Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে সুপারকম্পিউটারের মুকুট এবার চীনের
    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে সুপারকম্পিউটারের মুকুট এবার চীনের

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুন 24, 2026জুন 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এল ক্যাপিটানকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে চীনের লাইনশাইন। ৯ ঘণ্টা আগে প্রকাশিত এবং সর্বশেষ হালনাগাদ হওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক সুপারকম্পিউটার র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ-৫০০ তালিকায় এবার প্রথম স্থান দখল করেছে চীনের এই নতুন ব্যবস্থা।

    লাইনশাইন তৈরি করেছে চীনের শেনজেনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টার। দীর্ঘদিন পর চীনের কোনো সুপারকম্পিউটার আবার এই তালিকার একেবারে ওপরে উঠল। বার্তাসংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন বছর পর চীন আবার শীর্ষস্থান ফিরে পেল। প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার বর্তমান বাস্তবতায় এই অর্জন শুধু একটি কম্পিউটারের সাফল্য নয়; এটি চীনের জন্য কৌশলগত বার্তাও বহন করছে।

    অন্যদিকে এতদিন শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারটি রয়েছে লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা বিশ্লেষণ ও গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ এই প্রতিযোগিতা শুধু গতি বা যন্ত্রের ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জাতীয় নিরাপত্তা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সামরিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নেতৃত্বের প্রশ্ন।

    চীনের লাইনশাইনের শীর্ষে ওঠা তাই অনেকের কাছে প্রযুক্তি জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা বেশ কিছুদিন ধরেই তীব্র। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, উন্নত চিপ, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা অবকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশ নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে। এর মধ্যেই সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোয়ান্টাম কম্পিউটিং খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে রাখতে নতুন একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। ঠিক এমন সময়েই চীনের লাইনশাইনের শীর্ষে ওঠা ঘটনাটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

    চীনের জন্য এই সাফল্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে হলে চিপ প্রযুক্তির দিকে তাকাতে হবে। চীনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লাইনশাইন সুপারকম্পিউটারে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপ ব্যবহার করা হয়নি। এর বড় কারণ হলো, এ ধরনের উন্নত চিপ তৈরির জন্য যেসব প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি দরকার, সেগুলোর ওপর এখনও যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। ফলে চীনকে অনেক ক্ষেত্রেই নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

    এই জায়গাতেই লাইনশাইনকে শুধু দ্রুতগতির কম্পিউটার হিসেবে দেখা যথেষ্ট নয়। এটি চীনের একটি বার্তা—নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ব্যবস্থায় অগ্রগতি দেখাতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্যের মাধ্যমে চীন মূলত নিজেদের চিপ নকশা, সিস্টেম নির্মাণ এবং বৈজ্ঞানিক কম্পিউটিং সক্ষমতা তুলে ধরতে চাইছে।

    চীন ২০১০ সালে প্রথমবার শীর্ষ-৫০০ তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিল। এরপর কখনো যুক্তরাষ্ট্র, কখনো জাপান, কখনো চীন—এভাবেই শীর্ষস্থান পাল্টেছে। তবে ২০২৩ সালের পর চীন নতুন কোনো সিস্টেম এই তালিকায় জমা দেয়নি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও প্রযুক্তিগত নিষেধাজ্ঞার কারণে চীন এতদিন নিজেদের সাম্প্রতিক সুপারকম্পিউটিং সক্ষমতা আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশে কিছুটা সতর্ক ছিল। এবার লাইনশাইনকে সামনে এনে তারা আবার বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

    ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গ্লোবাল কনফ্লিক্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো জিমি গুডরিচের মতে, চীন বিশ্বের কাছে বোঝাতে চাইছে যে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারেনি। তবে একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই অর্জনের পেছনের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতাগুলোও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

    এখানেই আসল আলোচনাটি শুরু হয়। লাইনশাইন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষে উঠেছে ঠিকই, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতায় চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। সুপারকম্পিউটারের ঐতিহ্যগত র‌্যাঙ্কিং এবং আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামোর ক্ষমতা এক জিনিস নয়।

    আগে সুপারকম্পিউটার বলতে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত বিশাল কম্পিউটিং ব্যবস্থাকেই বোঝানো হতো। এগুলো আবহাওয়া পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, পদার্থবিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, মহাকাশ গবেষণা, ওষুধ আবিষ্কার, জটিল গাণিতিক মডেল এবং বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে কম্পিউটিং ক্ষমতার চরিত্র বদলে গেছে।

    মাইক্রোসফট, অ্যামাজন ও গুগলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বিশাল আকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ অবকাঠামো তৈরি করেছে। এসব ব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু বৈজ্ঞানিক গণনা নয়; বরং বিশাল ভাষা মডেল, ছবি তৈরির মডেল, স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষণ ব্যবস্থা, কথোপকথনভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নানা ধরনের বাণিজ্যিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেবা তৈরি করা। সমস্যা হলো, এসব বেসরকারি অবকাঠামো সাধারণত শীর্ষ-৫০০ তালিকায় জমা দেওয়া হয় না।

    তাই শীর্ষ-৫০০ তালিকায় প্রথম হওয়া মানেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী হওয়া নয়। এই তালিকা মূলত নির্দিষ্ট ধরনের পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, যেখানে বৈজ্ঞানিক গণনা ও জটিল সংখ্যাতাত্ত্বিক কাজের দক্ষতা মাপা হয়। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় ভিন্ন ধরনের ক্ষমতা—বিপুল তথ্য দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ, অসংখ্য চিপের সমন্বিত কাজ, উচ্চগতির তথ্য আদান-প্রদান, শক্তিশালী সফটওয়্যার পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা।

    এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লাইনশাইনের অর্জন গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিযোগিতার সম্পূর্ণ চিত্র এটি দেখায় না। যদি বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকেন্দ্রিক সুপারকম্পিউটারগুলো এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতো, তাহলে লাইনশাইন হয়তো শীর্ষ পাঁচেও থাকত না—এমন মতও দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।

    গত বছরের এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, ইলন মাস্কের সঙ্গে যুক্ত এক্সএআইয়ের কলোসাস ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই মার্কিন সরকারের এল ক্যাপিটানের চেয়েও বেশি শক্তিশালী। এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় যে আধুনিক কম্পিউটিং শক্তির বড় অংশ এখন সরকারি গবেষণাগারের বাইরে, বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হাতে গড়ে উঠছে।

    ফলে লাইনশাইনের সাফল্যকে দুইভাবে দেখা যায়। একদিকে এটি চীনের জন্য একটি বড় প্রতীকী জয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নিষেধাজ্ঞা, উন্নত চিপের সীমাবদ্ধতা এবং বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও তারা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যা আন্তর্জাতিক সুপারকম্পিউটার র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম হয়েছে। এটি চীনের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার দাবিকে শক্তিশালী করে।

    অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে চীনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপ, বিশাল প্রশিক্ষণ অবকাঠামো, বেসরকারি উদ্ভাবন, সফটওয়্যার পরিবেশ এবং বৈশ্বিক প্রতিভা—এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনও শক্তিশালী অবস্থানে আছে। চীন দ্রুত এগোলেও নিষেধাজ্ঞা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সীমাবদ্ধতা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।

    এই সাফল্যের আরেকটি রাজনৈতিক দিকও আছে। প্রযুক্তি এখন আর শুধু ব্যবসা বা গবেষণার বিষয় নয়; এটি ভূরাজনীতির কেন্দ্রীয় উপাদান। যে দেশ দ্রুততর কম্পিউটিং ব্যবস্থা, উন্নত চিপ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণ করবে, ভবিষ্যতের অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তির ওপর তার প্রভাব বাড়বে। তাই লাইনশাইনের শীর্ষে ওঠা শুধু একটি র‌্যাঙ্কিংয়ের খবর নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার নতুন অধ্যায়।

    তবে পাঠকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সুপারকম্পিউটার র‌্যাঙ্কিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শক্তির মধ্যে পার্থক্য বোঝা। লাইনশাইন দ্রুততম বৈজ্ঞানিক গণনাভিত্তিক সুপারকম্পিউটার হিসেবে বড় সাফল্য পেয়েছে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের বাস্তব প্রতিযোগিতা আরও জটিল, আরও ব্যয়বহুল এবং অনেকটাই বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠাননির্ভর।

    সব মিলিয়ে বলা যায়, লাইনশাইন চীনের প্রযুক্তি সক্ষমতার একটি দৃশ্যমান প্রদর্শন। এটি প্রমাণ করে যে চীন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নিজেদের কম্পিউটিং শক্তি বাড়াতে কাজ করছে। তবে একই সঙ্গে এটিও পরিষ্কার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ দৌড়ে শুধু দ্রুততম সুপারকম্পিউটার থাকলেই চলবে না। দরকার উন্নত চিপ, শক্তিশালী সফটওয়্যার, বড় তথ্যভান্ডার, দক্ষ গবেষক এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত স্বাধীনতা।

    লাইনশাইন তাই চীনের জন্য গর্বের মুহূর্ত, কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এটি শেষ কথা নয়। বরং এটি দেখিয়ে দিল, আগামী দিনের প্রযুক্তি যুদ্ধ আরও কঠিন, আরও গভীর এবং আরও বহুমাত্রিক হতে যাচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতা

    জুন 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েল, বলছে জাতিসংঘ

    জুন 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ৬০ দিনের মধ্যে পরমাণু আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    জুন 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.