পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হওয়ার দাবি করেছে পাকিস্তান সরকার।
দেশটির তথ্যমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর উপজাতীয় জেলায় আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগের দিনও একই এলাকায় ‘উসকানিবিহীন হামলায়’ আরও ১২ জন আহত হয় বলে অভিযোগ তোলে ইসলামাবাদ। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা—যেখানে ক্রিকেট খেলতে থাকা তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পাকিস্তান এই হামলার জন্য ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ নামে একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করছে, যাদের তারা দেশবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে।
অন্যদিকে, কাবুল এখনো এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। অতীতে তারা এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বরং উল্টো অভিযোগে আফগানিস্তান দাবি করেছে, পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুনার প্রদেশে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষ আহত হয়েছে।
সব মিলিয়ে দুই দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, ড্রোন হামলা এবং বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে উভয় পক্ষের দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি—যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
সিভি/এইচএম

