ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আজ (শনিবার, ৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে খামেনির মরদেহ এবং দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনিকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে শুধু তেহরানেই এক কোটির বেশি মানুষ জড়ো হতে পারেন। এছাড়া বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন। তেহরানসহ পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত পুরো কর্মসূচিতে প্রায় দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণের আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইমাম খোমেনি হুসেইনিয়ায় প্রথমবারের মতো জনসাধারণের সামনে আনা হয় খামেনির কফিন। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে আনা হয় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহও। তাদের মধ্যে ছিলেন খামেনির পুত্রবধূ, ১৪ মাস বয়সী নাতনি, কন্যা ও জামাতা। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন।
শুক্রবার বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাংলাদেশ থেকেও একটি প্রতিনিধিদল অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা।
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তেহরানের পাশাপাশি কোম এবং ইরাকের কারবালা ও নাজাফ শহরেও জানাজার আয়োজন করা হবে। সবশেষে আগামী ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

