ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান চুক্তি আপাতদৃষ্টিতে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য বলে মনে হতে পারে। যুদ্ধ থেমেছে, হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা কমেছে, নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার পথ তৈরি হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সরাসরি আলোচনার নতুন দরজা খুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো প্রশাসনই এটিকে বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে চাইবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বিজয় কি সত্যিই সম্পূর্ণ, নাকি এটি এমন এক উদ্যাপন, যার আসল ফলাফল এখনো প্রমাণিত হয়নি?
এই সমঝোতা স্মারক নিয়ে সবচেয়ে বড় আপত্তি এখানেই। এটি যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে ইসরায়েলের দৃষ্টিকোণ থেকে চুক্তিটি আরও বেশি বিতর্কিত। কারণ ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা ঝুঁকি বহন করে আসা দেশটি এই আলোচনার মূল টেবিলে ছিল না। অথচ ইরানের প্রক্সি নেটওয়ার্ক, হেজবুল্লাহর রকেট, হুথিদের হামলা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সম্ভাব্য ঝুঁকি সবচেয়ে সরাসরি অনুভব করে ইসরায়েলই।
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে যুক্তি একেবারে দুর্বল নয়। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তার সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক খরচ আরও বাড়ত। যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল, যার পরিষ্কার শেষ পথ ছিল না। তাই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি বা অন্তর্বর্তী সমঝোতা করা বাস্তববাদী সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে। ট্রাম্প বহুদিন ধরেই বলে এসেছেন, তিনি অন্তহীন যুদ্ধ চান না; বরং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে চাপ তৈরি করে পরে আলোচনার টেবিলে ফল আদায় করতে চান। এই চুক্তি তার সেই নীতিরই একটি বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
এই দিক থেকে দেখলে ট্রাম্পের কৌশল ছিল—প্রথমে সামরিক চাপ, তারপর কূটনৈতিক দর-কষাকষি। ইরানকে দেখানো হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্যের সীমা আছে। এরপর যখন যুদ্ধের খরচ দুই পক্ষের জন্যই বড় হয়ে উঠেছে, তখন আলোচনার দরজা খোলা হয়েছে। কাগজে-কলমে এই পদ্ধতি অযৌক্তিক নয়। বরং অনেক সময় শক্তির প্রদর্শন আলোচনার ভিত্তি তৈরি করে।
কিন্তু সমস্যাটি শুরু হয় চুক্তির কাঠামো ও সময় নির্ধারণে। সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, সম্পদ অবমুক্তকরণ আলোচনার অগ্রগতির আলোকে শুরু হবে। এই ভাষা খুবই নমনীয়। এর অর্থ কী, কত দ্রুত অর্থ ছাড় হবে, কোন শর্ত পূরণ হলে তা হবে—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা কম। অন্যদিকে প্রকৃত যাচাই-বাছাই, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর ও বাস্তব প্রমাণের বিষয়টি ভবিষ্যৎ চূড়ান্ত চুক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যার জন্য ৬০ দিনের সময় নির্ধারিত। এই সময় আবার পারস্পরিক সম্মতিতে বাড়ানোও যেতে পারে।
এখানেই সমালোচকদের বড় আপত্তি। তাদের মতে, চুক্তিতে ইরান আগে স্বস্তি পাচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা পরে প্রমাণের অপেক্ষায় থাকছে। দর-কষাকষির ভাষায় এটি বিপজ্জনক ক্রম। কারণ চাপ কমে গেলে ইরানের ওপর প্রভাব খাটানোর ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। আগে সুবিধা দেওয়া, পরে যাচাই করার প্রতিশ্রুতি নেওয়া—এই পদ্ধতি ইরানের সঙ্গে আগের বহু আলোচনার অভিজ্ঞতার আলোকে ঝুঁকিপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরেকটি বড় বিতর্কিত বিষয় হলো ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অর্থ দেবে না—এই যুক্তি দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলেও বাস্তব রাজনীতিতে সেটি খুব বেশি স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ অর্থ শেষ পর্যন্ত কোথায় যাবে, কোন কাঠামোর মাধ্যমে যাবে, ইরানের ভেতরে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো লাভবান হবে এবং সেই অর্থের একটি অংশ কি আবার আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করবে—এসব প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
ইসরায়েলের উদ্বেগ এখানেই গভীর। বহু বছর ধরে ইসরায়েল বলছে, ইরান শুধু নিজের সামরিক কাঠামো নয়, লেবাননের হেজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি এবং অন্যান্য আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে ইসরায়েলের চারপাশে একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের হাতে বিপুল অর্থনৈতিক স্বস্তি পৌঁছালে তার একটি অংশ আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে ব্যবহৃত হতে পারে—এমন আশঙ্কা ইসরায়েলের জন্য অস্বাভাবিক নয়।
ট্রাম্প প্রশাসন একসময় বারাক ওবামার আমলের ইরান চুক্তির সবচেয়ে বড় সমালোচনা করেছিল এই যুক্তিতে যে, এতে ইরানের হাতে অর্থ পৌঁছে যাবে এবং সেই অর্থ আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে। এখন একই প্রশাসন আরও বড় অঙ্কের পুনর্গঠন তহবিলের পথ খুলে দিলে প্রশ্ন উঠবেই—এটি কি নীতিগত ধারাবাহিকতা, নাকি রাজনৈতিক সুবিধাবাদ?
পারমাণবিক প্রশ্নে চুক্তির অস্পষ্টতা আরও বড় উদ্বেগ তৈরি করছে। ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা তৈরি করবে না। কিন্তু এ ধরনের প্রতিশ্রুতি নতুন নয়। অতীতেও ইরান এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আবার পশ্চিমা শক্তি ও ইসরায়েল বহুবার অভিযোগ করেছে যে তেহরান সেই প্রতিশ্রুতির ভাষা ব্যবহার করে সময় কিনেছে। তাই শুধু ঘোষণামূলক প্রতিশ্রুতি ইসরায়েলের জন্য যথেষ্ট নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের কী হবে? তা কি সরিয়ে নেওয়া হবে, নাকি ইরানের ভেতরেই পাতলা করা হবে? ইরান কি ভবিষ্যতে কোনো পর্যায়ে সমৃদ্ধকরণের অধিকার ধরে রাখবে? আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের কাঠামো কতটা কঠোর হবে? এসব প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। অথচ ইসরায়েলের নিরাপত্তা নীতির কেন্দ্রে রয়েছে একটি কঠিন অবস্থান—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না।
এই জায়গায় ইসরায়েলের ক্ষোভ বোঝা যায়। যে দেশটি ইরানের পারমাণবিক সম্ভাবনাকে নিজের অস্তিত্বগত ঝুঁকি হিসেবে দেখে, সেই দেশকে বাদ দিয়ে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যেখানে পারমাণবিক প্রশ্নের সবচেয়ে কঠিন অংশগুলো ভবিষ্যতের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের চোখে এটি শুধু কূটনৈতিক ভুল নয়, নিরাপত্তা ঝুঁকি।
চুক্তির আরেকটি জটিল অংশ হলো লেবানন। সমঝোতা স্মারকে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নিজের হয়ে চুক্তি করতে পারে; ইসরায়েলের হয়ে নয়। ইসরায়েল যদি লেবানন সীমান্তের কিছু এলাকা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে, তাহলে ওয়াশিংটনের সই করা কোনো নথি তাকে বাধ্য করতে পারে না। এখানেই বাস্তবতা ও কূটনৈতিক ভাষার সংঘাত তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো যুদ্ধ থামাতে চেয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল মনে করছে তাকে বাস্তব নিরাপত্তা উদ্বেগসহ এক ধরনের তৈরি করা পরিস্থিতির সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি মিত্র দেশ, যে দীর্ঘদিন গোয়েন্দা তথ্য, সামরিক যুক্তি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, তাকে পরে জানানো হলে সম্পর্কের ভেতরে অবিশ্বাস তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
তবে এটিও ঠিক, খোলা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়াই যে ভালো পথ ছিল, তা বলা কঠিন। যুদ্ধ চলতে থাকলে ইরান আরও আক্রমণাত্মক হতে পারত, হরমুজ প্রণালি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারত, তেলের বাজার অস্থির হতে পারত এবং যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক দায় নিতে হতো। তাই অন্তর্বর্তী বিরতি প্রয়োজন ছিল—এই যুক্তি শক্তিশালী।
সমস্যা হলো, বিরতি আর চূড়ান্ত সমাধান এক জিনিস নয়। যুদ্ধ থামা মানেই শান্তি প্রতিষ্ঠা নয়। গোলাবর্ষণ বন্ধ হওয়া মানেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া নয়। সমঝোতা স্মারক একটি সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু সেটিকে চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে উদ্যাপন করা এখনই তাড়াহুড়া হতে পারে।
এই চুক্তির সবচেয়ে ভালো সম্ভাব্য ব্যবহার হতে পারে ৬০ দিনের আলোচনাকে বাস্তব ও কঠোর যাচাইয়ের পথে নেওয়া। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা দরকার। ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, পরিদর্শন ব্যবস্থা, প্রক্সি নেটওয়ার্কে অর্থ ও অস্ত্রপ্রবাহ, হেজবুল্লাহ ও হুথি প্রশ্ন—এসব স্পষ্টভাবে আলোচনায় না এলে চুক্তি কাগজে শান্তি আনলেও বাস্তবে নতুন সংঘাতের বীজ রেখে যাবে।
ট্রাম্পের সামনে তাই এখন দুটি পথ। একদিকে তিনি এই সমঝোতাকে রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরে দ্রুত সাফল্যের গল্প বানাতে পারেন। অন্যদিকে তিনি এটিকে অসম্পূর্ণ কিন্তু দরকারি প্রথম ধাপ হিসেবে ধরে আরও কঠোর চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করতে পারেন। প্রথম পথ জনপ্রিয়তা আনতে পারে, দ্বিতীয় পথ নিরাপত্তা আনতে পারে।
ইরানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি সহজ নয়। যুদ্ধের ধাক্কা, অর্থনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যে তেহরান এই চুক্তি থেকে স্বস্তি চাইবে। কিন্তু যদি ইরান সত্যিই শান্তি চায়, তাহলে তাকে শুধু কথায় নয়, বাস্তব যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রমাণ দিতে হবে। পারমাণবিক কর্মসূচির স্বচ্ছতা, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর প্রভাব কমানো এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস—এসব ছাড়া আন্তর্জাতিক আস্থা তৈরি হবে না।
ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই চুক্তি কি তাকে নিরাপদ করবে, নাকি আরও একা করে দেবে। যদি যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে পরবর্তী আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে এই সমঝোতা একটি কার্যকর কাঠামোতে পরিণত হতে পারে। কিন্তু যদি ইসরায়েলকে শুধু পরে জানানো হয় এবং তাকে বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে বলা হয়, তাহলে মিত্রতার ভেতরেই ফাটল তৈরি হতে পারে।
এই পুরো ঘটনাটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সামনে আনে। দ্রুত চুক্তি করা সব সময় ভালো চুক্তি নয়। আবার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়াও সব সময় শক্তির পরিচয় নয়। প্রকৃত কূটনীতি হলো এমন সমাধান তৈরি করা, যেখানে যুদ্ধ থামে, নিরাপত্তা বাড়ে এবং মিত্রদের আস্থা নষ্ট হয় না। ট্রাম্পের ইরান চুক্তি এখনো সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি।
তাই এই মুহূর্তে এটিকে সম্পূর্ণ ব্যর্থতা বলা যেমন তাড়াহুড়া হবে, তেমনি সম্পূর্ণ বিজয় বলা আরও বড় তাড়াহুড়া। এটি এক ধরনের বিরতি—সম্ভবত দরকারি বিরতি। কিন্তু বিরতির পর কোন পথে যাওয়া হবে, সেটাই আসল প্রশ্ন। যদি এই সময়কে কঠোর যাচাই, মিত্রদের অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য ব্যবহার করা যায়, তাহলে চুক্তি ভবিষ্যতে অর্থবহ হতে পারে। আর যদি এটিকে এখনই বিজয় হিসেবে বিক্রি করা হয়, তাহলে কয়েক মাস পর একই চুক্তি নতুন সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ট্রাম্প যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন। কিন্তু যুদ্ধ থামানো আর শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এক নয়। ইরান সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিকভাবে একটি চুক্তি পেয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল এখনো নিশ্চিত নয় যে তার নিরাপত্তা সত্যিই সুরক্ষিত হলো কি না। এই অনিশ্চয়তাই চুক্তিটির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, ট্রাম্পের ইরান সমঝোতা এখনো একটি অসমাপ্ত গল্প। প্রথম অধ্যায়ে যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু শেষ অধ্যায়ে শান্তি থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে আগামী ৬০ দিনের ওপর। সেই সময়ের মধ্যে যদি যাচাই, জবাবদিহি এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ স্পষ্টভাবে যুক্ত না হয়, তাহলে এই চুক্তি ইতিহাসে শান্তির সোপান হিসেবে নয়, বরং জয়ের আগে তড়িঘড়ি বিজয় উদ্যাপনের উদাহরণ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে।

