরিবহন-ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ায়, তাহলে আজকের অস্থায়ী মুনাফা আগামী দিনের টেকসই শক্তি-ভিত্তিতে রূপ নিতে পারে। এখানেই রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আয় বাড়ল বলে খরচ বাড়ানো আর দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা গড়ে তোলা—এই দুই পথ এক নয়।

    কিছু দেশের অভিজ্ঞতা দেখায়, বাড়তি আয়কে ভবিষ্যতের নিরাপত্তায় রূপান্তর করা সম্ভব। মালয়েশিয়ার সার্বভৌম তহবিল শিল্পাঞ্চলকে নিম্ন-কার্বন পথে নিতে ১.৫ বিলিয়ন রিঙ্গিত, অর্থাৎ ৩৭৮ মিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা নবায়নযোগ্য শক্তি, শক্তি সঞ্চয়, এবং বিদ্যুৎচালিত চলাচল-কেন্দ্রিক বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মও গড়ছে। ইন্দোনেশিয়ার নতুন দানান্তারা তহবিল নবায়নযোগ্য শক্তি ও সবুজ হাইড্রোজেন স্থাপনা গড়ে তুলতে চুক্তি করেছে। এমনকি তুলনামূলক ছোট উৎপাদক সেনেগালও তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ কাঠামোর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তি ও শক্তি-দক্ষতা তহবিল তৈরি করেছে, যাতে ভবিষ্যতের গ্যাস আয় সবুজ শিল্পায়নের পথে ব্যবহার করা যায়।

    এই কারণেই হরমুজের বর্তমান সংকটকে কেবল যুদ্ধ, জ্বালানি, বা বাজারের সংবাদ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি আসলে উন্নয়ন কৌশলের এক নির্মম পরীক্ষা। কারা পুরোনো ভরসায় আটকে আছে, কারা সময় থাকতে নতুন ভিত গড়েছে, আর কারা এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় আছে—সবকিছু আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বৈশ্বিক দক্ষিণের বহু দেশের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা একই সঙ্গে আমদানিনির্ভর, ঋণচাপগ্রস্ত, এবং মূল্যস্ফীতির প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাদের জন্য শক্তি-রূপান্তর আর বিলাসিতা নয়; এটি অর্থনৈতিক স্থিতি, সামাজিক সুরক্ষা, এবং রাজনৈতিক স্থায়িত্বের প্রশ্ন।

     হরমুজের এই সংকট আমাদের একটি বড় সত্য মনে করিয়ে দেয়: যে দেশ আজকের বাড়তি আয়কে আগামী দিনের স্থায়ী সক্ষমতায় বদলে ফেলতে পারবে, তারাই পরের ধাক্কা তুলনামূলক ভালোভাবে সামলাবে। আর যারা অপেক্ষায় থাকবে, তারা পরের সংকটে আবারও একই প্রশ্নের মুখে পড়বে—কেন প্রস্তুতি ছিল না?

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে চায় ইসরায়েল,

    এপ্রিল 15, 2026
    আন্তর্জাতিক

    শান্তি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরান সফরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

    এপ্রিল 15, 2026
    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে বৃহত্তর লড়াইয়ে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে হেরে যাচ্ছে

    এপ্রিল 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.