রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের জীবন এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। জাতিসংঘের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে ইউক্রেনে অন্তত ২৯৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। ২০২২ সালের এপ্রিলের পর দেশটির সাধারণ মানুষের জন্য এটিই ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস।
এই পরিসংখ্যান শুধু একটি মাসের ভয়াবহতা তুলে ধরে না। এটি ইউক্রেন যুদ্ধের পরিবর্তিত ধরন এবং জনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহারের ফলে তৈরি হওয়া গভীর মানবিক সংকটেরও ইঙ্গিত দেয়। যুদ্ধক্ষেত্রের সামনের সারি থেকে বহু দূরে থাকা রাজধানী কিয়েভ, দনিপ্রো ও ওদেসার মতো শহরেও এখন বেসামরিক মানুষ নিয়মিত প্রাণ হারাচ্ছেন।
জাতিসংঘের ইউক্রেন মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশনের হিসাবে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় চলতি বছরের প্রাণহানি দ্বিগুণেরও বেশি।
এই তুলনামূলক চিত্র দেখায় যে ইউক্রেনের বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার চাপ দ্রুত বাড়ছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা উন্নত হওয়ার পরিবর্তে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে।
জনবহুল শহরে শক্তিশালী অস্ত্রের ব্যবহার
জাতিসংঘের ইউক্রেন মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ড্যানিয়েল বেল জানিয়েছেন, জুনের প্রাণহানির তথ্য একটি উদ্বেগজনক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রমাণ। তাঁর মতে, ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকায় অত্যন্ত শক্তিশালী অস্ত্রের ব্যবহার বাড়ায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জুন মাসে প্রাণহানি বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল রাশিয়ার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। দনিপ্রো, ওদেসা ও কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরের আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে বা সেসব এলাকায় আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণ মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়েছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ের সঙ্গে ২০২৬ সালের একই সময় তুলনা করলে দেখা যায়, দূরপাল্লার অস্ত্রের আঘাতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ৬০ শতাংশ বেড়েছে। এই বৃদ্ধি বোঝায় যে যুদ্ধ এখন কেবল সম্মুখসীমার সামরিক অবস্থানে সীমাবদ্ধ নেই। দূরের শহর, বসতবাড়ি এবং দৈনন্দিন নাগরিক জীবনও ক্রমেই সংঘাতের প্রত্যক্ষ অংশ হয়ে পড়ছে।
বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের এই প্রবণতা ইউক্রেনের জন্য দ্বিমুখী সংকট তৈরি করছে। একদিকে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে শহরগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে স্থায়ী আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। একটি হামলা কখন, কোথায় এবং কত বড় ক্ষতি করবে, তা আগে থেকে অনুমান করা সাধারণ মানুষের জন্য প্রায় অসম্ভব।
ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় ইউক্রেনের সীমাবদ্ধতা
রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ইউক্রেন যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তা দেশটির কর্তৃপক্ষ একাধিকবার প্রকাশ্যে জানিয়েছে। বিশেষ করে দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় বড় শহরগুলোতে হামলার ক্ষয়ক্ষতি কমানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেন ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে আসছে। একই সঙ্গে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে সক্ষম প্যাট্রিয়ট প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের অনুমতি পেতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালাচ্ছে দেশটি।
তবে শুধু নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করলেই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান হবে না। এসব ব্যবস্থা পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ এবং পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রাখার বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া যদি একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে, তাহলে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ফলে কিছু অস্ত্র প্রতিরক্ষা বলয় অতিক্রম করে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানতে পারে।
সম্মুখসীমার কাছে নতুন আতঙ্ক স্বল্পপাল্লার ড্রোন
দূরবর্তী শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন বড় হুমকি হলেও সম্মুখসীমার কাছাকাছি এলাকার মানুষের জন্য স্বল্পপাল্লার ড্রোন আরও ভয়ংকর বাস্তবতা তৈরি করেছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে সম্মুখসীমার নিকটবর্তী অঞ্চলে বেসামরিক মৃত্যু ও আহত হওয়ার বড় অংশের জন্য এসব ড্রোন দায়ী।
ড্যানিয়েল বেল বলেছেন, স্বল্পপাল্লার ড্রোন সীমান্তবর্তী ও যুদ্ধক্ষেত্রসংলগ্ন এলাকার পরিবেশ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই জানিয়েছেন, খাবার কিনতে যাওয়া, কুকুর নিয়ে হাঁটা, সাইকেল চালানো, বাড়ির আঙিনায় কাজ করা কিংবা নিরাপদ স্থানে যাওয়ার সময়ও তাঁদের মনে হয় ড্রোন তাঁদের অনুসরণ করছে।
এ ধরনের অভিজ্ঞতা শুধু শারীরিক নিরাপত্তার সংকট তৈরি করে না, মানুষের মানসিক অবস্থার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। যখন দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোও মৃত্যুঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়, তখন স্বাভাবিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবন কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
কৃষিকাজ, বাজারে যাতায়াত, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ, শিশুদের বাইরে বের হওয়া এবং জরুরি প্রয়োজনে স্থান পরিবর্তন—সবকিছুতেই ভয় কাজ করে। ফলে বেঁচে থাকা মানুষের জীবনও এক ধরনের স্থায়ী অবরুদ্ধতার মধ্যে চলে যায়।
জুলাইয়ের শুরুতেও অব্যাহত প্রাণহানি
জুনের ভয়াবহতার পর জুলাই মাসেও হামলা ও হতাহতের ধারা থামেনি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে করা হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের প্রথমার্ধে ইউক্রেনে অন্তত ২৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ১ হাজার ৯০৪ জন আহত হয়েছেন।
মাত্র অর্ধেক মাসে এত বিপুলসংখ্যক হতাহত হওয়া ইঙ্গিত দেয় যে জুনের প্রাণহানি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা ছিল না। বরং এটি আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি সহিংসতার অংশ।
২ জুলাই কিয়েভে চালানো আরেকটি ভয়াবহ রুশ হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন সদস্য ছিলেন। ঘটনাটি ইউক্রেনের যুদ্ধকালীন মানবিক বিপর্যয়ের এক নির্মম উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
ওই পরিবারের পরিচিত আল্লা মেলনিচুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তাঁদের স্মরণ করেন। তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে নিকিতা নামের ২৩ বছর বয়সী এক তরুণও ছিলেন। শৈশবে তিনি ক্যানসারকে পরাজিত করেছিলেন। কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
একটি দীর্ঘ জীবন, নতুন সংসার এবং ভবিষ্যতের বহু পরিকল্পনা সামনে থাকলেও এক মুহূর্তের হামলায় সবকিছু শেষ হয়ে যায়। এ ধরনের ব্যক্তিগত ঘটনা বড় পরিসংখ্যানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানবিক ক্ষতির প্রকৃত গভীরতা সামনে আনে।
পরিসংখ্যানের পেছনে অসংখ্য অসমাপ্ত জীবন
যুদ্ধে নিহতদের সংখ্যা সাধারণত শতকরা হার, মাসভিত্তিক হিসাব কিংবা বার্ষিক তুলনার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি সম্পর্ক, একটি পেশা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অসংখ্য পরিকল্পনা।
জুনে নিহত ২৯৩ জনের প্রত্যেকের জীবন ছিল আলাদা। কেউ হয়তো কর্মস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কেউ ঘুমাচ্ছিলেন, কেউ সন্তানকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছিলেন। কেউ হয়তো যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে থাকার কারণে নিজেকে তুলনামূলক নিরাপদ মনে করেছিলেন।
কিন্তু দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার সেই নিরাপত্তার ধারণাকে দুর্বল করে দিয়েছে। যুদ্ধের ভৌগোলিক সীমা এখন আর শুধু সেনাদের অবস্থান দিয়ে নির্ধারিত হচ্ছে না। একটি শহর সম্মুখসীমা থেকে দূরে হলেও কয়েক মিনিটের মধ্যে তা হামলার শিকার হতে পারে।
কেন ২০২৬ সালের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসের তথ্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। প্রথমত, বেসামরিক প্রাণহানির মোট সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দ্বিতীয়ত, দূরপাল্লার অস্ত্রের আঘাতে জনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তৃতীয়ত, সম্মুখসীমার কাছে স্বল্পপাল্লার ড্রোন সাধারণ মানুষের চলাচল ও দৈনন্দিন জীবনকে বিপজ্জনক করে তুলেছে।
এর অর্থ, বেসামরিকদের জন্য ঝুঁকি এখন দুই দিক থেকে আসছে। বড় শহরের বাসিন্দারা ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোনের হুমকিতে রয়েছেন। অন্যদিকে সম্মুখসীমার আশপাশে থাকা মানুষ ছোট ও দ্রুতগামী ড্রোনের নজরদারি এবং হামলার শিকার হচ্ছেন।
এই বাস্তবতায় কেবল সামরিক স্থাপনা রক্ষা নয়, আবাসিক ভবন, হাসপাতাল, বিদ্যুৎব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র এবং জরুরি সেবার নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হামলার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনা, আহতদের চিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার সক্ষমতার ওপরও প্রাণহানির মাত্রা নির্ভর করে।
মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা
হামলার বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে ইউক্রেনের বেসামরিক জনগণের জন্য ২০২৬ সাল আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। বছরের প্রথম ছয় মাসেই প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু এবং জুলাইয়ের প্রথমার্ধে আরও অন্তত ২৪০ জনের প্রাণহানি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করছে।
এখানে শুধু মৃত্যুর সংখ্যাই বিবেচ্য নয়। আহত মানুষের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, অঙ্গহানি, মানসিক আঘাত, ঘরবাড়ি ধ্বংস, কর্মসংস্থান হারানো এবং পরিবার বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সমস্যাও ক্রমশ বাড়ছে।
শিশু ও প্রবীণদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন। বারবার বিমান হামলার সতর্কসংকেত, বিস্ফোরণের শব্দ এবং আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা শিশুদের মানসিক বিকাশে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। একইভাবে চলাচলে অক্ষম প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
বেসামরিক সুরক্ষা এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা
জুন মাসের প্রাণহানির তথ্য প্রমাণ করে যে ইউক্রেন যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য এখনো সাধারণ মানুষকেই দিতে হচ্ছে। শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার ড্রোন এবং সম্মুখসীমায় ব্যবহৃত স্বল্পপাল্লার ড্রোনের কারণে বেসামরিক ও সামরিক এলাকার মধ্যকার সীমারেখা ক্রমেই অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও পর্যবেক্ষকদের জন্য হামলার প্রতিটি ঘটনা নথিভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বেসামরিক সুরক্ষা, কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র এবং দ্রুত উদ্ধারব্যবস্থা শক্তিশালী করাও জরুরি।
২০২২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের জুনে সর্বোচ্চ বেসামরিক প্রাণহানি কোনো সাধারণ পরিসংখ্যান নয়। এটি চলমান সংঘাতের ভয়াবহতা, যুদ্ধের পরিবর্তিত কৌশল এবং সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান অসহায়ত্বের স্পষ্ট সতর্কবার্তা।
যুদ্ধের সামরিক ফলাফল নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে। কিন্তু কিয়েভ, দনিপ্রো, ওদেসা এবং সম্মুখসীমার কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষের জন্য বাস্তবতা একটিই—বাজারে যাওয়া, বাড়ির উঠানে কাজ করা কিংবা পরিবারের সঙ্গে ঘুমানোর মতো স্বাভাবিক কাজও এখন জীবনের শেষ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে।

